‘আমার যখন ১৫ বছর বয়স তখন থেকে আমি এই কাজ করছি। আমার বাপ-ঠাকুরদাও এই কাজ করতেন। পূজা-পার্বণ ঘিরে বছরে চার মাস কাজ হয়, আর বাকি ৮ মাস বসে থাকতে হয়। সারা বছর কাজ না থাকলেও এ পেশা ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবিনি। এখন ছেলেমেয়েরা এই কাজ শিখতে চায় না। আমি চলে যাওয়ার পর এই পেশা আমার পরিবারের আর কেউ ধরে রাখতে পারবে না।'চোখে মুখে হতাশা নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বংশীপুর ঋষিপাড়ার ভাই ভাই বাদ্য ভাণ্ডারের মালিক সত্তোরোর্ধ্ব সুনীল চন্দ্র দাস। দুর্গাপূজা সামনে রেখে এখন তার দোকানে দম ফেলার ফুরসত নেই। কিন্...