Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনাবেতনে পাঠদান ৭০ বছর
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় এশিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক চায় তালেবান

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:৫০
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক চায় তালেবান

ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক চায় তালেবান। তবে সেই সম্পর্ক স্থাপনের আগে আফগানিস্তানে দুই দশকের যুদ্ধের রেখে যাওয়া বিষয়গুলোর সমাধান করতে হবে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি। সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন তালেবানের মুখপাত্র আবদুল কাহার বালখি।

যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পাঁচ বছর পর বালখি বিদেশি সামরিক উপস্থিতির অবসানকে প্রশাসনের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, বেকারত্ব, অর্থনৈতিক সংকট ও জনগণের অসন্তোষ এখনো রয়েছে।

বালখি বললেন, ‘নিঃসন্দেহে আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো দখলদারত্বের অবসান।’ তার দাবি, এরপর থেকে দেশটিতে নিরাপত্তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোর উন্নতি হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, ২০২০ সালে আফগানিস্তানের রপ্তানি ৭৫ কোটি ডলার থেকে বেড়ে প্রায় ২০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে কারখানার সংখ্যা দেড় হাজার থেকে বেড়ে ৬ হাজার হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন দিতে এবং কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে সরকার।

তবে বালখি স্বীকার করেন, ‘এমন কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে আমরা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি।’ এর মধ্যে ব্যাপক বেকারত্বসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

মঙ্গলবারের সাক্ষাৎকারে আফগানিস্তানের অব্যাহত কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার বিষয়টিও উঠে আসে। রাশিয়াই একমাত্র দেশ, যারা আনুষ্ঠানিকভাবে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

বালখি বলেছেন, আফগানিস্তান ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে কূটনৈতিকভাবে যোগাযোগ করছে। তিনি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির বাস্তব অর্থ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

আরও পড়ুন

ইরানে যাওয়ার পথে তৃষ্ণায় ৮ শিশুসহ ১৭ আফগানের মৃত্যু

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেছেন, কাবুল ‘যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশের’ সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক চায়। যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস পুনরায় চালু করা এবং খনিজ ও গ্যাসের মতো খাতে মার্কিন বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর দেশটিতে রেখে যাওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলারের মার্কিন অর্থায়নে কেনা সামরিক সরঞ্জাম ফেরত দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আহ্বান জানিয়েছেন, সেটিও প্রত্যাখ্যান করেন বালখি। সিবিএস জানিয়েছে, আফগানিস্তানে প্রায় ৭০০ কোটি ডলারের মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম রয়ে গেছে।

বালখি বললেন, ‘এসব আফগান রাষ্ট্রের সম্পদ।’ বিদেশে জব্দ থাকা আফগান তহবিল ছাড়ার সঙ্গে এসব সরঞ্জাম ফেরত দেওয়ার কোনো চুক্তি করার বিষয়ও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

সামরিক সরঞ্জামগুলোর অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের করদাতারা দিয়েছেন, এমন যুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে বালখি বললেন, ‘আমেরিকানরা অনেক কিছু করেছে। আমেরিকানরা অনেক মানুষকে হত্যা করেছে, দেশের বেশির ভাগ অংশ ধ্বংস করেছে। তাহলে কি তাদের আগে সেসবের জন্য অর্থ দেওয়া উচিত নয়?’

ওয়াশিংটনের জব্দ করা আফগান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদ ছাড়ার দাবি জানান বালখি। তার দাবি, এসব অর্থ তালেবান সরকারের নয়, বরং আফগান রাষ্ট্রের।

৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকীতে বালখি বলেছেন, তালেবান বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার নিন্দা করে। তিনি দোহা চুক্তির অধীনে তালেবানের দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। ওই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আফগান ভূখণ্ড যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের ওপর হামলা চালাতে ব্যবহার করা হবে না।

সাক্ষাৎকারে নারীদের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ নিয়েও আলোচনা হয়। সপ্তম শ্রেণি থেকে মেয়েদের জন্য সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা স্থগিত রাখার বিষয়ে বালখি বলেছেন, বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা এখনো চালু রয়েছে। বিধিনিষেধের মধ্যেও মেয়েরা গোপন শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে, এমন প্রতিবেদনও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

তার ভাষ্য, ‘গোপন স্কুল বলে কিছু নেই।’ এসব ব্যবস্থাকে তিনি বাড়িতে পড়াশোনা বা মাদ্রাসা, অর্থাৎ ইসলামি শিক্ষা হিসেবে বর্ণনা করেন।

২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তার দিকে ফিরে তাকিয়ে বালখি বলেছেন, আফগানিস্তান শিখেছে যে কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাতের সমাধান করা উচিত।

তিনি বললেন, ‘যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়। আর আফগানিস্তান দখল করা অবশ্যই আপনাদের জন্যও কল্যাণকর নয়।’ আফগানিস্তানের পুনর্গঠন ও উন্নয়নে আরও সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আফগানিস্তানযুক্তরাষ্ট্রকূটনৈতিক সম্পর্কতালেবান
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    দরিদ্র তালিকায় খরচ বাড়ল ১৭৯৪ কোটি টাকা

    দরিদ্র তালিকায় খরচ বাড়ল ১৭৯৪ কোটি টাকা

    বিনাবেতনে পাঠদান ৭০ বছর

    বিনাবেতনে পাঠদান ৭০ বছর

    কড়া নাড়ছে এজিআই

    কড়া নাড়ছে এজিআই

    ভূরাজনীতির যুদ্ধক্ষেত্র মরু-সীমান্তের সংঘাত

    ভূরাজনীতির যুদ্ধক্ষেত্র মরু-সীমান্তের সংঘাত

    মক্কার দিকে ধেয়ে আসা ড্রোন ধ্বংসের দাবি সৌদির

    মক্কার দিকে ধেয়ে আসা ড্রোন ধ্বংসের দাবি সৌদির

    লিম্ফোমা চিকিৎসা ও আমাদের করণীয়

    লিম্ফোমা চিকিৎসা ও আমাদের করণীয়

    এক বার্তায় নিঃস্ব খামারি

    এক বার্তায় নিঃস্ব খামারি

    অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার

    অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার

    আগুনের পর কী ঘটেছিল ময়মনসিংহ মেডিকেলে

    আগুনের পর কী ঘটেছিল ময়মনসিংহ মেডিকেলে

    প্রশ্নের মধ্যেই অনুমোদন পেল মেট্রোরেলে ৩ প্রকল্প

    প্রশ্নের মধ্যেই অনুমোদন পেল মেট্রোরেলে ৩ প্রকল্প

    শরীরে ডায়াবেটিসের প্রভাব

    শরীরে ডায়াবেটিসের প্রভাব

    বিদেশি ফার্নিচার ও কর্মকর্তাদের সম্মানী নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    বিদেশি ফার্নিচার ও কর্মকর্তাদের সম্মানী নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    চাঁনখারপুলের মেস থেকে জগন্নাথ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    চাঁনখারপুলের মেস থেকে জগন্নাথ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    যখন নদী কেড়ে নেয় ভিটে

    যখন নদী কেড়ে নেয় ভিটে

    সৌদিতে হুতিদের হামলা, পাকিস্তান কোথায়

    সৌদিতে হুতিদের হামলা, পাকিস্তান কোথায়