বন্ড ছাড়াই অভিবাসী আটক, ট্রাম্পের নীতি সুপ্রিম কোর্টে

ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের বন্ড শুনানির সুযোগ না দিয়ে আটক রাখার ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি এবার দেশটির সুপ্রিম কোর্টে উঠছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আদালত নীতিটির বৈধতা নিয়ে করা মামলাটি শুনতে সম্মতি দিয়েছেন। মামলার মূল প্রশ্ন হলো, নির্বাসন প্রক্রিয়া চলাকালে নির্দিষ্ট শ্রেণির অভিবাসীদের বন্ড শুনানির সুযোগ দেওয়া হবে কি না।
ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সালে এই নীতি চালু করে। এর মাধ্যমে অনেক অনিবন্ধিত অভিবাসীকে বন্ডের সুযোগ ছাড়াই আটক রাখার অবস্থান নেয় প্রশাসন।
এর আগে প্রায় ৩০ বছর ধরে অনেক অভিবাসী ইমিগ্রেশন বিচারকের কাছে বন্ডের মাধ্যমে মুক্তির আবেদন করতে পারতেন। নতুন নীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফেডারেল আদালতে মামলা হয়। এতে আদালতগুলোর মধ্যে পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্তও এসেছে।
মামলাটির সঙ্গে জড়িত ব্রাজিলের নাগরিক রিকার্ডো আপারেসিডো বারবোসা দা কুনহা। তাকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ম্যাসাচুসেটসে আটক করা হয়। পরে তিনি বন্ড শুনানির সুযোগ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। সুপ্রিম কোর্টের নথিতেও তার মামলাটি Rhoney v. Barbosa da Cunha নামে নথিভুক্ত রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি, ফেডারেল অভিবাসন আইনের অধীনে নির্দিষ্ট শ্রেণির অভিবাসীকে আটক রাখার ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। অন্যদিকে মামলার পক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, দীর্ঘ সময় আটক রাখার ক্ষেত্রে বন্ড শুনানির সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ।
ফেডারেল আপিল আদালতগুলোর রায়ের মধ্যেও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ সার্কিট নীতিটির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। পঞ্চম সার্কিট প্রশাসনের অবস্থান সমর্থন করেছে।
এই বিভক্তির পর বিষয়টি এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। সুপ্রিম কোর্টের রায় অভিবাসন মামলায় আটক ও বন্ড শুনানির নিয়মে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।




