সেঞ্চুরি মিস
বউয়ের বকার কথা ভেবে মুমিনুলের আক্ষেপ

ছবি: আগামীর সময়
সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৯ রান দূরে দাঁড়িয়ে তিনি। তিন অঙ্ক ছোঁয়ার এত কাছে এসেও পারলেন না মুমিনুল হক। নোমান আলির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন ৯১ রান করা এই বাংলাদেশি ব্যাটার। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে এই বাঁ-হাতি ব্যাটার বলছেন, সেঞ্চুরি মিস নিয়ে তেমন আক্ষেপ না করলেও আজ স্ত্রীর কথা ভেবে কিছুটা আক্ষেপ হচ্ছে তার।
পরপর তিন ইনিংসে সেঞ্চুরির কাছে গিয়েও হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে মুমিনুলকে। সেঞ্চুরি মিস করলেও খুব একটা আক্ষেপ হয় না বলেই জানালেন তিনি, ‘না, আক্ষেপ হয় না। তবে আজকে সামান্য আক্ষেপ হয়েছিল, কারণ হয়তো বাসায় ফেরার পর বউ বকা দিতে পারে। তবে সত্যি বলতে, আমার কাছে ১০০ করার চেয়ে প্রতিদিন দলের জন্য রান করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।‘
মুমিনুল কি নিজের প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারছেন না? এর সঙ্গে অবশ্য একমত নন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার, ‘না, আমার মনে হয় না যে আমি মন্থর হয়ে গিয়েছিলাম। আমি দেখছিলাম যে সেই সময় রানের জন্য অতিরিক্ত তাড়াহুড়া করার প্রয়োজন ছিল না। টার্গেট ছিল আরও এক ঘণ্টা খেলা, এবং সাধারণ ক্রিকেট খেললে সেটি সম্ভব ছিল। বোলার ভালো বল করছিল এবং আমি স্বাভাবিকভাবেই খেলছিলাম, তবে একটি বল কিছুটা নিচু হয়ে যাওয়ায় আউট হয়ে যাই।‘
নিজে সেঞ্চুরি না পেলেও অন্য প্রান্তে শান্ত তুলে নিয়েছেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। সতীর্থের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মুমিনুল, ‘নতুন বলে এই উইকেটে চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি ছিল। বল দুই দিকেই মুভ করছিল এবং সুইং হচ্ছিল। আমাদের ওপেনাররা ভালো বলে আউট হয়েছে। তবে শান্ত যখন এসে পাল্টা আক্রমণ শুরু করল, তখন বোলাররা পিছিয়ে পড়ে । শান্তর ইনিংসটি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আমার চোখে দেখা শান্তর এই ইনিংসটি তার জীবনের অন্যতম সেরা ইনিংস।‘
এই উইকেটে খেলে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে খেলা কতটা সহজ হবে? মুমিনুল জানান, ‘অস্ট্রেলিয়ার উইকেট সম্পর্কে আগে থেকে বলা কঠিন। তবে এই উইকেটটি বোলার এবং ব্যাটসম্যান উভয়ের জন্যই সহায়ক ছিল। নতুন বলে চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেট হয়ে গেলে এখানে রান করা সম্ভব।‘




