Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনা পয়সায় চুল কাটেন আবেদ আলী
শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সাক্ষাৎকার

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত

‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর কাঙ্ক্ষিত সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এখনো ঘটেনি’

আশরাফুল হক রাজীব
আশরাফুল হক রাজীব
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২
‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর কাঙ্ক্ষিত সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এখনো ঘটেনি’

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। ছবি : আগামীর সময়

একসময়ের তুখোড় তার্কিক এম এ মুহিত এখন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। বিতর্কচর্চা, জনস্বাস্থ্য, পেশাগত জীবন ও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক গতিপথ নিয়ে ‘আগামীর সময়’-এর মুখোমুখি হয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলেছেন আগামীর সময়ের উপসম্পাদক আশরাফুল হক রাজীব।

আগামীর সময়: বিতর্ক করতেন। জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আপনাদের দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কে আপনাদের দলনেতা ছিলেন আর আপনারা কারা ছিলেন।
এম এ মুহিত: দলনেতা ছিলাম আমিই। শামসুল কবির বাবু ছিলেন দ্বিতীয় বক্তা। আর প্রথম বক্তা দিলশাদ হোসেন।

প্রশ্ন: এটা কোন সময়ে ছিল?
মুহিত: দলটা ছিল ১৯৯২-৯৩ সালের দিকে। ওই সময়ের ঢাকা মেডিকেল কলেজের টিম। শামসুল কবির বাবু হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজের হেপাটোলজির প্রফেসর। ইংল্যান্ডে ডাক্তারি করছেন দিলশাদ হোসেন।

প্রশ্ন: টিমে আব্দুন নুর তুষার বা ইশতিয়াক মান্নান ছিলেন কি?
মুহিত: না। ওনারা আমাদের আগের টিমে ছিলেন। যারা সেমিফাইনালে হেরে যান।

প্রশ্ন: আপনাদের প্রতিপক্ষ কে ছিল ফাইনালে?
মুহিত: অনেক দিন আগের ঘটনা তো, সম্ভবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হল। অথবা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ। দুইটার একটা। এক দলের সঙ্গে সেমিফাইনাল আর এক দলের সঙ্গে ফাইনাল করেছিলাম।

প্রশ্ন: বিতর্কে সাধারণত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হল, শহীদুল্লাহ হলই ভালো করত। আপনাদের সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজটা কীভাবে এত ভালো করল।
মুহিত: ওটা কয়েকটা ঘটনাচক্রে। আমরা আগে থেকেই বিতর্ক করতাম। মেডিকেলে আসার আগেই। আমি ঢাকা কলেজ টিমেরও ক্যাপ্টেন ছিলাম। তার আগে রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল টিমেরও আমিই ক্যাপ্টেন। একই স্কুল থেকে আব্দুন নূর তুষারও এসেছেন। আমরা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রেও দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। কাজেই আমাদের প্রশিক্ষণটা আগেই হয়ে গেছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে আমাদের চর্চাটা হয়েছে। আর ওই সময়টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে পৌঁছে গেছি আমরা। ইশতিয়াক মান্নান ক্যাডেট কলেজের ছিলেন। উনিও ট্রেইন্ড হয়েই এসেছিলেন। সবাই আসলে প্রক্রিয়ার মধ্যেই ছিলেন। অার মেডিকেল কলেজগুলোতে ভালো বিতর্কের চর্চা হতো। ঢাকা ইউনিভার্সিটির হলগুলোতে তো হতোই, কিন্তু মেডিকেল কলেজ, বুয়েটের টিমগুলোও শক্তিশালী ছিল। ওই সময় একটা বিতর্কের চর্চা এবং গুণগত মান ছিল। ছিল ভালো পরিবেশ। ওটা ওই নব্বইয়ের আন্দোলনের পরের সময়টা। নব্বইয়ের আন্দোলনের পরে একটা বিরাট সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ হয়েছিল। কবিতা আবৃত্তির সংগঠনগুলো গড়ে উঠছে, পথনাটকের বিস্তৃত চর্চা ছিল, থিয়েটার তো ছিলই আগে থেকে। বিতর্ক একটা মোটামুটি মুভমেন্টের মতো দাঁড়িয়ে যায়, নানান ফরম্যাটে। বিতর্কে দুটি অর্গানাইজেশন ছিল— ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন আরেকটি বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশন।

প্রশ্ন: ব্যান্ড সংগীতের উত্থানও ওই সময়ে?
মুহিত: হ্যাঁ, ব্যান্ড সংগীতের প্রসারও তখনই। কবিতা উৎসব হতো নিয়মিত। এ চর্চাগুলো বেশ এগোচ্ছিল। ওটা একটা ভালো সময় ছিল।

প্রশ্ন: ১৯৯০ সালের পর একই ধরনের পরিবর্তন এসেছে ৩৪ বছর পর। ২০২৪ অভ্যুত্থানের পর সেই ধরনের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ হলো না কেন?
মুহিত: আমিও আশা করেছিলাম চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পরও হয়তো সেটা হবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত সেই লক্ষণটা নেই। সাধারণত এ ধরনের অভ্যুত্থানের পর একটা নতুন সাংস্কৃতিক জাগরণ হয়, যার আবহটা অভ্যুত্থানের আগে থেকেই তৈরি হতে থাকে এবং ওই শক্তিগুলোই আসলে অভ্যুত্থানের শক্তিতে পরিণত হয় এবং অভ্যুত্থানের পর একেকটা স্ট্রাকচারড বিকাশ হয়, যেটা এবার ঘটতে দেখছি না এখনো।

আমরা আগে থেকেই বিতর্ক করতাম। মেডিকেলে আসার আগেই। আমি ঢাকা কলেজ টিমেরও ক্যাপ্টেন ছিলাম। তার আগে রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল টিমেরও আমিই ক্যাপ্টেন। একই স্কুল থেকে আব্দুন নূর তুষারও এসেছেন। কাজেই আমাদের প্রশিক্ষণটা আগেই হয়ে গেছে।

আমরা আগে থেকেই বিতর্ক করতাম। মেডিকেলে আসার আগেই। আমি ঢাকা কলেজ টিমেরও ক্যাপ্টেন ছিলাম। তার আগে রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল টিমেরও আমিই ক্যাপ্টেন। একই স্কুল থেকে আব্দুন নূর তুষারও এসেছেন। কাজেই আমাদের প্রশিক্ষণটা আগেই হয়ে গেছে।

প্রশ্ন: দেশের বাইরের কোনো স্মৃতি আছে, বিদেশে গিয়ে আপনারা বিতর্ক করেছেন?

মুহিত: আমি বিদেশে ওইভাবে বিতর্ক করিনি। তবে বিদেশে আমার যেটা কাজে লেগেছে— সেটা বিতর্কই। ডাক্তারি পাস করার পর আমি পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করতে ইংল্যান্ডে যাই। সেখানে পাবলিক হেলথে পিএইচডি করি, দুটি মাস্টার্স করি। এরপর শিক্ষকতা করেছি, গবেষণাও। এই বিতর্কের চর্চাটা পেশাগত কাজে সবচেয়ে বেশি হেল্প করেছে। ইংল্যান্ডের মতো জায়গায়, একটা ইউনিভার্সিটিতে পড়ানো অবশ্যই একটু নার্ভাস লাগার কথা। কথা বলার অার স্টেজ পারফরম্যান্সের অভ্যাস ছিল। বিতর্কে একটা সাবজেক্ট সম্বন্ধে পড়ে জেনে প্রস্তুতি নিয়ে গোছানো কথা বলতে হয়। শিক্ষকতাও মোটামুটি একই কাজ। টপিকটা নিয়ে রিসার্চ করে জিনিসটা সাজিয়ে ছাত্রদের বোঝানোর মতো করে বলা। কাজেই, আমি ভীষণভাবে উপকৃত হয়েছি বিতর্কচর্চা দিয়ে আমার পেশাগত জীবনে।

প্রশ্ন: বিতর্কটা কি এখন আরও বেশি দরকার? কারণ যুক্তি দিয়ে যুক্তি খণ্ডন করা— এটা একটা সহনশীলতাও। যার অভাব এখন আমাদের দেশে খুব বেশি।
মুহিত: বিতর্ক আপনাকে যুক্তিশীলভাবে ভিন্নমত বলতে ও শুনতে শেখায়। কিন্তু আমাদের বিতর্কের ভেতরে ভিন্ন জিনিস আছে— আমরা শুধু জিততে চাই। একই সঙ্গে বলা ও শোনার মানসিকতার চর্চা নেই। আমি মনে করি, বিতর্কচর্চা যেমন প্রয়োজন, তেমনি সতর্ক থাকা দরকার তরুণ শিক্ষার্থীরা যখন বিতর্ক করবেন তারা যেন জেতার জন্য বিতর্ক না করেন। তারা যেন বিতর্ককে শুধু বলার চর্চা না মনে করেন, শোনার অভ্যাসটাও থাকতে হবে। প্রতিপক্ষ কী বলছে সেটা শোনা এবং সেটাকে পার্সোনালি না নিয়ে, আক্রমণ না ভেবে সেটাকে যুক্তি দিয়ে উপস্থাপন করা। তর্কে জেতা এক জিনিস, আরেকটা বিষয় নিয়ে আলোচনার মতো করে তর্ক করা ভিন্ন জিনিস। যেখানে তর্কটা যখন শেষ হবে আমি হয়তো যে অবস্থান থেকে শুরু করেছিলাম, কনভিন্সড হয়ে হয়তো অন্য অবস্থানে চলে যাব।

প্রশ্ন: কিন্তু এমন কি হয়?
মুহিত: বিতর্ক তো একটা প্রতিযোগিতা। ইটস এ পারফরম্যান্স লাইক ফুটবল। বাট মেন্টালিটিটা যেন আমরা ওইভাবে গড়ে তুলি। আলোচনার মাধ্যমে জিনিসটা সম্বন্ধে শিখতে ও জানতে চাওয়া। তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতার সময়ও মনে করিয়ে দেওয়া। প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়াটাই শেষ কথা নয়। তর্কে জিতে যাওয়াটাই শেষ না। তর্কে আলোচনার মাধ্যমে জিনিসগুলো বুঝতে পারাটা হচ্ছে বড় কথা।

প্রশ্ন: তার্কিক বন্ধুদের সঙ্গে কি যোগাযোগ আছে?
মুহিত: অনেকের সঙ্গেই আছে যোগাযোগ। আব্দুন নূর তুষারের সঙ্গে আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জার্নালিজমে পড়তেন ফখরুল ইসলাম চৌধুরী— জহুরুল হক হলের খুব ভালো বিতার্কিক ছিলেন। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় মাঝেমধ্যে। আর বিভিন্নজনকে বিভিন্ন জায়গায় দেখি, ভালো লাগে তখন।

প্রশ্ন: সাধারণত মূল পেশাকে সেকেন্ডারি করে ফেলেন সেলিব্রেটিরা। ইংল্যান্ডে গিয়ে চক্ষুবিজ্ঞানে আর পাবলিক হেলথে পড়াশোনা করেছেন, শিক্ষকতা ও গবেষণা করেছেন। সার্কেলটা পূর্ণ করে আপনি রাজনীতিতে এসেছেন। কোনটা ঠিক? মাঝপথে অন্য কিছুর সঙ্গে ইনভলভ হয়ে যাওয়া নাকি পূর্ণতা নিয়ে একটা জার্নি শেষ করে কোনো কিছুর সঙ্গে যুক্ত হওয়া?

মুহিত: আমার কাছে এটা মনে হয়েছে যে, জয়েনিং দ্য ডটস। আমার ভালো লাগার কাজগুলোকে আমি একেকটা ডট আকারে চর্চা করে গেছি। আমার শিক্ষা, গবেষণা, বিতর্ক, শেষ পর্যন্ত ৬৪ জেলায় গিয়ে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া। জাতীয় সমস্যার অ্যাভিডেন্স বেসড প্রোগ্রাম ডেভেলপ করা। এই প্রত্যেকটি ডট যুক্ত হওয়ার পর দেখলাম, রাজনীতিতে যদি যাই তাহলে দীর্ঘমেয়াদে মানুষের কাছে থাকতে পারব। তখন রাজনীতিতে যুক্ত হলাম।

প্রশ্ন: কখন দেশে এলেন?
মুহিত: ২০০৯ সালে। তখন থেকে বিএনপির সঙ্গে সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত। আমার কনস্টিটিউয়েন্সি সিরাজগঞ্জ ছয় শাহজাদপুর, ওই এলাকায় ২০০০ থেকেই সামাজিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি, যা চাইল্ড সাইট ফাউন্ডেশন (সিএসএফ) নামে পরিচিত।

প্রশ্ন: কী করে সিএসএফ?
মুহিত: অন্ধদের নিয়ে কাজ করে। তাদের পুনর্বাসনে সহায়তা করে।

প্রশ্ন: আপনি চক্ষুবিজ্ঞানে পড়তে চাইলেন কেন?
মুহিত: আমার বাবা ডাক্তার ছিলেন। আগে চোখের ছানি অপারেশনের ক্যাম্প হতো গ্রামগঞ্জে। বিদেশ থেকে ডাক্তাররা আসতেন। বাবাও ছিলেন চোখের ডাক্তার। তিনিও ইংল্যান্ড থেকে ডিগ্রি নিয়ে এসেছিলেন। আজকের যেটা বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি বা পিজি হাসপাতাল, স্বাধীনতার পরপরই ওখানে চক্ষু ডিপার্টমেন্ট প্রতিষ্ঠা হয়, উনি চেয়ারম্যান ছিলেন। ওটার পাশাপাশি গ্রামগঞ্জে গিয়ে চিকিৎসা করতেন। ছুটির দিন শুক্রবার উনি বাড়ি চলে যেতেন। যমুনা ব্রিজ ছিল না। পার হতেন নৌকায়। দিনে ১০০-১৫০ বৃদ্ধ মানুষের ছানি অপারেশন করতেন। স্কুল বন্ধ থাকলে আমাকে নিয়ে যেতেন। উনি বলতেন ‘আজকে তোমাকে ম্যাজিক দেখাব’। রোগীর সামনে গিয়ে চোখ পরীক্ষা করে বলতেন কয় আঙুল? দুই চোখে ছানি থাকায় দেখে না। দুই আঙুল তুললে পাঁচ আঙুল বলে। বিকালের দিকে আবার আমাকে ডাকতেন। একটা করে ব্যান্ডেজ খুলতেন। জানতে চাইতেন কয় আঙুল। ওনারা দেখতে পারেন। গুনতে পারেন। আমার কাছে এটা ম্যাজিকের মতো মনে হয়েছে। আমার বাবাকে মনে হয়েছে সবচেয়ে বড় ম্যাজিশিয়ান, জাদু জানেন উনি। সো ডাক্তার হওয়ার আগে আমার চোখের ডাক্তার হতে ইচ্ছে করেছে, কারণ এটা ম্যাজিকাল।

প্রশ্ন: অ্যাকাডেমিক পড়াশোনা শেষ করে রাজনীতিতে এসেছেন। এটা কি মন্ত্রিত্বের ক্ষেত্রে কোনো সুবিধা দিচ্ছে আপনাকে?

মুহিত: অবভিয়াসলি আমি যেহেতু এ সাবজেক্টগুলো সম্পর্কে জানি এবং এখানেই যেহেতু আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, এটা একটু অ্যাডভান্টেজ তো দেয়। সরকার পরিচালনায়ও সুবিধা হওয়ার কথা বিষয়গুলো জানা থাকলে।

বিরোধী দলকে দেখছি তারা এদিক দিয়ে আওয়ামী লীগকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের ছয় মাস লাগত আন্দোলন শুরু করতে। আর এরা ছয় মাসের মধ্যেই এক দফার আন্দোলনে চলে গেছে। এটা খুব বিস্ময়কর।

প্রশ্ন: আমাদের দেশে যারা ক্ষমতাসীন দলকে ভোট দেয় না তারা পুরো মেয়াদ জুড়ে সরকারের সমালোচনা বা বিরোধিতা করে। এটা কি জটিলতার সৃষ্টি করে?

মুহিত: সমস্যাটা জনগণের নয়, সমস্যাটা আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর। আপনি খেয়াল করবেন, গত ১৫ বছর ভোট ছিল না। এ সময় যা কিছু ঘটেছে, এর জন্য জনগণ দায়ী নয়। তাদের কোনো কিছু বলার ছিল না, ভোট ছিল না। কিন্তু যখন ভোট ছিল ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত— তিনটি ভোট আমরা পেয়েছি। এই তিনটি সরকারের ক্ষেত্রে আপনি খেয়াল করবেন— প্রতিবার সরকার চেঞ্জ হয়ে গেছে। যখনই ভোট হয়েছে তখনই সরকার বদল। তার মানে মানুষ যখন সুযোগ পেয়েছে, সে আগের সরকারের সীমাবদ্ধতাগুলো দেখে মনে করেছে আরেকজনকে সুযোগ দেওয়া দরকার। তিনবার এটা হয়েছে, যারা ক্ষমতাসীন তারা জিততে পারেনি। দ্বিতীয়ত হচ্ছে, যখন মানুষকে ভোটদানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তাদের ভোটে নির্বাচিত সংসদ হয়েছে। সে সময় তারা ছয় মাস পর সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় মিছিল করেনি। সে এক বছর পরেও করেনি। ওই তিনটি সংসদই কিন্তু পূর্ণ মেয়াদ পালন করতে পেরেছে। রাস্তায় মিছিল করেছিল আওয়ামী লীগ। দলটি প্রকাশ্যে বলেছিল— একদিনও শান্তিতে থাকতে দেব না। এক্ষেত্রে বিএনপি দুই-তিন বছর লাগায়। তারপর আস্তে আস্তে জনগণের দাবি নিয়ে রাস্তায় যায়।

প্রশ্ন: বিরোধী দল কেন এখনই রাজপথে। আপনাদের দলের ভেতরে মূল্যায়ন কী?

মুহিত: এবার বিরোধী দলকে দেখছি তারা এদিক দিয়ে আওয়ামী লীগকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের ছয় মাস লাগত আন্দোলন শুরু করতে। আর এরা ছয় মাসের মধ্যেই এক দফার আন্দোলনে চলে গেছে। এটা খুব বিস্ময়কর। হ্যাঁ, সরকারের সমালোচনা করা যায়। আমরা যে চেঞ্জের জন্য রক্ত দিয়েছি, সেগুলো আগে তাড়াতাড়ি করে দাও। যা সব মানুষ মানবে। কিন্তু এখনই একে হঠাও— এটা অবান্তর। এক ব্যক্তির ভুল হতে পারে, কালেকটিভ ডিসিশন ভুল হয় না। যখন মানুষের রায় কাউন্ট করা হয়েছে, প্রতিবার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা বিপথে গেছে তারা ক্ষমতায় বসে যখন দেখেছে জনভিত্তি নেই তখন নির্বাচন দেয়নি। ২০২৪-এর নির্বাচন যদি শেখ হাসিনা সঠিকভাবে দিত— তারা পরাজিত হতো। তারপরও সংসদে হয়তো মাইনরিটি অপজিশন থাকত। কিন্তু তারা দেশে থাকত, রাজনীতিটা করতে পারত। এ লেসনটা আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, জনগণের ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে বেশি দিন থাকা যাবে না। যত বেশি দিন আপনি জনগণের ক্ষমতা নিয়ে জোর করে থাকবেন, তত করুণ পরিণতি আপনাকে বহন করতে হবে।

প্রশ্ন: জ্বালাও-পোড়াও কারা করছে?
মুহিত: এটা কারা করছে— রাজনীতি তো, সরাসরি অ্যাভিডেন্স দেওয়া খুব কঠিন। কিন্তু সারকামস্টেনশিয়াল অ্যাভিডেন্সগুলো দেখতে হবে। আমরা সরকারে আছি, এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সরকার বিপদে পড়ে— এটা সাধারণ বুদ্ধিতে বলে। নিশ্চয়ই আমরা এগুলো করছি না। সরকারের যারা বিরোধী দল আছে তারা করবে— এটাও স্বাভাবিক। কিন্তু ছয় মাস যেতেই এক দফায় চলে গেছে। তাদের দাবিগুলো অযৌক্তিক আর বক্তব্য আক্রমণাত্মক। তারা ডেডলাইনও দিয়ে দিচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরে পুরোদস্তুর এক দফার আন্দোলনে চলে যাবে। আরেকটা সারকামস্টেনশিয়াল অ্যাভিডেন্স হচ্ছে, প্রতিপক্ষ ফ্যাসিস্টটা যারা চলে গেছে, পালিয়ে গেছে তারাও কিন্তু ডিসেম্বরে ফেরার কথা বলছে। সময় মিলে যাচ্ছে দুপক্ষের। এটা খুব শঙ্কার কারণ এবং এ ধরনের সারকামস্টেনশিয়াল অ্যাভিডেন্স থেকে আমাদের মনে হতেই পারে যে, যারা এগুলো করছে তারা আসলে অস্থিতিশীলতা চাচ্ছে।

প্রশ্ন: তাহলে দুটি শক্তি মিলেই এগুলোর দিকে যাচ্ছে বলে মনে করেন?
মুহিত: সেই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর এটা একটা আনহোলি অ্যালায়েন্স হওয়ার রিস্ক থেকে যায়। কারণ একটি পক্ষ দেশের ভেতরে নেই। ফেরত আসতে হলে দেশের ভেতরে কিছু লোকজন তাদের লাগবে। তারা পালিয়ে গেছে। খালি হাতে যায়নি। দুর্নীতির কালো টাকা তারা নিয়ে বসে আছে। সেই কালো টাকা দিয়ে যদি কোনো অপশক্তিকে ব্যবহার করা হয়, তাতে আমি অবাক হব না।

সরকারের বয়স মাত্র ছয় মাস। আমি ছয় মাস বয়সী সরকারের প্রতিমন্ত্রী। স্বাস্থ্য সেক্টর বিশাল। ক্লায়েন্ট কতজন? ২০ কোটি মানুষ, ইচ অ্যান্ড এভরিওয়ান। অন্য অনেক মন্ত্রণালয়ে সবাই ক্লায়েন্ট না। ২০ কোটি ক্লায়েন্ট, ছয় মাস আমার বয়স আর আমি একটা বিধ্বস্ত, ফ্যাসিবাদী অবহেলায় জর্জরিত স্বাস্থ্যব্যবস্থায় দাঁড়িয়ে আছি।

প্রশ্ন: তারাও তো আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। তারাই কি আবার তাদের ফিরিয়ে আনার পথ তৈরি করতে পারে?

মুহিত: দেখুন, ওনাদের সঙ্গে আমরা একসঙ্গে রাজপথে আন্দোলন করেছি। একই মিছিলে ওদের কর্মী, আমাদের কর্মী মারা গেছে। এ সংসদের প্রতিটি সদস্য একটা দীর্ঘ সংগ্রামের ভেতর দিয়ে এসেছে। এটা এক আশ্চর্য সংসদ। যেখানে ফাঁসির রায় হয়ে যাওয়া, যাবজ্জীবন খাটা, গুম হয়ে যাওয়া, গুমের শিকার, স্বামী হারানো বিধবা মানুষ— জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। শুধু কথার কথা না যে, আমরা রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছি। এ সংসদের সদস্যরা অনেক তোলপাড় করা ঘটনার ভেতর দিয়ে এখানে এসেছেন। যারা সংসদে বিরোধী দল তারা মাঠে যা বলছে, সেটা সম্পর্কে একটু সচেতন হবে আশা করি। আমরা যারা একসঙ্গে লড়াই করেছি, ফ্যাসিবাদমুক্ত করার জন্য, তারা যেন এমন কোনো পথে না যাই— যার বিরুদ্ধে লড়াই করলাম সে যেন আবার ফেরত না আসতে পারে।

প্রশ্ন: আপনার বাবা ডাক্তার এম এ মতিন কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন?
মুহিত: অনার বোর্ডের দুই নাম্বার নামটা আমার বাবার। জিয়াউর রহমান সাহেবের প্রথম ক্যাবিনেটে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এখানে ছিলেন মাত্র ৯ মাস। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী থেকে হলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মোট ১৪ বছর মন্ত্রী ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী।
আমাদের এই ভূখণ্ডে যখন থেকে নির্বাচন শুরু হয়েছে, তখন থেকে আমাদের বাড়িতে কেউ না কেউ নির্বাচন করেছেন। আমার নানা মন্ত্রী ছিলেন। তার পর আমার বাবা ছিলেন। বর্তমানে আমার মামা এই ক্যাবিনেটে আছেন। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আমার আপন মামা, আমার মায়ের ছোট ভাই। উনি বিদ্যুৎমন্ত্রী। আমাদের বাড়িতে রাজনীতিটা আছে।
আমাদের পরিবারের কেউ রাজনীতি দিয়ে শুরু করেন না। আগে তাদের একটা পেশাগত জীবন থাকে। সেখানে তারা সফল হন। তারপর রাজনীতিতে আসেন। আমার মা বুঝতেন আমার মধ্যে জনগণের কাছে যাওয়ার প্রবণতা আছে। তিনি বলতেন, আগে ক্যারিয়ার-প্রফেশন ডেভেলপ করো তারপর রাজনীতিতে আসবা। না হলে তুমি নিজেকেই লুক আফটার করতে পারবা না, অন্যকে কী লুক আফটার করবা?

প্রশ্ন: বাবার মন্ত্রিত্ব দেখেছেন, এখন আপনি মন্ত্রিত্ব করেছেন। দুই মন্ত্রিত্বের মধ্যে কী পার্থক্য?
মুহিত: বাংলাদেশটা বদলে গেছে। আশির দশকের বাংলাদেশ নাই, ঢাকা শহরও নাই। তখন আমাদের ইকোনমি ছোট ছিল, পপুলেশন কম ছিল, শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা কম ছিল— সবাই সবাইকে চিনতেন। প্রত্যেকটা পাড়ায় সবাই সবাইকে চিনতেন। খুব সুন্দর পরিবেশ ছিল। কিন্তু ইকোনমিক্যালি আমরা অনেক ডিপ্রাইভড ছিলাম, ইকোনমিক চ্যালেঞ্জগুলো বড় ছিল তবে সোশ্যাল চ্যালেঞ্জ কম ছিল। ঢাকা শহরটা ছিল একটা সুন্দর গোছানো বড় গ্রামের মতো। ঢাকা তখন কোনো সিটিই ছিল না। আমরা বলতাম সিটি, কিন্তু সিটির যে ক্যারেক্টারিস্টিকস— তা ছিল না। এখন ঢাকা সত্যিকারের একটা মেট্রোপলিটন সিটি। সিটি মানেই ট্রাফিক জ্যাম থাকবে, সিটি মানেই পাশের বাসার লোককে আপনি নাও চিনতে পারেন।
এখন উল্টো। সোশ্যাল চ্যালেঞ্জগুলো বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূল্যবোধগুলো ভেঙে গেছে। তরুণ প্রজন্ম গালিকে ভাবছে স্মার্টনেস, বড়দের শ্রদ্ধা করাটাকে ভাবছে দুর্বলতা। ইকোনমিক চ্যালেঞ্জ বরং কম। আমাদের ইকোনমি গ্রো করেছে, মডার্ন টেকনোলজি এসেছে। আমাদের প্রাইভেট সেক্টর গ্রো করেছে। এখন সোশ্যাল আর পলিটিক্যাল চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি, ইকোনমিক চ্যালেঞ্জের তুলনায়। আশির দশকে ইকোনমি ছিল দুর্বল, কিন্তু মানুষে মানুষে সম্প্রীতি ছিল।

প্রশ্ন: পেশাজীবী যখন ওই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হন, সেটা সুবিধাজনক নাকি অন্য কোনো সেক্টর থেকে এসে ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিলে তা সুবিধাজনক?
মুহিত: অবভিয়াসলি অ্যাডেড অ্যাডভান্টেজ। আপনি সফল ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট— যদি পলিটিকসে আসেন, সরকার যদি আপনাকে শিল্পমন্ত্রী করে, অবশ্যই অ্যাডভান্টেজ পাবেন। আপনি জানেন এ মন্ত্রণালয়ে কী হয়। টেবিলের অন্য সাইড থেকে দেখেছেন। আমি যেমন ডাক্তার। জনস্বাস্থ্যের এখানে যখন আসি, পলিসি ডিসকাশনে টেবিলের ওই সাইডের লোকরা কী ভাবছে— আমি ওটা বুঝতে পারি। কারণ আমি ওই সাইডে ছিলাম। ডেফিনেটলি এটা সুবিধা হয়। আরেকটা হচ্ছে, অনেক সময় এমন পলিটিশিয়ান দেখা যায়, জন্মের পর থেকে সারা জীবন রাজনীতি করে গেছেন। তার ইনকাম ট্যাক্স ফাইলও নেই। জীবন কিন্তু চলে গেছে, কোনোদিন কোনো প্রতিষ্ঠান চালাননি। তাকে আপনি রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্ব দিয়েছেন। সেটা কিন্তু উনার ওপরে একটা বিরাট চাপ। যার পাঁচটা স্টাফ চালানোর অভিজ্ঞতা নেই— সে কীভাবে একটা মন্ত্রণালয় চালাবে?

প্রশ্ন: সরকারের ফোকাসে আছে স্বাস্থ্য খাত। যেকোনো সময়ের চেয়ে এবারের বাজেটটা অনেক বেশি। এত বড় বাজেট নিয়ে আপনারা কোনো চেঞ্জ কি আনতে পেরেছেন?
মুহিত: সরকারের বয়স মাত্র ছয় মাস। আমি ছয় মাস বয়সী সরকারের প্রতিমন্ত্রী। স্বাস্থ্য সেক্টর বিশাল। ক্লায়েন্ট কতজন? ২০ কোটি মানুষ, ইচ অ্যান্ড এভরিওয়ান। অন্য অনেক মন্ত্রণালয়ে সবাই ক্লায়েন্ট না। ২০ কোটি ক্লায়েন্ট, ছয় মাস আমার বয়স আর আমি একটা বিধ্বস্ত, ফ্যাসিবাদী অবহেলায় জর্জরিত স্বাস্থ্যব্যবস্থায় দাঁড়িয়ে আছি। তারপরও আমরা কিছু চেঞ্জ এনেছি। প্রতি বছর ডেঙ্গু হওয়ার পর আপনারা পেপারে লেখেন, সবাই নড়েচড়ে বসে, তারপর কাজ শুরু হয়। কাজ শুরু হওয়ার আগে কিন্তু ১৫০ লোক মরে যায়, ৬০ হাজার লোক অসুস্থ হয়ে যায়। আমরা এবার ডেঙ্গু আসার চার মাস আগে থেকেই কাজ শুরু করেছি। আমরা হামকে মোকাবিলা করছি। আমরা সারা দেশে ট্রেনিং প্রোগ্রামের আয়োজন করেছি। বাংলাদেশের ৪০টা জেলায় ৪০টা মেডিকেল কলেজ বা সদর হাসপাতালে ডাক্তারকে দিনব্যাপী ডেঙ্গু ম্যানেজমেন্টে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আরও মজার ব্যাপার, এ প্রশিক্ষণটা কে দিচ্ছেন? সরকার দিচ্ছে না। এই বিশাল ট্রেনিংটার আয়োজন করেছে সোসাইটি অব মেডিসিন। অর্থাৎ মেডিসিনের যারা অধ্যাপক, ডাক্তার আছেন, তাদের যে অর্গানাইজেশন তারাই দিচ্ছেন। সিনিয়র ডাক্তাররা এখন জুনিয়র ডাক্তারদের স্পেশাল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করছেন। এটা কি অভিনব না? এটা কি চেঞ্জ না? এরকম আরও বহু বিষয় আছে।

সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
মুহিত: আগামীর সময়ের পাঠকদের জন্য শুভেচ্ছা। সবাইকে ধন্যবাদ।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীজাতীয়সাক্ষাৎকার
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কুমিল্লায় কিশোরী হত্যা: চট্টগ্রামে আটক অটোরিকশাচালক

    কুমিল্লায় কিশোরী হত্যা: চট্টগ্রামে আটক অটোরিকশাচালক

    হৃদরোগের ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তদন্ত কমিটি

    হৃদরোগের ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তদন্ত কমিটি

    মোহনগঞ্জে গাছের মগডাল থেকে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার

    মোহনগঞ্জে গাছের মগডাল থেকে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার

    ২১ বছর পর ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুনর্মিলনী, নিবন্ধন শুরু

    ২১ বছর পর ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুনর্মিলনী, নিবন্ধন শুরু

    খতিবের পক্ষে বিক্ষোভ, উত্তেজনা বায়তুল মোকাররমে

    খতিবের পক্ষে বিক্ষোভ, উত্তেজনা বায়তুল মোকাররমে

    এক বাবার স্বপ্নে আট মেয়ে শিক্ষক

    এক বাবার স্বপ্নে আট মেয়ে শিক্ষক

    সাবেক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র

    সাবেক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র

    ডিসির মতবিনিময় সভায় অস্ত্র মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি!

    ডিসির মতবিনিময় সভায় অস্ত্র মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি!

    যুদ্ধাপরাধের বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের স্বীকৃতি শান্তির নোবেলে

    যুদ্ধাপরাধের বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের স্বীকৃতি শান্তির নোবেলে

    ছিনতাইপ্রবণ মোহাম্মদপুর পার হতে হতে দেখা বিমান ছিনতাই

    ছিনতাইপ্রবণ মোহাম্মদপুর পার হতে হতে দেখা বিমান ছিনতাই

    সার ডিলার নিয়োগে টাকা লেনদেনের অভিযোগ, প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযানের দাবি এমপির

    সার ডিলার নিয়োগে টাকা লেনদেনের অভিযোগ, প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযানের দাবি এমপির

    সিএমপিতে কথায় কথায় ওসি বদল

    সিএমপিতে কথায় কথায় ওসি বদল

    মুক্তিযুদ্ধ একবার, তালিকা ৭ বার!

    মুক্তিযুদ্ধ একবার, তালিকা ৭ বার!

    সাম্প্রদায়িক শক্তি ফ্যাসিবাদের চেয়েও ভয়ানক

    সাম্প্রদায়িক শক্তি ফ্যাসিবাদের চেয়েও ভয়ানক

    রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হচ্ছে রবিবার

    রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হচ্ছে রবিবার