দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে যা বলছেন আসিফ মাহমুদ

সংগৃহীত ছবি
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বাণিজ্য, পদোন্নতিতে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এজন্য চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে বলে আজ বুধবার আগামীর সময়কে নিশ্চিত করেছে দুদক সূত্র।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পাশাপাশি এই মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মো. জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মাসুদ আহমেদকে নিয়েও অনুসন্ধান করবে দুদকের এই অনুসন্ধান দল।
এদিকে, সংবাদ প্রকাশের পর অভিযোগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। বুধবার বিকালে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘১৮৮ জন উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা করে ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার দুর্নীতি করেছেন একজন উপদেষ্টা, একজন সচিব, একজন যুগ্মসচিব এবং একজন উপসচিবসহ আরও অনেকে মিলে। দুদক বলছে প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রমাণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করুন প্লিজ।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টা ছিলেন। শুরুতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ মাহমুদ, পরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পান তিনি।
সংসদ নির্বাচনের আগে ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর উপদেষ্টার দায়িত্ব ছাড়েন আসিফ। রাজনীতিতে নেমে এখন তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন।
এর পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আসিফ। তার মধ্যেই তাকে নিয়ে অনুসন্ধানে নামল দুদক।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, আসিফ মাহমুদ তার মন্ত্রণালয়ে বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ, পদোন্নতিতে ‘চরম দুর্নীতি’ করেছেন। আসিফসহ অভিযোগের মুখে থাকা চারজন উপজেলা যুব কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়ন আদেশ করিয়ে ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ ছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য দেড় কোটি টাকা এবং পদায়নের জন্য ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।








