Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মোবাইল আসক্তি ঠেকাতে খোকনের ‘পথ পাঠাগার’
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ভারত

‘যুবরাজ’ থেকে কি ‘যোদ্ধা’ হতে পারবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?

  • পরাজয়ের পর নতুন অধ্যায়
রুবাইয়া জেসমিন, কলকাতা
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ১৮:১৯
‘যুবরাজ’ থেকে কি ‘যোদ্ধা’ হতে পারবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

রাজনীতিতে পরিবর্তনের হাওয়া যখন বয়ে যায়, তখন শুধু সরকার বদলায় না; বরং বদলে যায় নেতৃত্বের কেন্দ্রও। তৃণমূল কংগ্রেসের দেড় দশকের ক্ষমতার অবসানের পর বঙ্গে এখন বইছে গেরুয়া ঝড়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রে যে নামটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেকের উত্থানকে আলাদা করে বোঝার জন্য ফিরে তাকাতে হয় ২০১১ সালের দিকে। তৃণমূল কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় আসে, তখনই দলের ভেতরে নতুন প্রজন্মকে সামনে আনার পরিকল্পনা শুরু হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুরুটা ছিল সংগঠনকেন্দ্রিক— যুব নেতৃত্ব, দলের কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং দলীয় কাঠামোর ভেতরে নিজের জায়গা তৈরি করা।

এরপর ২০১৪ সালে ডায়মন্ড হারবার থেকে লোকসভায় জয় তার রাজনৈতিক জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। জাতীয় রাজনীতির মঞ্চে প্রবেশের পাশাপাশি তিনি হয়ে ওঠেন দলের এক নির্ভরযোগ্য মুখ। এরপর ক্রমেই বাড়তে থাকে তার দায়িত্ব। যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়া, নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ এবং শেষ পর্যন্ত দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন।

এই মুহূর্তে অভিষেকের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তিনটি— প্রথমত দলকে ভেতর থেকে পুনর্গঠন করা। দ্বিতীয়ত বিরোধী রাজনীতিতে নিজের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা। তৃতীয়ত নিজের নেতৃত্বকে 'উত্তরাধিকার থেকে অর্জন' এই তকমা সরিয়ে স্বাতন্ত্র্য পরিচয় গড়ে তোলা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরই তার রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হয় এবং সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই তার হাতে কেন্দ্রীভূত হতে থাকে। তৃণমূলের ভেতরে কার্যত একটি সমান্তরাল শক্তিকেন্দ্র তৈরি হয়— একদিকে ঐতিহ্যবাহী নেতৃত্ব, অন্যদিকে অভিষেকের নতুন প্রজন্মের সংগঠন।

আরও পড়ুন

নতুন মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ে কোন পথে এগোবে গেরুয়া শিবির?

০৫ মে ২০২৬

এই সময় থেকেই তিনি এক নতুন রাজনৈতিক ধারা চালু করার চেষ্টা করেন। চটজলদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ডেটা-ভিত্তিক নির্বাচনী কৌশল এবং তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনা— এই তিনটি বিষয় তার রাজনীতির মূল ভিত্তি হয়ে ওঠে। অনেকেই একে আধুনিকীকরণ হিসেবে দেখেছিলেন। আবার সমালোচকদের মতে, এই প্রক্রিয়ায় দলের পুরনো এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্বরা ক্রমেই প্রান্তিক হয়ে পড়েন। এই দ্বন্দ্বই ধীরে ধীরে তৃণমূলের ভেতরে এক অদৃশ্য ফাটল তৈরি করে, যা ক্ষমতায় থাকাকালে ততটা চোখে না পড়লেও পরাজয়ের পরে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থান কখনোই বিতর্কমুক্ত ছিল না। তার পরিচয়ের সঙ্গে ‘পরিবারতন্ত্র’-এর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে জড়িয়ে রয়েছে। বিরোধীরা বারবার তাকে ‘যুবরাজ’ বলে কটাক্ষ করেছেন। যদিও তার সমর্থকদের যুক্তি— সংগঠন পরিচালনার দক্ষতা, কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা অভিষেককে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।

যদিও রাজনীতির প্রকৃত পরীক্ষা আসে ক্ষমতা হারানোর পরে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল সেই পরীক্ষার দরজা খুলে দিয়েছে। তৃণমূলের পরাজয়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিষেকের অবস্থানও আমূল বদলে গেছে। এতদিন তিনি যে রাজনীতির মধ্যে ছিলেন, তা ছিল ক্ষমতার রাজনীতি। যেখানে প্রশাসনিক সমর্থন, সংগঠনের দৃঢ়তা এবং নির্বাচনী সাফল্য একসঙ্গে কাজ করত। কিন্তু এখন তার সামনে বিরোধী রাজনীতির কঠিন বাস্তবতা, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপেই প্রতিবন্ধকতা, প্রতিটি সিদ্ধান্তেই অনিশ্চয়তা। এ ছাড়া এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তার মাথার ওপর, কিন্তু এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। ক্ষমতার বলয় সরে গেলে রাজনৈতিক অবস্থান কত দ্রুত বদলে যায়, তা যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে এই ভোটের ফলাফল। একই সঙ্গে দলের ভেতরেও আত্মসমালোচনার সুর শোনা যাচ্ছে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থান কখনোই বিতর্কমুক্ত ছিল না। তার পরিচয়ের সঙ্গে ‘পরিবারতন্ত্র’-এর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে জড়িয়ে রয়েছে। বিরোধীরা বারবার তাকে ‘যুবরাজ’ বলে কটাক্ষ করেছেন

প্রার্থী নির্বাচন, সংগঠনের পরিবর্তনসহ দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা— এসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

আরও পড়ুন

গৃহকর্মী থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিধায়ক হলেন কলিতা মাজি

০৫ মে ২০২৬


তবে অন্য একটি দিকও আছে। তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রশ্নে এখনো সবচেয়ে শক্তিশালী নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ সংগ্রাম, জনসংযোগ এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তৃণমূলকে যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল; তার পরে সেই উত্তরাধিকার বহন করা সহজ নয়। বিশেষ করে যখন সেই দায়িত্ব নিতে হচ্ছে ক্ষমতার বাইরে থেকে। এই মুহূর্তে অভিষেকের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তিনটি— প্রথমত দলকে ভেতর থেকে পুনর্গঠন করা। দ্বিতীয়ত বিরোধী রাজনীতিতে নিজের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা। তৃতীয়ত নিজের নেতৃত্বকে ‘উত্তরাধিকার থেকে অর্জন’ এই তকমা সরিয়ে স্বাতন্ত্র্য পরিচয় গড়ে তোলা। কারণ রাজনীতির ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে যে, ক্ষমতা পাওয়া সহজ, কিন্তু ক্ষমতা হারানোর পরে টিকে থাকা কঠিন। এই কঠিন পথেই এখন হাঁটতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি কি রাস্তায় নেমে লড়াইয়ের রাজনীতি শিখবেন? তিনি কি দলের ভেতরে ভাঙন মেরামত করে নতুন ঐক্য গড়তে পারবেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনো অজানা। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, এখন আর তিনি শুধু কারও ছায়া নন।

অভিষেক নিজেই এক রাজনৈতিক পরীক্ষা। এই পরীক্ষার ফলই ঠিক করে দেবে— অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি শুধু এক যুগের উত্তরসূরি হয়ে থাকবেন, নাকি তিনি নিজেই হয়ে উঠবেন নতুন এক যুগের নির্মাতা।

তৃণমূল কংগ্রেসবিধানসভা নির্বাচনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

    প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    পদত্যাগের নির্দেশ পেয়ে এমপি মিষ্টি স্পিকারের দপ্তরে

    পদত্যাগের নির্দেশ পেয়ে এমপি মিষ্টি স্পিকারের দপ্তরে

    পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন মিষ্টি

    পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন মিষ্টি

    মাদক নির্মূলের নামে সালিশ, কান ধরে উঠবস ও টাকা আদায়ের অভিযোগ

    মাদক নির্মূলের নামে সালিশ, কান ধরে উঠবস ও টাকা আদায়ের অভিযোগ

    ৪৯তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ গোপালগঞ্জের ৯ সুপারিশপ্রাপ্ত

    ৪৯তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ গোপালগঞ্জের ৯ সুপারিশপ্রাপ্ত

    বাসে ওঠার পর নিখোঁজ বাউফলের ব্যবসায়ী, ১২ দিনেও সন্ধান নেই

    বাসে ওঠার পর নিখোঁজ বাউফলের ব্যবসায়ী, ১২ দিনেও সন্ধান নেই

    বাউফলের সাবেক মেয়র জুয়েল ঢাকায় গ্রেপ্তার

    বাউফলের সাবেক মেয়র জুয়েল ঢাকায় গ্রেপ্তার

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা