নিজেকে ‘সবচেয়ে সুদর্শন ফুটবলার’ দাবি রোনালদোর সতীর্থের

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপ মানেই মাঠের তুমুল উত্তেজনা আর মাঠের বাইরের হাজারো গল্প। এবার মাঠের বাইরে মজার এক মন্তব্য করে বসলেন পর্তুগিজ উইঙ্গার পেদ্রো নেতো। তিনি নিজেকে চলতি বিশ্বকাপের ‘সবচেয়ে হ্যান্ডসাম বা সুদর্শন ফুটবলার’ হিসেবে দাবি করেছেন। পাশাপাশি চেলসির এই তারকা শুনিয়েছেন পর্তুগাল ড্রেসিংরুমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর গোল করার অবিশ্বাস্য নেশা ও অদম্য মানসিকতার গল্প।
গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ে গ্রুপ ‘কে’ থেকে রানার্সআপ হয়েছে পর্তুগাল। শেষ ৩২–এ রোনালদোদের প্রতিপক্ষ লুকা মদরিচের ক্রোয়েশিয়া। ওই ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন নেতো। সেখানে দলের প্রেস অফিসার মজা করে তাকে ‘বিশ্বকাপের সবচেয়ে হ্যান্ডসাম খেলোয়াড়’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিলে তিনি কোনো আপত্তি করেননি। বরং হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি এতে বিন্দুমাত্র অবাক হইনি! এটা খুবই স্বাভাবিক। ড্রেসিংরুমে এটা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। কারণ পুরো দল সর্বসম্মতভাবে মেনে নিয়েছে যে—আমিই সবচেয়ে সুদর্শন।’ নিজের রূপের প্রশংসা সামলানোর পর পেদ্রো নেতো কথা বলেন পর্তুগালের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে। কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বিবর্ণ রোনালদো পরের ম্যাচেই জোড়া গোল করেন। রোনালদোর সেই গোল খরা ও মানসিকতা নিয়ে নেতো বলেন, ‘আমরা সবাই জানি তার গোল করার ক্ষুধা কতটা। গোল করার জন্য সে একরকম পাগল হয়ে থাকে। গোলই তার জীবন। দলের সবাই সবসময় তার পাশে থাকে এবং ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার যখন নিজের প্রিয় কাজটা (গোল) করেন, তা দেখতে আমাদের দারুণ লাগে।’
পর্তুগাল দলে রোনালদোর প্রভাব কতটা, তা নেতোর কথাতেই স্পষ্ট। তিনি জানান, কিংবদন্তি এই ফরোয়ার্ডকে গোল করানোর বাড়তি চাপটা দলের খেলোয়াড়েরা উপভোগই করেন, ‘বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে রোনালদোকে গোল করতে সাহায্য করার যে চাপ, সেটা আমাদের জন্য বাড়তি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। আমরা সত্যিই মন থেকে চাই তাকে গোল করাতে এবং তার লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করতে। কারণ, পর্তুগাল ফুটবলের জন্য উনি গত দুই দশকে যা দিয়েছেন, তার ঋণ শোধ করার দায় আমাদেরও আছে।’





