মাউরো জুনিয়র
জাতীয় দলে ডাক পেয়েই স্ত্রীকে ফোন করি

ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের সুবাদে অবশেষে ব্রাজিল জাতীয় দলে ডাক পেলেন পিএসভি আইন্দহোভেনের অধিনায়ক মাউরো জুনিয়র। ডাচ লিগ এরেডিভিসিতে অসাধারণ পারফরম্যান্স এবং চমৎকার নেতৃত্ব দিয়ে দলটিকে লিগ টেবিলের শীর্ষে তোলার পুরস্কার পেরেন হাতেনাতে। হলুদ জার্সিতে খেলার সুযোগ পেয়ে নাকি একরকম বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলার সুযোগ পাওয়ার পর এই মুহূর্তটিকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন হিসেবে দেখছেন মাউরো। স্পোর্টস চ্যানেল ইএসপিএন নেদারল্যান্ডসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ব্রাজিল জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া একটি বিশাল সম্মান বলে মনে করি। তবে আন্তর্জাতিক বিরতির আগে আমি আমার শেষ ক্লাব ম্যাচটি জিততে চাই। এরপর সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারব ব্রাজিলের জন্য।’
প্রথমবার সেলেসাওদের স্কোয়াডে ডাক পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি আরও জানান, ‘বিষয়টি আমার কাছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল। আমি নিজেই নিজের জন্য গর্বিত বোধ করেছি, তবে এর চেয়েও বেশি গর্বিত আমার দলের জন্য। তাদের সাহায্যেই আজ আমার পক্ষে এটি সম্ভব হয়েছে।’ ব্রাজিলের স্কোয়াডে নিজের ডাক পাওয়ার খবর সবার আগে কাকে জানিয়েছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মাউরো হাসিমুখে জানান, ‘খবরটা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আমি সবার আগে আমার স্ত্রীকে ফোন করেছিলাম।’
জের্ডি স্কাউটেনের মারাত্মক হাঁটুর ইনজুরির কারণে পিএসভির অধিনায়কের আর্মব্যান্ড হাতে পাওয়ার পর থেকেই মাঠের পারফরম্যান্সে অনন্য নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন মাউরো জুনিয়র। চলতি মৌসুমে লিগের প্রথম ছয় ম্যাচের সবকটিতেই শুরুর একাদশে থেকে একটি গোল এবং একটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। স্পার্টার বিপক্ষে ৪-১ গোলের বড় জয়ের পর তার জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার খবরটি আসে।
রক্ষণভাগের পাশাপাশি মিডফিল্ডেও সমান পারদর্শী এই তারকা স্বীকার করেছেন যে, ব্রাজিলের মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড়ভরা স্কোয়াডে জায়গা পাওয়া মোটেও সহজ নয়। তার ওপর ব্রাজিলের কোচ এখন কার্লো আনচেলত্তি। ইতালিয়ান এই মাস্টারমাইন্ডের অধীনে সামনের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোতে সেলেসাওদের জার্সিতে নিজের ট্যাকটিক্যাল নমনীয়তা ও সামর্থ্য প্রমাণ করতে মুখিয়ে আছেন এই উদীয়মান তারকা।





