Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনাবেতনে পাঠদান ৭০ বছর
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

যখন নদী কেড়ে নেয় ভিটে

ফাইয়াজউদ্দিন আহমদ
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬
যখন নদী কেড়ে নেয় ভিটে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বন্যা বা বৈশাখী ঝড়ের মতো নদীভাঙন আগাম কোনো সাইরেন বাজিয়ে বা হাত নেড়ে বিদায় নেওয়ার মতো সময় দেয় না; সে আসে নিঃশব্দে, প্রাচীন দানবের মতো থাবা বাড়িয়ে। ফরিদপুরের সদর ও সদরপুর উপজেলার অন্তত ১৫টি গ্রামের মানুষের কাছে রাতের প্রতিটি প্রহর এখন আর কোনো ঘুমের সময় নয়, এটি এক দীর্ঘশ্বাসমাখা অনন্ত আতঙ্কের নাম। ‘আগামীর সময়’ পত্রিকায় সাংবাদিক সঞ্জিব দাসের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও মর্মস্পর্শী প্রতিবেদনে অত্যন্ত নিখুঁত ও নির্মমভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এ গ্রামগুলোর মানুষের যন্ত্রণার জীবন্তচিত্র। পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁর রাক্ষসী গ্রাসে সেখানকার মানুষের সাজানো সংসার কীভাবে তছনছ হয়ে যাচ্ছে, তার এক অখণ্ড দলিল ওই প্রতিবেদনটি।

চরমানাইর ইউনিয়নের আফসারডাঙ্গিসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন আজ এতটাই পাশবিক রূপ নিয়েছে যে, গত দুই মাসেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে পাকা সড়ক, তিনটি মসজিদ, একটি বিদ্যালয়, শত বছরের পুরনো কবরস্থান এবং হাজার হাজার বিঘা আবাদি জমি।

এ দৃশ্য শুধু একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের বিচ্ছিন্ন কোনো দুঃখগাথা নয়; এটি পুরো বাংলাদেশের জলবায়ুজনিত এক গভীর ও কাঠামোগত ট্র্যাজেডির ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি মাত্র। সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস বা সিইজিআইএসের (CEGIS) গবেষণালব্ধ তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ দশকে দেশের প্রধান নদনদী বিশেষ করে যমুনা, পদ্মা ও তাদের প্রধান অববাহিকায় প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৫৩ হেক্টর ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, যা রাজধানী ঢাকার আয়তনের প্রায় পাঁচ গুণ।

নদীভাঙন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ম. র. ইসলাম কিংবা বিশিষ্ট অভিবাসন ও নদীভাঙন গবেষক ড. বিশ্বজিৎ মল্লিক তাদের বিভিন্ন গবেষণায় বারবার দেখিয়েছেন যে, নদীভাঙন শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ঋতুভিত্তিক আকস্মিক আবহাওয়ার পরিবর্তন নয়; এটি একধরনের নীরব মানবতাবিরোধী বিপর্যয়— যা সচ্ছল, স্বাবলম্বী ও মর্যাদাবান মানুষকে রাতারাতি ভূমিহীন উদ্বাস্তুতে পরিণত করে। নদীর পেটে এক বর্গকিলোমিটার উর্বর জমি চলে যাওয়ার অর্থ হলো প্রায় এক হাজার মানুষের আজীবন অর্জিত জীবন ও জীবিকার শিকড় চিরতরে উপড়ে যাওয়া।

তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ দশকে দেশের প্রধান নদনদী বিশেষ করে যমুনা, পদ্মা ও তাদের প্রধান অববাহিকায় প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৫৩ হেক্টর ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, যা রাজধানী ঢাকার আয়তনের প্রায় পাঁচ গুণ

একজন কৃষকের শেষসম্বলটুকু যখন নদী কেড়ে নেয়, তখন তার পায়ের নিচের মাটি শূন্য হয়ে যায়। ভিটেমাটি হারানোর পর তাদের সামনে খোলা থাকে শুধু দুটি করুণ পথ— নদীর ভাঙা বাঁধে প্লাস্টিকের ছাউনি টাঙিয়ে মানবেতর জীবনযাপন অথবা রাজধানী ঢাকার জনবহুল, অস্বাস্থ্যকর ও অপরিকল্পিত বস্তিগুলোতে গিয়ে ভিড় করা, যেখানে তারা শ্রমজীবী হিসেবে হারিয়ে যান এক অচেনা ও নিষ্ঠুর ভিড়ে।

বছরের পর বছর নদীভাঙন রোধে আমাদের প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া সীমাবদ্ধ থেকেছে শুধু তাৎক্ষণিক লোকদেখানো পদক্ষেপে। ভাঙন নদীর পাড় গ্রাস করে গ্রামকে গিলে খাওয়ার পর টনক নড়ে প্রশাসনের, তখন তড়িঘড়ি জিও ব্যাগ ফেলার খেলা শুরু হয়— যা মূলত দুর্নীতি, সরকারি অর্থের অপচয় আর আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতার এক চিরন্তন দলিল। অথচ দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব ছিল ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোতে বর্ষা মৌসুমের বহু আগেই স্থায়ী, বিজ্ঞানভিত্তিক ও সুদূরপ্রসারী প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া।

নদীভাঙনের এই নির্মম বাস্তবতার পেছনে রয়েছে আরও এক গভীর ও উপেক্ষিত সত্য, যা মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সংস্কৃতির মূলে আঘাত হানে। আমাদের গ্রামীণ জীবন আবহমানকাল ধরে গড়ে উঠেছে প্রকৃতির সঙ্গে এক নিবিড় বন্ধুভাবাপন্ন মিতালির মধ্য দিয়ে, যেখানে ভিটেমাটির স্থায়িত্ব ও শিকড়ের সুদৃঢ়তা ছিল মানুষের মানসিক শক্তির মূল উৎস। কিন্তু যখন সেই শিকড়ই প্রতি বছর একটু একটু করে নদীর পেটে চলে যায়, তখন মানুষের মনস্তত্ত্বে এক গভীর ও অপূরণীয় ভাঙন ধরে। মানুষ ধীরে ধীরে বিশ্বাস করতে শুরু করে, এ পৃথিবীতে তাদের কোনো স্থায়ী ঠিকানা নেই, তাদের জীবন যেন অনিশ্চিত কালিতে লেখা। এ পরিস্থিতির শিকার হয়ে শিশুরা বড় হয় এমন এক চরম অনিশ্চয়তার ভেতর দিয়ে, যাদের ঘরের কোণে সবসময় গোছানো থাকে একটি ছোট বাক্স— যেকোনো মুহূর্তে ভিটে ছেড়ে পালাতে হবে এই আশঙ্কায়। মনস্তাত্ত্বিক ভাষায় এটিকে এক দীর্ঘস্থায়ী জলবায়ুজনিত মানসিক ট্রমা বা ক্লাইমেট গ্রিফ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

তবে নদীকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচার সফল কৌশল আবিষ্কার করেছে অনেক দেশ। উদাহরণস্বরূপ নেদারল্যান্ডসের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে। তারা প্রকৃতিকে কংক্রিটের দেয়াল দিয়ে জোর করে দমন করার পরিবর্তে প্রকৃতির জায়গা ছেড়ে দিতে শিখেছে। ‘রুম ফর দ্য রিভার’ প্রকল্পের মাধ্যমে তারা নদীকে সংকীর্ণ করে কৃত্রিমভাবে বাঁধার পুরনো ও ধ্বংসাত্মক নীতি থেকে সরে এসে নদীকে তার নিজস্ব গতিতে প্রশস্ত হওয়ার পর্যাপ্ত জায়গা করে দিয়েছে। ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকে এবং বন্যার প্রকোপ ও ভাঙনের ঝুঁকি দুটোই সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়। এ ছাড়াও ভিয়েতনামের মেকং বদ্বীপে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণে গড়ে উঠেছে চমৎকার আধুনিক অভিযোজন কৌশল।

বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ কর্তৃক সম্প্রতি প্রণীত এবং ‘পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন কাঠামো’ (২০২৬-৩১)— উভয় খণ্ডে আমাদের এই জাতীয় সংকট সমাধানের এক নিখুঁত পথনকশা ও তাত্ত্বিক ভিত্তি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথম খণ্ডে মূলত পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠন, বিকেন্দ্রীকৃত জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নের রূপরেখা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বিবৃত হয়েছে। দ্বিতীয় খণ্ডে সংযুক্ত রয়েছে সুনির্দিষ্ট কৌশলগত অ্যাকশন ম্যাট্রিকস, যা প্রতিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনে আইনি ও প্রশাসনিকভাবে বাধ্য করে।

এই প্রথমবারের মতো আমরা এমন একটি সরকারি নীতিগত দলিল পেয়েছি, যেখানে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, টেকসই ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে একটি অভিন্ন সুতোয় গাঁথা হয়েছে। এই কাঠামোর অন্তর্নিহিত দর্শনকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে আমাদের প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী মহলে কিছু সুনির্দিষ্ট, সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে লোকদেখানো ও সাময়িক জিও ব্যাগ ফেলার ক্ষতিকর সংস্কৃতি থেকে সম্পূর্ণ বের হয়ে এসে স্যাটেলাইট উপাত্ত এবং সিইজিআইএসের নিবিড় পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি, স্থায়ী ও পরিবেশবান্ধব তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, একটি সমন্বিত, সময়োপযোগী ও কার্যকর ‘জাতীয় নদীভাঙন বাস্তুচ্যুতি ও পুনর্বাসন নীতি’ প্রণয়ন করতে হবে, যার মাধ্যমে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে শুধু দায়সারা ত্রাণ নয়; বরং নতুন জমিতে স্থায়ী বাসস্থান নির্মাণ, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং সহজ শর্তে বিশেষ ঋণের ব্যবস্থা করে সমাজে মর্যাদার সঙ্গে পুনর্বাসিত করা হবে।  তৃতীয়ত, পঞ্চবার্ষিক কাঠামোর নির্দেশনার আলোকেই নদীভাঙন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার প্রতিটি পরিবারকে বিশেষ জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা জালের আওতায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।  চতুর্থত, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় আর্থিক ও কারিগরি ক্ষমতা দিয়ে শক্তিশালী করতে হবে, যাতে তারা নিজ নিজ এলাকায় আগাম সতর্কবার্তা ও দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।

 

লেখক: উন্নয়নকর্মী

 

নদীবৈশাখী ঝড়সাইরেনদীর্ঘশ্বাসমাখাতছনছকলাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    চলতি সপ্তাহেই পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন

    চলতি সপ্তাহেই পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন

    নতুন মেট্রোরেলের প্রকল্প উঠছে একনেকে, প্রশ্ন পরামর্শক নিয়োগ নিয়ে

    নতুন মেট্রোরেলের প্রকল্প উঠছে একনেকে, প্রশ্ন পরামর্শক নিয়োগ নিয়ে

    মাত্র চল্লিশে মারুফের মৃত্যু, মানতেই পারছেন না সহকর্মীরা

    মাত্র চল্লিশে মারুফের মৃত্যু, মানতেই পারছেন না সহকর্মীরা

    কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

    কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

    উত্তরায় সমাহিত হলেন নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব

    উত্তরায় সমাহিত হলেন নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব

    কাদের-নাছিম-আরাফাতদের কার কত সম্পদ?

    কাদের-নাছিম-আরাফাতদের কার কত সম্পদ?

    মহাকাশের কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের স্বীকারোক্তি যুক্তরাষ্ট্রের

    মহাকাশের কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের স্বীকারোক্তি যুক্তরাষ্ট্রের

    তিন রোগ চিকিৎসায়  ৪০৩৯ কোটি টাকা

    তিন রোগ চিকিৎসায় ৪০৩৯ কোটি টাকা

    শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে প্রি-ওপেনিং ও বাইব্যাক চালুর দাবি

    শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে প্রি-ওপেনিং ও বাইব্যাক চালুর দাবি

    জেলেনস্কিকে কেন রাশিয়ায় হামলা বন্ধ করতে বলছেন ট্রাম্প

    জেলেনস্কিকে কেন রাশিয়ায় হামলা বন্ধ করতে বলছেন ট্রাম্প

    হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব, ঘটনাটি নোয়াখালীর নয় নেপালের

    হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব, ঘটনাটি নোয়াখালীর নয় নেপালের

    মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

    মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

    দেড় মাস পর এলএনজি সরবরাহ প্রায় হাজার মিলিয়ন ঘনফুট

    দেড় মাস পর এলএনজি সরবরাহ প্রায় হাজার মিলিয়ন ঘনফুট

    ‘বাক্‌স্বাধীনতা অভূতপূর্ব’ উপদেষ্টা বলার পর টিআইবি দেখাল ৫২টি ঘটনা

    ‘বাক্‌স্বাধীনতা অভূতপূর্ব’ উপদেষ্টা বলার পর টিআইবি দেখাল ৫২টি ঘটনা

    গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ধাক্কা নিট পোশাকে, কমল রপ্তানির অর্ডার

    গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ধাক্কা নিট পোশাকে, কমল রপ্তানির অর্ডার