স্কুলে গুলির ঘটনার জেরে থাইল্যান্ডে স্থগিত আগ্নেয়াস্ত্র কেনার অনুমতি

থাইল্যান্ডের একটি আগ্নেয়াস্ত্রের দোকান- রয়টার্স
১৪ বছর বয়সী এক বন্দুকধারীর গুলিতে ৯ জন নিহত হওয়ার কয়েক দিন পর মঙ্গলবার থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল আগ্নেয়াস্ত্র কেনার অনুমতিপত্র দেওয়া স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে বিদ্যমান লাইসেন্সগুলোও পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আনুতিন আইনবিষয়ক দায়িত্বে থাকা এক উপপ্রধানমন্ত্রীকে নতুন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও উল্লেখযোগ্যভাবে কঠোর শাস্তির বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে নতুন আইনে।
আগ্নেয়াস্ত্র কেনার অনুমতিপত্র নবায়ন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।
আনুতিন বলেছেন, নিবন্ধিত আগ্নেয়াস্ত্র বাড়িতেই রাখতে হবে এবং জনসমক্ষে বহন করা যাবে না। তিনি বিদ্যমান আইনের এ বিধানটি আবারও উল্লেখ করেন।
অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেগুলো রাষ্ট্রের কাছে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রেখে আইন প্রণয়নের বিষয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত সপ্তাহে ব্যাংককের উপকণ্ঠের একটি স্কুলে এক কিশোর ছয়জনকে হত্যা করে এবং পরে নিজেও আত্মহত্যা করে। এর আগে সে তার দাদা-দাদিকে গুলি করে হত্যা করেছিল। প্রায় চার বছরের মধ্যে এটিই ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী বন্দুক হামলা।
২০১৭ সালে স্মল আর্মস সার্ভের এক হিসাব অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের বেসামরিক নাগরিকদের কাছে আনুমানিক ১ কোটি ৩ লাখ আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন বাসিন্দার জন্য প্রায় ১৫টি আগ্নেয়াস্ত্র। এ হার আঞ্চলিক অন্য দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।
শিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রিসভার কাছে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদারে নতুন কিছু পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশকারী প্রত্যেক ব্যক্তির কাছে অবৈধ বস্তু ও অস্ত্র রয়েছে কি না, তা তল্লাশি করার প্রস্তাবও রয়েছে।





