ভারতের কারণে অনিশ্চয়তায় সাফ

সংগৃহীত ছবি
দক্ষিণ এশীয় ফুটবলে সবচেয়ে সফল ভারত। সাফের ১৪ আসরের ৯ বারই শিরোপা গেছে তাদের ঘরে। বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকেও দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় বাজার ভারত। তাই তাদের আলাদা সমাদরে বাধ্য খোদ দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)।
এই যেমন ভারতের কারণে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সেপ্টেম্বরে হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। সেপ্টেম্বরের ফিফা উইন্ডোতে ভারত অংশ নেবে ফিফা আসিয়ান কাপে। আর ভারতকে ছাড়া সাফ আয়োজনে লাভ দূরে থাক, পড়তে হবে বড় ক্ষতির মুখে। তাই সাফের ভাবনায় দুই মাস পিছিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজনের।
২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর, ১৬ দিনের বড় উইন্ডোতে সাফ চেয়েছিল বাংলাদেশে সাফ আয়োজন করতে। একই সময়ে প্রথমবারের মতো হতে যাওয়া ফিফা আসিয়ান কাপের সূচি চূড়ান্ত হয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। যেখানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দলগুলোর সঙ্গে খেলার কথা ভারতেরও।
মানেগুণে সাফের চেয়ে অনেকাংশে এগিয়ে থাকা ফিফা আসিয়ান কাপকে ভারত অগ্রাধিকারে রাখবে, এটাই বাস্তবতা। সাফ কর্তারাও জানেন, ভারতকে ছাড়া টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত হবে আত্মঘাতী। তাই তারা বিকল্প ভাবছে।
সাফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন আগামীর সময়কে সে কথাই জানিয়েছেন, ‘ভারত ঠিক করে ফিফা আসিয়ান কাপে খেলবে। তাই সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের উইন্ডোতে তাদের ছাড়া টুর্নামেন্ট আয়োজন করা সম্ভব হবে না। আমরা এখন ভাবছি নভেম্বরের উইন্ডোতে সিনিয়র আসরটি আয়োজন করার।‘
নভেম্বরে ফিফা উইন্ডো মাত্র আট দিনের। এত কম সময়ের সাফের মতো আসর আয়োজনের চ্যালেঞ্জ অনেক। সালাউদ্দিনের বিশ্বাস একাধিক ভেন্যুতে উইন্ডোর আগে-পরে দু-এক দিন যোগ করে সাফ আয়োজন করা সম্ভব।
এতদিন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সাফ আয়োজনের কথা বলে এসেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। ভারতের কারণে পেছাতে হলে সেটা আর আয়োজন করতে চাইবে কি না বাংলাদেশ, সেটাও দেখার বিষয়।




