পক্ষপাতের অভিযোগ
কিছু না করেও লাল কার্ড দেখলেন হামজা

পোর্টসমাউথের বিপক্ষে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরেছিল শেফিল্ড ইউনাইটেড। কিন্তু ৮৯তম মিনিটে এবু অ্যাডামসের নাটকীয় গোলে ৩-২ ব্যবধানে হারের তেতো স্বাদ পেতে হয় ক্লাবটিকে। তবে জয়-পরাজয় ছাপিয়ে আলোচনায় শেফিল্ডের বাংলাদেশি মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে দেখানো বিতর্কিত লাল কার্ড। ম্যাচ শেষে রেফারি অলভার ল্যাংফোর্ডের ওপর নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন শেফিল্ড কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার।
ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে পোর্টসমাউথ এগিয়ে যায়। শেষদিকে শেফিল্ড ১০ জনের দলে পরিণত হয়। চেলসি থেকে ধারে খেলা তরুণ ফুটবলার রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইনকে ফাউল করার অপরাধে হামজাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। অথচ ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রায়ান নাটমেগের চেষ্টা করতে গিয়ে নিজেই হামজার ওপর আছড়ে পড়েছিলেন। ম্যাচ শেষে রেফারির দ্বিমুখী আচরণের তীব্র সমালোচনা করে শেফিল্ড কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার বলেন, ‘হামজা কোথায় যাবে? সে কি মিষ্টার ক্লেপোল (এক রূপকথার চরিত্র, যিনি অদৃশ্য হয়ে যেতেন) যে হুট করে অদৃশ্য হয়ে যাবে? পুরো মাঠজুড়ে এমন অসংখ্য ফাউলের ঘটনা ঘটেছে। আমি বুঝতে পারছি না ওই পরিস্থিতিতে হামজার কী করার ছিল।’
রেফারি ল্যাংফোর্ড প্রথমে হামজাকে লাল কার্ড দেবেন না বলে আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের প্ররোচনায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন বলে অভিযোগ করেন ওয়াইল্ডার। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছিল রেফারি তাকে মাঠ থেকে বের করবেন না। কিন্তু প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়েরা তাকে ঘিরে ধরলে তিনি পকেট থেকে কার্ড বের করেন। এতে আমরা সত্যিই প্রতারিত ও ক্ষুব্ধ বোধ করছি।’
ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে প্রতিপক্ষ বক্সে খেলোয়াড়ের জার্সি টেনে ধরার পরও পেনাল্টি না দেওয়ায় রেফারির দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা করেন শেফিল্ড কোচ, ‘ম্যাচের শেষ মিনিটে আমাদের এক ছেলের জার্সি টেনে প্রায় ছিঁড়েই ফেলা হয়েছিল, অথচ কোনো সিদ্ধান্ত এল না! অথচ এক সপ্তাহ আগে ওয়েস্ট হাম বনাম কিউপিআর ম্যাচে ঠিক একই রকম ঘটনায় ৯৩ মিনিটে পেনাল্টি দেওয়া হয়েছিল। আমি ফোর্থ অফিশিয়ালকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি স্বীকার করেছিলেন যে জার্সি টানা হয়েছিল। তাহলে কি জার্সি কি অল্প টানা, মাঝারি টানা নাকি জোরে টানার আলাদা কোনো নিয়ম আছে?’





