সিজেপির নতুন আন্দোলনের ডাক, যন্তর মন্তরে ফের কড়া নিরাপত্তা

সংগৃহীত ছবি
দিল্লিতে জন্তরমন্তরে ফের বিক্ষোভের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হল রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো। বিপুল সংখ্যক দিল্লি পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা র্যাফ নামানোর পাশাপাশি গোটা এলাকাজুড়ে বসানো হয়েছে একের পর এক ব্যারিকেড।
এই কড়া নিরাপত্তার নেপথ্যে রয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির নতুন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি। উল্লেখ্য যে,মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৮ জুলাই, দলের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা অভিযোগ করেন যে, আন্দোলনের প্রত্যাহারের সময় সরকার ছাত্রদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার যে আশ্বাস দিয়েছিল, তা রক্ষা করা হয়নি। তাঁর দাবি, বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যে ইতিমধ্যেই শতাধিক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবিলম্বে সমস্ত গ্রেপ্তার ছাত্রকে মুক্তি এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি।
আশুতোষ রাঙ্কা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন যে ,আমাদের দাবিগুলো না মানলে হলে দেশজুড়ে আবারও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে সংগঠনটি। আর এই ঘোষণার পরই দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তর এলাকা সহ অনান্য এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে। ছাত্র আন্দোলনে যাতে নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায় সে জন্যেই আগে থেকে র্যাফ মোতায়েন এবং অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।
নিট প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতির অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (প্রাক্তন) পদত্যাগের দাবিতে সিজেপি এই যন্তর মন্তরেই টানা ৩৬ দিন অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়েছিল। পাশাপাশি সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচু ২৬ দিন অনশন করেছিলেন। সেই আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, পরে আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার থামেনি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় পুলিশের বলপ্রয়োগ নিয়ে বিষয়টি দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্টেও পৌঁছেছে। ফলে নতুন করে আন্দোলনের ডাক এবং তার জেরে রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদস্থলে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে।





