‘কিপিং করলে ব্যাটিংও ভালো হয়’

৭টি ক্যাচ, ১টি স্টাম্পিং— প্রথম ইনিংসে হাফসেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি। আবুধাবি টেস্টে লিটন কুমার দাসের প্রাপ্তির ঝুলিটা কানায় কানায় পূর্ণ। অস্ট্রেলিয়া সফরের ‘শূন্যতা’কে পেছনে ফেলে পূর্ণতার আনন্দ লিটনের, হাতছানি দিচ্ছে বিশ্বরেকর্ডও। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে লিটন জানালেন, উইকেটের পেছনে থেকে বল দেখার অভিজ্ঞতা কতটা সাহায্য করে ব্যাটিং করার সময়ে।
চতুর্থ দিনে বলতে গেলে গোটা দিনই আবুধাবির রোদে পুড়েছেন লিটন। প্রথমে ব্যাটিং, এরপর ৫০ ওভার উইকেটকিপিং। দুইয়ের মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে লিটনের উত্তর, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই সাহায্য করে। কারণ উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে আমি অনেক কিছু বুঝতে পারি, উইকেট সম্বন্ধে একটা ধারণা চলে আসে। সেটা আমার ব্যাটিংয়ে অনেকটা সহায়তা করে।’
সাদা বলের দুই সংস্করণেই লিটন অধিনায়ক। তবে সাফল্য তুলনামূলকভাবে টেস্ট ক্রিকেটেই পেয়েছেন বেশি। কোন সংস্করণকে এগিয়ে রাখবেন এমন প্রশ্নে লিটনের জবাব, ‘তিনটি ফরম্যাটই আমার ভালো লাগে, তবে টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদাটা একটু ওপরে। কারণ এ ম্যাচটিতে অনেক কিছু হয়। প্রথম দিন থেকে পঞ্চম দিন পর্যন্ত অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে এবং উপভোগ করার মতো অনেক পরিস্থিতি থাকে। তাই আমি টেস্ট ক্রিকেটই পছন্দ করি।’
শেষ দিনে বাংলাদেশই সুবিধাজনক অবস্থানে, তবে চার দিনেও বাংলাদেশের স্পিনারদের শীতঘুমে চলে যাওয়াটা খানিকটা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
লিটন অবশ্য এ নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তায় নেই, ‘উইকেট খুব একটা স্পিনবান্ধব নয়, তবে পঞ্চম দিনে গেলে অনেক সময় বোলারদের পায়ের ছাপের দাগ থেকে অনেক বল বাঁক নেওয়া শুরু করে। আমি আশা করছি যে আমাদের স্পিনাররা ভালো জায়গায়, অলরেডি ভালো জায়গায় করছে, আরও ভালো জায়গায় বল করে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখবে এবং উইকেট থেকে যদি একটু সহায়তা পায়, তাহলে তাদের জন্য কাজটা সহজ হবে।’



