বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ আয়োজনে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ক্রিকেট সিরিজ নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তা ও জটিলতা খুব দ্রুত কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। রাজনৈতিক নানা টানাপোড়েনের মাঝেও খেলাধুলাকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যম হিসেবে দেখছে বর্তমান সরকার। এই সিরিজটি আয়োজনে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রিকেট বিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ‘ক্রিকবাজ’।
সম্প্রতি দিল্লির মাটিতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের কিছু নেতার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ফলে সেপ্টেম্বরে আসন্ন ক্রিকেট সিরিজটি নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। তবে এই বিষয়টিকে বড় করে দেখতে নারাজ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। ক্রিকবাজকে তিনি বলেন, ‘না, না, না... আমি মনে করি না যে ওই সংবাদ সম্মেলনের কারণে আমাদের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে। আমার মতে, খেলাধুলা মানেই খেলাধুলা। খেলাধুলার মাধ্যমেই প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়।’ ক্রিকেট সিরিজ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জট খুলতে ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি, ‘এটি নিয়ে মন্ত্রীপর্যায়ে কাজ চলছে। আমি আজকেই (সোমবার) পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। তারা ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথেও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা চাই গত বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই অচলাবস্থার দ্রুত অবসান ঘটুক। ইনশাআল্লাহ, আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যে খুব শীঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হবে।’
এর আগে সোমবার সকালে ভারতের হাই কমিশনার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেন, যা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং ক্রিকেট সিরিজ টিকিয়ে রাখার ওপর জোর দিয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ক্রিকেট সিরিজ অব্যাহত থাকা উচিত। আমরা আশা করছি খুব দ্রুতই এই বিষয়ের একটি সুরাহা হবে। ভারতীয় হাই কমিশনার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। আমিও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। গত বিশ্বকাপের সময় থেকে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল, তা দ্রুত নিরসন হবে বলে তারা অত্যন্ত আশাবাদী।’





