ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব নিয়ে সোসাইটি-পৃষ্ঠপোষকদের দ্বৈরথ

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর অভিজাত এলাকা ধানমন্ডি। এখানকার মাঠেই ক্রিকেট একাডেমি সহ শরীরচর্চার নানান ব্যবস্থা। একটা সময় শেখ জামাল ধানমন্ডি নামে ক্রিকেট ও ফুটবলে অংশ নেয়া দলটি আওয়ামী লিগ সরকারের পতনের পর পরিচিতি পেয়েছে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব নামে। সেই ক্লাবের দখল নিয়েই এতদিন ধরে দল চালিয়ে আসা পৃষ্ঠপোষকদের সঙ্গে ধানমন্ডির বাসিন্দাদের সংগঠন ধানমন্ডি সোসাইটির দ্বৈরথ শুরু হয়েছে। এতে করে আশঙ্কায় ক্রিকেটাররা, যারা গত দুই মৌসুমের পাওনা এখনো পাননি।
শনিবার সংবাদ সম্মেলনে ধানমন্ডি ক্লাবে খেলা ক্রিকেটারদের প্রতিনিধি হয়ে জিয়াউর রহমান ও ফজলে রাব্বি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তাদের আশঙ্কার কথা। নতুন কোন পক্ষ দায়িত্ব নিলে পুরানো বকেয়া তো আদায় হবেই না, বরং আগামীতে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব হারিয়ে যাবে ক্রীড়াঙ্গণ থেকে, এমনটাই বলেছেন জিয়া। ফুটবল থেকে তারা এরই মধ্যে হারিয়ে গেছে, ক্রিকেট থেকেও কাকরাইল বয়েজ, শান্তিনগর ক্লাব এর মত বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাবে বলে মনে করেন জিয়া, ‘একাডেমি চালানো এক ব্যপার আর ক্লাব চালানো আরেক ব্যপার। ক্লাব থেকে তো কেউ টাকা আয় করে না, চ্যাম্পিয়ন দল করতে গেলে খরচ করতে হয়। একাডেমির টাকা দিয়ে প্রিমিয়ার লিগের দল করা যাবে না। এরকম হলে তো এই ক্লাব হারিয়ে যাবে’, আগামীর সময়কে জানিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। দুই মৌসুমের পাওনা এখনো বকেয়া তার, আশঙ্কা ক্লাবের পরিচালনার দায়িত্ব অন্য পক্ষের হাতে চলে গেলে সেই সব আদায় করতেও সৃষ্টি হবে জটিলতা।
তবে ক্লাবটির পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিসিবি পরিচালক শানিয়ান তানিম আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, বিষয়টির সুরাহা হচ্ছে, ‘ধানমন্ডি সোসাইটির সঙ্গে একটু ঝামেলা হচ্ছিল তবে এখন সব কিছু মিট্মাট হচ্ছে। আসলে একাডেমি চালানো আর ক্লাব চালানো তো আলাদা। এখান থেকে তো আর আমরা টাকা নেই না, উলটো আমরা টাকা দেই। সমস্যাগুলোর সমাধান হয়ে যাবে দ্রুতই।’




