ইনজুরি নাটক
দুই বছর নিষিদ্ধ হতে পারেন ইমাম

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টে ইনজুরিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া তীব্র বিতর্কের জেরে বড় বিপদের মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের ওপেনার ইমাম-উল-হক। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানাচ্ছে, এই ঘটনায় দোষী প্রমাণিত হলে পাকিস্তানের এই ওপেনার দীর্ঘ দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে পারেন। একইসঙ্গে উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের শৃঙ্খলা ও আচরণ নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
গত ২৭ আগস্ট লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনে ফিল্ডিং করার সময় বাঁ পায়ের পেশিতে চোট পান ইমাম। বোর্ডের পক্ষ থেকে তার কাফ মাসলে চোট পাওয়ার কথা জানানো হলেও তিনি ম্যাচের কোনো ইনিংসেই ব্যাটিংয়ে নামেননি। তবে চতুর্থ দিনে খেলার শুরুতে তাকে সাবলীলভাবে শট খেলতে দেখার পরেই মূলত ইনজুরি নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও সন্দেহ দানা বাঁধে। সাবেক ক্রিকেটারদের একাংশের অভিযোগ—ইমাম ইচ্ছা করেই ইনজুরির নাটক সাজিয়েছিলেন। ১৯৪ রানের বড় ব্যবধানে সেই ম্যাচ হেরে পাকিস্তান দল ০-২ ব্যবধানে সিরিজও হাতছাড়া করে।
জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই পুরো ঘটনা তদন্তের জন্য পিসিবি একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করছে। অতীতেও ইনজুরি নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কারণে এবার ইমামের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বোর্ড। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। এছাড়া অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানও বিপদে আছেন। দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রিজওয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। তাছাড়া নিকট ভবিষ্যতে জাতীয় দলের তার ফেরার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুটি টেস্টে শোচনীয় হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেটে চরম তোলপাড় শুরু চলছে। দল থেকে রিজওয়ান ও ইমামসহ মোট সাতজন খেলোয়াড়কে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদকে সরিয়ে সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দেওয়া হয়েছে টেস্ট দলের দায়িত্ব। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামে সিরিজের শেষ টেস্টে মাঠে নামবে দুই দল।






