এক বছরের চুক্তিতে শেফিল্ড ইউনাইটেডে হামজা

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে এক বছরের চুক্তিতে দলে নিয়েছে ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেড। লেস্টার সিটি থেকে তাকে দলে ভিড়িয়েছে চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাবটি। তার দলবদলের ফি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
২৮ বছর বয়সী হামজা গত মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধে লেস্টার থেকে ধারে শেফিল্ড ইউনাইটেডে খেলেছিলেন। সে সময় ব্লেডস দের হয়ে ১৬টি লিগ ম্যাচ খেলেন তিনি। এর মধ্যে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নশিপ প্লে-অফ ফাইনালও ছিল।
লেস্টার সিটির একাডেমি থেকে উঠে আসা হামজা ক্লাবটির হয়ে ১১ মৌসুমে মোট ১৬৬ ম্যাচ খেলেছেন। চলতি মৌসুমেও লেস্টারের হয়ে তিনটি ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।
২০১৫-১৬ মৌসুমে লেস্টার সিটির ঐতিহাসিক প্রিমিয়ার লিগজয়ী দলের সদস্য ছিলেন হামজা। এছাড়া ২০২১ সালে চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপ জয়ের সময়ও লেস্টার দলে ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ফুটবলার।
হামজাকে দলে পেয়ে সন্তুষ্ট শেফিল্ড ইউনাইটেডের কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার। ক্লাবের ওয়েবসাইটে তিনি বলেন, ‘কার্ডিফের বিপক্ষে ম্যাচের পরই আমি বলেছিলাম আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমানে এক-দুজন খেলোয়াড় চোটে থাকায় রাইট ব্যাক পজিশনে প্রতিযোগিতা বাড়ানো জরুরি ছিল। আমরা সবাই জানি, হামজা ওই ভূমিকায় খেলতে পারে পাশাপাশি আরও অনেক কিছু করতে পারে। আগের মেয়াদে এখানে তার শেষ ১০ ম্যাচে সে সম্ভবত আমাদের সেরা খেলোয়াড় ছিল।’
এর আগে ২০২২-২৩ মৌসুমে ওয়াটফোর্ডে ধারে খেলার সময়ও ক্রিস ওয়াইল্ডারের অধীনে খেলেছিলেন হামজা। পুরোনো কোচের সঙ্গে আবার কাজ করার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত তিনি, ‘ওয়াটফোর্ডে অল্প সময় এবং এরপর এখানে আগেরবার আমি কোচের সঙ্গে কাজ করেছি। আমরা সবসময় যোগাযোগ রেখেছি। তার অধীনে খেলতে আমি সত্যিই ভালোবাসি।’
লেস্টার ছাড়ার অনুভূতি নিয়ে হামজা বলেন, ‘এটি আমার জন্য বড় পরিবর্তন। আমি গত ২০ বছর ধরে লেস্টারের সঙ্গে আছি। তাই আমার ও আমার পরিবারের জন্য এটি বড় পরিবর্তন। তবে আমি এই নতুন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় আছি। আশা করি এখানে আমি একটি দারুণ মৌসুম কাটাতে পারব।’







