ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাই সচেতনতা

সংগৃহীত ছবি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কীটনাশক ব্যবহার এবং সচেতনতামূলক প্রচার জনগণকেই জোরদার করতে হবে।
ডেঙ্গুর লক্ষণ সম্পর্কে সবার পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। নিজে নিজে ওষুধ সেবন বা অবহেলা করলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করলে অধিকাংশ রোগীই সুস্থ হয়ে ওঠেন। ব্যক্তিগত সুরক্ষার দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দিনে মশারি ব্যবহার, ফুলহাতা পোশাক পরা, জানালায় নেট লাগানো এবং মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করলে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাড়ির ভেতর ও বাইরে জমে থাকা পানি সম্পূর্ণ ফেলে দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এডিস মশা জন্মানোর সুযোগই না দেওয়া।
ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সফল লড়াই সম্ভব তখনই, যখন সরকার, স্থানীয় প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষ একসঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। কেবল কর্তৃপক্ষের ওপর দায় চাপিয়ে দিলে এই সমস্যার সমাধান হবে না। প্রতিটি পরিবার-প্রতিষ্ঠান এবং প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশই পারে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করতে এবং অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষা করতে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আজকের সামান্য সতর্কতা আগামী দিনের বড় বিপর্যয় থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে। সম্মিলিত সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমেই গড়ে উঠবে একটি ডেঙ্গুমুক্ত, সুস্থ ও নিরাপদ বাংলাদেশ।
লেখক: ব্যবসায়ী, চট্টগ্রাম




