ভিনিসিয়ুসের জায়গায় খেলছেন অন্য কেউ, দাবি সমর্থকদের

সংগৃহীত ছবি
রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি পরা খেলোয়াড়টি কি সত্যিই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র? প্রশ্নটি শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও ব্রাজিলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন সেটিই আলোচনার বিষয়। এমনকি বিষয়টি গড়িয়েছে ভয়ংকর এক ষড়যন্ত্র তত্ত্বে। দাবি করা হচ্ছে, রহস্যজনকভাবে ভিনিসিয়ুস উধাও হয়ে গেছেন তার জায়গায় একই রকম দেখতে একজনকে খেলানো হচ্ছে। অথচ ভিনিসিয়ুস, তার ঘনিষ্ঠজন কিংবা ক্লাব—কেউই এ বিষয়ে কিছু বলছেন না।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ব্রাজিলের বিভিন্ন অনলাইন ফোরাম ও টিকটক অ্যাকাউন্টে এই আলোচনা শুরু হয়। ভিনিসিয়ুসের শারীরিক গঠনে কিছু পরিবর্তন দেখেছেন বলে দাবি করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। ষড়যন্ত্র তত্ত্বের সমর্থকদের দাবি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের জন্য ব্রাজিল দলে যোগ দেওয়া ভিনিসিয়ুসের উরুতে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলা ভিনিসিয়ুসের মতো একই ট্যাটু নেই। তার মুখেও কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে বলে দাবি করেন তারা। এসবকেই একই ব্যক্তি না হওয়ার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছেন সমর্থকরা।
চেহারা ও ট্যাটু নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে সেই তত্ত্ব আরও অদ্ভুত রূপ নেয়। একটি পরিচিত এক্স অ্যাকাউন্ট দাবি করে যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ, রথশিল্ড পরিবার ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা ভিনিসিয়ুসকে হত্যা করে বিশ্বকাপের পর তার জায়গায় অন্য একজনকে বসিয়েছে।
এরপর কেউ কেউ ভিনিসিয়ুসের শারীরিক পরিবর্তনের সঙ্গে বিশ্বকাপ চলাকালে কথিত ‘ভিনগ্রহীদের আক্রমণ’-এর যোগসূত্রও টানেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব তত্ত্বে দাবি করা হয় ভিনগ্রহীরা ভিনিসিয়ুস ও নেইমারকে অপহরণ করেছে।
গল্পগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও ভিনিসিয়ুসের ঘনিষ্ঠজন কিংবা রিয়াল মাদ্রিদ কেউই এসব নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তারা বিষয়টিকে ভুয়া খবর ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিত্তিহীন আলোচনা হিসেবেই দেখছেন। এর মধ্যেও অবশ্য এসব ষড়যন্ত্র তত্ত্বের ভিডিও ও পোস্ট অনলাইনে লাখ লাখ ভিউ পাচ্ছে।



