দুদকের জালে আসিফ মাহমুদ

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি: আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পেজ
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বাণিজ্য, পদোন্নতিতে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এজন্য চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে বলে দুদক সূত্র আজ বুধবার আগামীর সময়কে নিশ্চিত করেছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পাশাপাশি এই মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মো. জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মাসুদ আহমেদকে নিয়েও অনুসন্ধান করবে দুদকের এই অনুসন্ধান দল।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টা ছিলেন।
শুরুতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ মাহমুদ, পরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও সামলান তিনি।
সংসদ নির্বাচনের আগে ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর উপদেষ্টার দায়িত্ব ছাড়েন আসিফ মাহমুদ। রাজনীতিতে নেমে এখন তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন।
আসিফ এখন ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার মধ্যেই তাকে নিয়ে দুদক অনুসন্ধানে নামল।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, আসিফ মাহমুদ তার মন্ত্রণালয়ে বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ, পদোন্নতিতে ‘চরম দুর্নীতি’ করেছেন বলে মনে করছে দুদক।
আসিফসহ অভিযোগের মুখে থাকা চারজন উপজেলা যুব কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়ন আদেশ করিয়ে ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে দুদকে অভিযোগ এসেছে।
এ ছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য দেড় কোটি টাকা এবং পদায়নের জন্য ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও এসেছে দুদকে।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, আসিফ মাহমুদসহ অন্যরা একটি সিন্ডিকেট গড়ে যুব উন্নয়নের সব ধরনের কাজে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করে বিলাসবহুল জীবন কাটিয়েছেন।
দুর্নীতির এই অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।







