গয়নার গ্রাম
আশিকুর রহমান

সাভারের ভাকুর্তা পরিচিত ‘গয়না গ্রাম’ নামে। বংশপরম্পরায় গয়নাশিল্পকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে এখানকার বহু পরিবার। ছোট ছোট কর্মশালায় দক্ষ কারিগররা সূক্ষ্ম নকশা, সোল্ডারিং, পাথর বসানো, পালিশ ও সংযোজনের মতো ধাপ পেরিয়ে প্রতিদিন তৈরি করছেন নেকলেস, কানের দুল, বালা ও অন্যান্য অলংকার। উৎসবের মৌসুমে ভাকুর্তার গয়নার চাহিদা বেড়ে যায়।
কারিগররা অধিকাংশ সময় নিজেদের সৃজনশীলতা থেকে নতুন নকশা তৈরি করেন; আবার জনপ্রিয় নকশার আদলও অনুসরণ করেন। এখানকার তৈরি গয়না দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকারদের হাত ধরে পৌঁছে যায় রাজধানীর নামিদামি শপিং কমপ্লেক্সসহ সারা দেশের বাজারে। ছবিগুলো গত সোমবার তোলা।
১

কারিগর হাতে তৈরি কমদামি নেকলেস প্রদর্শন করছেন।
২

এক কারিগর হাতে তৈরি অলংকারে সূক্ষ্ম নকশা ও পাথর বসানোর কাজ করছেন।
৩

শোরুমে প্রদর্শিত গয়নার পাশেই কর্মশালায় কমদামি অলংকার তৈরির কাজে ব্যস্ত কারিগররা।
৪

কারিগররা ব্লোটর্চের আগুন ব্যবহার করে অলংকারের অংশ জোড়া লাগানোর কাজ করছেন।
৫

হাতে তৈরি অলংকারে সূক্ষ্ম নকশা ও পাথর বসানোর কাজে ব্যস্ত এক কারিগর।
৬

ব্লোটর্চের আগুন ব্যবহার করে অলংকারের অংশ জোড়া লাগানোর কাজ করছেন এক কারিগর।
৭

লোহার একটি যন্ত্র দিয়ে সূক্ষ্ম নকশা তৈরি করতে দেখা যাচ্ছে।
৮








