পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিস্তা নিয়ে আর ভারতের অপেক্ষা নয়, সামনে চীন

সংগৃহীত ছবি
তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির জন্য ভারতের অপেক্ষায় বসে থাকতে চায় না বাংলাদেশ। নদীপাড়ের মানুষের ‘বাঁচা-মরার’ প্রশ্নে নিজস্ব পদক্ষেপ নেবে সরকার। এ প্রান্তের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বর্তমান প্রশাসন চীনের সঙ্গে আলোচনা চালাতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
মঙ্গলবার চীন সফরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
এই সফরে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা হবে কি না— জানতে চাইলে বিএনপি সরকারের এ অবস্থান তুলে ধরলেন মন্ত্রী। ‘অবশ্যই’ আলোচনা হবে জোর দিয়ে বললেন খলিলুর।
তিন দিনের সফরে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি দেশটির ‘পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের’ চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে তার।
‘চীন আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বন্ধু দেশ, যার সঙ্গে আমাদের স্ট্র্যাটেজিক কো-অপারেটিভ পার্টনারশিপ পর্যায়ে সম্পর্ক। নতুন সরকারের তরফ থেকে এটা চীনে প্রথম সফর’— যাত্রার উদ্দেশ্য ও তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চালিয়ে গেলেন মন্ত্রী।
‘তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং এই সফরে আমাদের দুদেশের সম্পর্ককে আরও দ্রুত এবং আরও গভীর ও ব্যাপ্ত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব— কর্মসূচির ব্যাখ্যা দিলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার উল্লেখ করে খলিলুর বললেন, চীন সফরে অবশ্যই তিস্তার কথা হবে, অবশ্যই। এটা আমাদের সেই অঞ্চলের মানুষের মরণ-বাঁচনের বিষয়। তারা ডাক দিয়েছে ‘জাগো বাহে’। সেই ডাকে যদি আমরা সাড়া না দিই, তাহলে আমরা আছি কেন। সবচেয়ে বড় কথা যেটা হচ্ছে, তিস্তাপাড়ের মানুষের একটা বড় ধরনের ‘ইকোলজিক্যাল’ বিপর্যয়ের মধ্যে তারা আছে, এটা তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়।
আমরা যেভাবে পারি, যে কয়টা উপায় আছে, সব অনুসন্ধান করব। যেটা সর্বোত্তম, সেটাই দেব। এখানে সবচেয়ে বড় আপনার বিচার্য বিষয় হচ্ছে, আমাদের মানুষের ‘ইন্টারেস্ট’, বাংলাদেশ ‘ফার্স্ট’— বিএনপির নির্বাচনী স্লোগান মনে করিয়ে দিলেন দেশের এই সর্বোচ্চ কূটনীতিক।



