পূর্বাচলে ১৫০ কোটির ক্রিকেট সেন্টার বিসিবির

ভারতের বেঙ্গালুরুর এই ক্রিকেট সেন্টারের আদলে পূর্বাচলে হবে বিসিবির ক্রিকেট সেন্টার। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ক্রিকেটের অবকাঠামোকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে পূর্বাচলে আধুনিক 'এক্সিলেন্স সেন্টার' নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পকে বিসিবির সেরা উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রকল্পটির অগ্রগতি ও সরকারি সহযোগিতা নিশ্চিত করতে শিগগিরই সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে পূর্বাচলে প্রস্তাবিত এক্সিলেন্স সেন্টার এবং ভবিষ্যৎ জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম প্রকল্পের সার্বিক পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি সহযোগিতা ও অর্থায়নের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।
সম্প্রতি ভারতের বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) অত্যাধুনিক এক্সিলেন্স সেন্টার পরিদর্শন করেছেন তামিম। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক মানের একটি ক্রিকেট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার চেষ্টা তার। জানা গেছে, তামিম নিজেই প্রকল্পটির পরিকল্পনা ও নকশা তৈরির কাজে সরাসরি যুক্ত থাকবেন।
প্রস্তাবিত এক্সিলেন্স সেন্টারে আন্তর্জাতিক মানের একটি আউটার স্টেডিয়াম, অত্যাধুনিক ইনডোর ট্রেনিং সুবিধা, হাই-পারফরম্যান্স জিমনেসিয়াম, উন্নত মেডিকেল ও রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার এবং বিসিবির প্রশাসনিক কার্যালয় থাকবে। জাতীয় দলের পাশাপাশি উদীয়মান ক্রিকেটারদের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের লক্ষ্যেই এসব সুবিধা রাখা হচ্ছে।
বিসিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরই প্রকল্পের কাজ শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে কেন্দ্রটি চালু করতে চায় বোর্ড। এ কারণে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি সংস্কারের প্রস্তাবিত ৬০ কোটি টাকার প্রকল্প আপাতত স্থগিত রেখে পূর্বাচলের এক্সিলেন্স সেন্টারকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
বিসিবির বিশ্বাস, আধুনিক এই এক্সিলেন্স সেন্টার চালু হলে জাতীয় দলের প্রস্তুতি আরও উন্নত হবে। একই সঙ্গে বয়সভিত্তিক ও হাই-পারফরম্যান্স ক্রিকেটারদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ক্রিকেট অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম মাইলফলক হতে পারে এই প্রকল্প।




