সু চির সাজা আরও কমছে

অং সান সু চি
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং বৃহস্পতিবার সব বন্দির সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এই সাধারণ ক্ষমার ফলে ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চির সাজা আরও কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছে তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই গৃহবন্দি সু চি। তার বিলুপ্ত ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) দলের এক জ্যেষ্ঠ সদস্য জানান, তার (সু চি) সাজা কমলেও এখনো ঠিক কত বছর তাকে বন্দি থাকতে হবে, তা স্পষ্ট নয়। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ করেননি ওই ব্যক্তি।
পাঁচ বছর আগে সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সেনাবাহিনী। বিভিন্ন অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর মতে, এসব অভিযোগ তাকে রাজনীতি থেকে সরাতে সাজানো হয়েছিল। এতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় দেশটিতে।
এর পর থেকে মিয়ানমারের নেতৃত্বে মিন অং হ্লাইং। প্রথমে সামরিক প্রধান হিসেবে। পরে এই মাসে এনএলডিকে বাদ দিয়ে সীমিত নির্বাচনের পর তিনি বেসামরিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন।
গণতন্ত্র পর্যবেক্ষকরা এই প্রক্রিয়াটি সামরিক শাসনের নতুন রূপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তারা অভ্যুত্থান-পরবর্তী কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করার পদক্ষেপকেও সরকারের ভাবমূর্তি সংস্কারের প্রচেষ্টা বলে মনে করছেন।
মিন অং হ্লাইংয়ের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি উপলক্ষে বন্দিদের ‘অবশিষ্ট সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হবে। বিবৃতিতে কোনো বন্দির নাম উল্লেখ করা হয়নি।
তবে মিয়ানমারের অস্বচ্ছ বিচার ব্যবস্থায় সু চি কতটা সাজা এরই মধ্যে ভোগ করেছেন, তা স্পষ্ট নয়। সু চিকে শুরুতে দুর্নীতি থেকে কভিড-১৯ বিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিন দশকের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩ সালে কিছু অভিযোগে ক্ষমা পাওয়ার পর সু চির সাজা কমে ২৭ বছরে দাঁড়ায়।



