এবার জ্বরে আক্রান্ত বাবর আজম, পদত্যাগের দাবি

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর চেয়ে পাকিস্তান দলের আভ্যন্তরীণ সমস্যাই প্রকট হয়ে উঠেছে। দলের ভেতরে চলা চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেই এবার জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন পাকিস্তান দলের টেস্ট অধিনায়ক বাবর আজম। এর আগে পিসিবির ব্যাপক বরখাস্ত ও রদবদলের ঘটনায় এমনিতেই টালমাটাল অবস্থা বিরাজ করছে দলটিতে। বাবরকে পদত্যাগের আহবানও জানাচ্ছেন দেশটির সাবেকরা।
জিও নিউজকে পাকিস্তান দলের ম্যানেজার নাভিদ আকরাম চিমা জানিয়েছেন, বাবর জ্বর আক্রান্ত হলেও বড় কোনো শঙ্কা নেই। তিনি দ্রুতই সেরে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানের বড় ব্যবধানে হারে পাকিস্তান, যেখানে ব্যাট হাতে মাত্র ৮ ও ৬ রান করেছিলেন বাবর। এর আগে প্রথম টেস্টে পাকিস্তান হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে। ইনজুরির কারণে বাবর সেই ম্যাচ খেলেননি। এদিকে পিসিবির ব্যাপক রদবদলের পর বাবর আজমকে ‘পুতুল অধিনায়ক’ বা ডামি ক্যাপ্টেন আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক উইকেটকিপার-ব্যাটার রশিদ লতিফ। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া বক্তব্যে রশিদ লতিফ বলেন, বোর্ড যখন ইংল্যান্ড থেকে দল অর্ধেক করে ফেলল এবং সাতজন খেলোয়াড়কে দেশে ফিরিয়ে দিল, তখনই বাবরের পদত্যাগ করা উচিত ছিল।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বাবরের এখনই পদত্যাগ করা উচিত ছিল। আপনার কোচ, মেন্টর এবং চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ী অধিনায়ককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে! যেখানে আপনার কোচকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আর আপনি চুপচাপ বসে আছেন! এটিই প্রমাণ করে যে পিসিবির সবসময় একজন পুতুল অধিনায়কই প্রয়োজন।’ উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুটি টেস্টে শোচনীয় পরাজয়ের পর নড়েচড়ে বসে পিসিবি। সালমান আলি আগা, ইমাম-উল-হক এবং মোহাম্মদ রিজওয়ানসহ মোট সাতজন খেলোয়াড়কে দল থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে তাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে মাইক হেসন ও অ্যাশলে নোফকেকে। পাশাপাশি স্কোয়াডে পাঁচজন আনক্যাপডসহ সাতজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আগামী ৯ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামবে পাকিস্তান। ব্যাক টু ব্যাক জয়ে চাঙ্গা থাকা ইংল্যান্ড দল এখন সিরিজ হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। এর বিপরীতে বাবর আজমের ফিটনেস ও দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল সামাল দেওয়াই এখন পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।









