ভিসা বিতর্কের মাঝেই মেক্সিকোতে পৌঁছাল ইরান

সংগৃহীত ছবি
ভিসা জটিলতা ও মার্কিন স্টেডিয়ামে প্রবেশাধিকার নিয়ে চলমান বিরোধের মাঝেই মেক্সিকোতে পৌঁছেছে ইরানের বিশ্বকাপ দল।
স্থানীয়
সময় রোববার ভোরে তিহুয়ানায় অবতরণ
করে ইরান দল। মে
মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের
অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের তুসকন শহর থেকে প্রশিক্ষণ
ঘাঁটি সরিয়ে আনার পর এখন
তিহুয়ানাই হবে দলের আবাসস্থল।
যুক্তরাষ্ট্র,
কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ
আয়োজনে আগামী ১১ জুন বিশ্বকাপের
পর্দা উঠবে। ২০২৫ সালের মার্চে
নিজেদের বাছাই গ্রুপে শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপের টিকিট
নিশ্চিত করে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র
ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর প্রায় এক বছর আগে
কোয়ালিফাই করে তারা। বিশ্বকাপের
ইতিহাসে এটিই প্রথম আসর
যেখানে কোনো আয়োজক দেশকে
তাদের সঙ্গে যুদ্ধরত একটি দেশের দলকে
স্বাগত জানাতে হচ্ছে।
গ্রুপ
পর্বে ইরানের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে। তবে খেলোয়াড়
ও স্টাফদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ম্যাচের দিন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে
প্রবেশ করে একই দিন
ফিরে আসতে হবে। এর
পাশাপাশি ইরান জানিয়েছে, দলের
১৫ জন কর্মকর্তা ও
সাপোর্ট স্টাফকে ভিসাই দেওয়া হয়নি। এক ইরানি কর্মকর্তা
ঘটনাটিকে খেলাধুলায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সবচেয়ে জঘন্য নজির বলে আখ্যায়িত
করেছেন।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সব খেলোয়াড় ও 'প্রয়োজনীয় সাপোর্ট স্টাফকে' ভিসা দেওয়া হয়েছে — লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের প্রথম ম্যাচের ১০ দিন আগে। তবে ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান, তার ডেপুটি এবং একজন মিডিয়া পরিচালকসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
মার্কিন পক্ষের যুক্তি, ইরানকে মিথ্যা অজুহাতে সন্ত্রাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকানোর সুযোগ দেওয়া হবে না। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে দলের অন্তর্ভুক্ত করতে দেওয়া হবে না। যদিও ইরানি স্কোয়াডের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এই বাহিনীতে বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা সম্পন্ন করেছেন।
তুরস্কে ইরানের দূতাবাস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলাধুলায় রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক হস্তক্ষেপের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ফিফাকে এই বিষয়ে মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।




