ধারাবাহিক থাকতে হবে ভিনিসিয়ুসকে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ব্রাজিল নিয়ে বলতে গেলে প্রথমে ফিরে যেতে হবে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে। মরক্কো এবারও বেশ শক্তিশালী দল। ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে আসছে এখন পর্যন্ত। তাদের মিডফিল্ডের প্রেসিংয়ের কারণে ব্রাজিল কোনোভাবে নিচ থেকে খেলা বিল্ডআপ করে বলটাকে পৌঁছে দিতে পারছিল না ফরোয়ার্ডদের কাছে। ভিনিসিয়ুস, ইগোর থিয়াগো বা রাফিনিয়ারা বলের জোগান পাচ্ছিল না ঠিকঠাক। আবার লুকাস পাকেতার ভুলে শুরুতেই গোল হজমের পর আসলে ভিনিসিয়ুসের ইনডিভিজুয়াল ব্রিলিয়ান্সেই খেলাটা ড্র করে ব্রাজিল। সেই ম্যাচে থিয়াগো, রাফিনিয়া, পাকেতাদের পারফরম্যান্স অনেকটাই ম্লান ছিল। সেই ম্যাচের পর সমর্থকরা ভীষণ হতাশ হয়েছিলেন।
পরের ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে গোল ব্যবধানও বাড়িয়ে নেওয়ার ব্যাপার ছিল। মনে হচ্ছিল ম্যাচটা কঠিন হবে, তবে সেভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি হাইতি। ম্যাচে ব্রাজিল শুরুতেই গোল পেয়ে যাওয়ার ফলে হাইতি ডিফেন্সিভ ব্লকের মানসিকতা ছেড়ে ওপরে আসায় সেই স্পেসটা সেলেসাওরা কাজে লাগায়। সেই ম্যাচেও ভিনিসিয়ুসের গোলটি ছিল অসাধারণ। আর ফিনিশার হিসেবে কুনিয়া নিজের প্রমাণ দেন।
গত রাতের ম্যাচে স্কটল্যান্ড খেলতে নেমেছিল তিন পয়েন্ট সঙ্গী করে। ব্রাজিলের পয়েন্ট ছিল চার। এই ম্যাচটা ব্রাজিলের জয়ের বিকল্প ছিল না গ্রুপসেরা হওয়ার জন্য। পাশাপাশি জয়ের ব্যবধান বাড়ানোর তাড়নাও ছিল। গ্রুপসেরা হলে ব্রাজিল এড়াতে পারবে নেদারল্যান্ডসকে— এমন একটা সমীকরণও ছিল। ব্রাজিল শুরু থেকেই চাপ প্রয়োগ করে খেলে। প্রেসিং করার কারণেই ব্রাজিল প্রথম গোলটা পায়। রায়ান একটা প্রেসিংয়ে প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে ভিনিসিয়ুসের উদ্দেশে দেন। ভিনি ফিনিশ করেন নিখুঁত। এর পরপরই তার একটি গোল বাতিল হয়। তবে রেফারির গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আমার কাছে আইনত এটিকে ফাউল মনে হয়নি। তারপরও ভিনিসিয়ুস হাল ছাড়েননি আরও একটি গোল করেন সতীর্থের চমৎকার ক্রসে হেড থেকে।




