ব্রাজিলের হতে পারবেন বার্সার রাফিনিয়া?
- ব্রাজিলের হয়ে ৪১ ম্যাচে ১১ গোল
- বার্সার হয়ে চলতি মৌসুমে ৮ ম্যাচে ১৪ গোল

ব্রাজিলের রাফিনিয়ার এখন দুই রূপ। বার্সেলোনার জার্সিতে তিনি যেন ভিনগ্রহের ফুটবলার। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ৫৭ ম্যাচে করেছিলেন ৩৪ গোল। চোটের জন্য অনিয়মিত হলেও গত মৌসুমে ৩৩ ম্যাচে গোল ২১টি। এবার তো লিওনেল মেসির রেকর্ড ভেঙে শুরু করেছেন মৌসুমটা। লা লিগায় সাত ম্যাচে করেছেন ১২ গোল! সব মিলিয়ে আট ম্যাচে তার গোল ১৪টি। অথচ ব্রাজিলের হয়ে পুরো ক্যারিয়ারে করেছেন শুধু ১১ গোল! তাই প্রশ্ন, রাফিনিয়ার বার্সার ফর্ম কি ব্রাজিলের জার্সিতে ফেরাতে পারবেন তুখোড় টেকনিশিয়ান কার্লো আনচেলত্তি?
সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেতে পারে আজ। বিশ্বকাপ শেষে আজই প্রথমবার নতুন দল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে (বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টা) প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচের একাদশও ঘোষণা করেছেন আনচেলত্তি। সেখানে আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস, এস্তেভাও, এনদ্রিকের সঙ্গে রেখেছেন রাফিনিয়াকে।
বার্সেলোনায় রাফিনিয়া লেফট উইং, রাইট উইংয়ের পর এ মৌসুমে খেলছেন নাম্বার নাইন হিসেবে। নতুন ভূমিকায় গোলও বেড়েছে লাফিয়ে। তবে ব্রাজিল জাতীয় দলে কার্লো আনচেলত্তির চার আক্রমণভাগের ছকে সর্বশেষ তিনি খেলেছিলেন ডান উইংয়ে। ব্রাজিল-বার্সেলোনার খেলার ধরন আর রাফিনিয়ার ছন্দ নিয়ে ‘এএস’-এর সাংবাদিক এদুয়ার্দো বুর্গোস বলেছেন, ‘বার্সার আক্রমণভাগ একটি নিখুঁত যন্ত্রের মতো কাজ করে, যার মূল ইঞ্জিনটি আসে মাঝমাঠ থেকে। যেখানে রোদ্রি ও পেদ্রি মূল কাণ্ডারি আর ফেরমিন লোপেস আক্রমণভাগের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করেন। তাই সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে রাফিনিয়াকে আর বাড়তি কষ্ট করতে হচ্ছে না।’ তিনি আরও যোগ করলেন, ‘ব্রাজিল দলের মূল সমস্যা হলো বোঝাপড়ার অভাব এবং আক্রমণভাগে রাফিনিয়ার সঙ্গীদের খেলার ধরন। বার্সেলোনায় ইয়ামালের সঙ্গে তার বোঝাপড়া চমৎকার। কিন্তু বোর্নমাউথের উইঙ্গার রায়ানের খেলার ধরন ইয়ামালের চেয়ে আলাদা, কারণ তিনি ভিনিসিয়ুসের মতোই বেশি শারীরিক ফুটবলে অভ্যস্ত। তাই রাফিনিয়ার সফল হওয়া সহজ নয়।’ আনচেলত্তি সেই সমস্যা কতটা দূর করতে পারবেন সেটাই দেখার।



