জামায়াত আমির
ইউনূসকে হেনস্তার দায় হাসিনার

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের জেএফকে বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস—ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া
যুক্তরাষ্ট্রের জেএফকে বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার হয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এ ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দায়ী করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, ‘পরাজিত ও পলাতক শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করে অনুসারীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দিচ্ছেন। তার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা ড. ইউনূসের সঙ্গে অপকর্ম করেছে। এর দায় ফ্যাসিস্ট হাসিনারই।’
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেছেন তিনি।
এ ব্যাপারে সরকারকে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তার ভাষ্য, ‘দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েও তারা (আওয়ামী লীগ) সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ অব্যাহত রেখে বিশ্ববাসীকে নিজেদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানিয়ে দিচ্ছে।’
গতকাল সোমবার নিউ ইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার হন ড. ইউনূস। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান তার ফেসবুকে নেতাকর্মীদের সাহসী ভূমিকার প্রসংশা করেন।
সোশাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, মহানগর (নিউ ইয়র্ক) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল, তানভীর ও মিজানুর রহমান চৌধুরী যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে তার জন্য আমরা গর্বিত।
সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে শোনা যায়, ড. ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্র সফরের কারণ জানতে চাইছেন ইমদাদ চৌধুরী। এ সময় ইউনূসের উদ্দেশে তিনি, ‘আপনি সন্ত্রাসী, আপনি বাংলাদেশে মানুষ হত্যা করেছেন। কেন এখানে এসেছেন? আমাদের বলুন, কেন এসেছেন?’
ভিডিওতে তিনি ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগ তুলেন। দেখা গেছে, মুহম্মদ ইউনূস টার্মিনালে অবস্থানের আগে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজান চৌধুরী, নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল, জ্যাকসন হাইটস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর কায়সার এবং আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছিলেন।




