দুঃসময়ে সিটিজেনদের পাশে আছেন গার্দিওলা

সংগৃহীত ছবি
ভুয়া আর্থিক বিবরণী ও তথ্য প্রদানে অসহযোগিতার কারণে শাস্তির মুখে ম্যানচেস্টার সিটি। ৮৩০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি গোপন তহবিল যোগানের মাধ্যমে 'ফিনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে' এর ধারা ভঙ্গের সবগুলো অপরাধে ২০০৯-১০ ও ২০১৮-১৯ মৌসুমে দোষি সাব্যস্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি, এর বাইরে অসহযোগিতার অভিযোগে একটি বাদে সব অভিযোগেই তাদের অপরাধে সম্পৃক্ত পাওয়া গেছে। যদিও ক্লাব কর্তৃপক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবী করেই চলেছে আর তাদের হাতে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল করার জন্য সময় আছে আর ১ দিন, অর্থাৎ ২ অক্টোবর পর্যন্ত। এমন সময়ে ম্যানসিটি ভক্তদের পাশে দাঁড়ালেন তাদের সফলতম কোচ পেপ গার্দিওলা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই স্প্যানিশ কোচ লিখেছেন, 'আমি বিশ্বজুড়ে প্রতিটি ম্যানচেস্টার সিটি সমর্থককে জানিয়ে দিতে চাই—আমি এখানেই আছি, আগের যেকোনো সময়ের চেয়েও দৃঢ়ভাবে। আমি সবসময় আমার ক্লাব, আমাদের মালিক, চেয়ারম্যান, ফেরান, খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, এনজো এবং আমাদের অনন্য সমর্থকদের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।আমি একটি বিষয় স্পষ্টভাবে জানিয়ে রাখতে চাই: আমরা একসঙ্গে এই কঠিন সময় পার করে উঠব। আমি আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি।' গার্দিওলার সময়ে ৬ বার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি, এর ভেতর রেকর্ড টানা চারবারের জয়ী সিটিজেনরা। এছাড়াও গার্দিওলার হাত ধরে ম্যানসিটি জিতেছে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, তিনটি এফএ কাপ ও পাঁচটি লিগ কাপ শিরোপা। ২০২৪ সালের নভেম্বরে,যখন তদন্ত চলছিল অভিযোগগুলোর তখন গার্দিওলা একবার বলেছিলেন, অবনমিত হয়ে গেলেও তিনি 'এখানে' থাকবেন!
এক দশক ম্যানচেস্টার সিটির কোচের পদ সামলেছেন গার্দিওলা, তার সময়ে খেলোয়াড় কিনতে ১.৭৫ বিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করে ম্যানচেস্টার সিটি। আয় করে মাত্র ৮০০ মিলিয়ন, নেট খরচ ছিল ৯৪০ মিলিয়ন পাউন্ড। এই সময়ে ৭০ জনের বেশি খেলোয়াড়ের পেছনে গড়ে ২৬ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি।



