গয়েশ্বর
রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার হলে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়

শুক্রবার বিকালে ঢাকেশ্বরী মন্দির মেলাঙ্গনে বিজয়া সম্মিলনে বক্তব্য দেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
ধর্ম মানুষের জীবনব্যবস্থা পরিচালনায় সহায়তা করে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
তিনি বলেছেন, ‘প্রত্যেক মানুষ নিজ নিজ বিশ্বাস ও আদর্শ অনুযায়ী ধর্ম পালন করেন। তবে ধর্মীয় পরিচয়ের আগে আমাদের সবার পরিচয় আমরা মানুষ। রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার হলে কখনোই একটি বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’
আজ শুক্রবার বিকালে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন, এ দেশের স্বাধীনতা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের জন্য অর্জিত হয়নি। সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং সমাজতান্ত্রিক আদর্শের মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করাই ছিল স্বাধীনতার অন্যতম লক্ষ্য।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. দেবাশীষ পাল, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার বড়ুয়া, ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সহকারী সম্পাদক স্বামী হরিদাসানন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফাদার ড. তপন ক্যামিলাস ডি রোজারিও। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস সাধন।



