ঢাকা সাফ
মালদ্বীপকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে পাকিস্তান

ছবি: আগামীর সময়
মালদ্বীপকে নিজেদের পরিবর্তনটা বোঝাল পাকিস্তান। দু'বারের শিরোপাজয়ী দলটিকে উড়িয়ে দিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে পা রেখেছে পাকিস্তান। রবিবার জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকেলের ম্যাচে পাকিস্তান জিতেছে ৩-০ ব্যবধানে। প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ৩-২ গোলে হারার পর বড় জয়ে এ গ্রুপ থেকে সবার আগে শেষ চার নিশ্চিত করেছে তারা। ১১ নভেম্বর মালদ্বীপ খেলবে ভারতের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে নিশ্চিত হবে কারা পাকিস্তানের সঙ্গী হয়ে যাবে সেমিফাইনালে।
২ ম্যাচ শেষে তিন পয়েন্ট পাকিস্তানের। ভারতেরও আছে সমান সংগ্রহ। তবে মালদ্বীপকে বড় ব্যবধানে হারানোয় গোল গড়ে অনেক এগিয়ে গেছে পাকিস্তান। দুই ম্যাচে পাঁচ গোলের বিপরীতে হজম করেছে তিন গোল। অর্থাৎ +২ গোল গড়ে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে। ভারতের গোল গড় +১। মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করলেই ৯বারের শিরোপাধারীরা হবে এ গ্রুপের সেরা। জিতলে তো কথাই নেই।
অন্যদিকে সেমিফাইনালের সমীকরণটা কঠিণ হয়ে গেছে মালদ্বীপের। শেষ চার নিশ্চিত করতে হলে ভারতকে কমপক্ষে তিন গোলের ব্যবধানে হারাতে হবে মালদ্বীপকে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে প্রথমার্ধেই পাকিস্তান ৩-০ গোলের লিড নেয়। দ্বিতীয় মিনিটে নিজেদের ডি-বক্সে মিকাইল অরুণ আব্দুল্লাহকে ফাউল করেন মালদ্বীপের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ নাঈম। পেনাল্টি থেকে গোল করে পাকিস্তানকে এগিয়ে নেন আব্দুল্লাহ। নবম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে পাকিস্তান। বক্সের এক প্রান্ত থেকে নিশানাভেদ করেন নজিব উল্লাহ। ম্যাচের ২৪ মিনিটে মালদ্বীপের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আমদান আলীর ভুলের সুযোগে ফের গোলের দেখা পান এই ফরোয়ার্ড। দূরপাল্লার কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠান।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল না পেলেও প্রাধান্য বিস্তার করেই খেলেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে মালদ্বীপের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা ভেস্তে গেছে ফিনিশারদের ব্যর্থতায়। দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল। অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড আলী ফাসির, হুসাইন সিফাউ ও নিশাম রশিদকে নামিয়েও অবশ্য লাভ হয়নি। ৫২ মিনিটে ফেদু ইব্বের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬৬ মিনিটে মোহাম্মদ নাঈমের নিচু শট ঠেকিয়ে দেন পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও অধিনায়ক ইউসুফ ইয়াজ বাট। পরের মিনিটে মালদ্বীপ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেরা গোল হয়নি। ৭১ মিনিটে পাকিস্তানের বদলি ফরোয়ার্ড শায়ক দোস্তের সামনে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ ছিল। সেটি কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।



