Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
৯ গ্রামের মানুষের ফি নেন না ডা. সীমান্ত
রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সাক্ষাৎকার

‘পরিবার থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল শিবিরের নেতাদের’

আমজাদ হোসেন হৃদয়
আমজাদ হোসেন হৃদয়
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১৫:০৪
‘পরিবার থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল শিবিরের নেতাদের’

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা, সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগাযোগ, আন্দোলনের নেপথ্যের কৌশল, সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে আগামীর সময়ের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আমজাদ হোসেন হৃদয়

আগামীর সময় : কোটা সংস্কার আন্দোলনের সূচনালগ্নে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা কী ছিল?

নুরুল  ইসলাম সাদ্দাম : হাইকোর্টের রায়ের পর কোটা সংস্কার আন্দোলন নতুন করে শুরু হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কয়েকটি শাখাকে সাংগঠনিকভাবে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে শুরুতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় পরিসরে কর্মসূচি না দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলাম। ঈদের আগে সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগাযোগ, কর্মসূচিতে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার কাজ চলছিল। কোরবানির ঈদের ছুটির পর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরলে আন্দোলন নতুন গতি পায়। একই সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের দমন-পীড়নও বাড়তে থাকে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ঘটনার পর আমরা পরিস্থিতি নতুন করে মূল্যায়ন করি।

আগামীর সময় : প্রকাশ্যে রাজনীতি করার সুযোগ না থাকায় তখন কী ধরনের কৌশল অনুসরণ করেছিল ছাত্রশিবির?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম:  সে সময় ছাত্রশিবিরের প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ ছিল না। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছিল। পরিচয় প্রকাশ পেলেই গ্রেপ্তার বা হামলার ঝুঁকি ছিল। তাই আমরা ব্যানার নিয়ে সামনে না এসে নেপথ্যে থেকে কাজ করেছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল আন্দোলন যেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন হিসেবেই থাকে এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সেটি প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।

আগামীর সময় : ২০২৪ সালের ১৬ জুলাইয়ের আগে এবং পরে ছাত্রশিবিরের কৌশলে কী পরিবর্তন আসে?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : শুরুতে আমরা আন্দোলনকে সীমিত পরিসরে এগিয়ে নেওয়ার পক্ষে ছিলাম। কিন্তু বিভিন্ন ক্যাম্পাসে হামলা, শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়ন এবং সরকারের কঠোর অবস্থানের পর আমাদের মূল্যায়ন বদলে যায়। ১৬ জুলাইয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আন্দোলনকে কয়েকটি ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। সারাদেশে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা এবং প্রয়োজন হলে প্রকাশ্য প্রতিবাদেও অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আগামীর সময় : শীর্ষ সমন্বয়কদের গ্রেপ্তারের পর আন্দোলনের সমন্বয় কীভাবে হয়েছিল?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : ১৮ থেকে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে আন্দোলনের শীর্ষ সমন্বয়কদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সরাসরি যোগাযোগ ছিল না। ছাত্রদল বা অন্য কোনো সংগঠনের সঙ্গেও তখন কোনো সমন্বয় ছিল না। এমনকি সমন্বয়কদের দ্বিতীয় সারির অনেকেই পুরো পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন না।

হান্নান মাসউদ, আব্দুল কাদেরসহ দ্বিতীয় সারির কয়েকজনের কাছ থেকে আমরা ভিডিও বার্তা সংগ্রহ করতাম। এরপর সেগুলো পেনড্রাইভে সংরক্ষণ করে বিভিন্ন সেফ হাউসে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করত আমাদের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের কর্মীরা।

হান্নান মাসউদ, আব্দুল কাদেরসহ দ্বিতীয় সারির কয়েকজনের কাছ থেকে আমরা ভিডিও বার্তা সংগ্রহ করতাম। এরপর সেগুলো পেনড্রাইভে সংরক্ষণ করে বিভিন্ন সেফ হাউসে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করত আমাদের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের কর্মীরা। এই পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে পরিচালিত হয়েছে। বিদেশে তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রেও আমরা পরিকল্পিতভাবে কাজ করেছি। আমাদের একজন ভাই এ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। আমি অন্যরা কী করেছে, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না। তবে এটুকু বলতে পারি, ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রচার এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পৌঁছে দেওয়ার কাজ অত্যন্ত সংগঠিত ও পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছিল।

আগামীর সময় : সমন্বয়ক কমিটিতে ছাত্রশিবিরের কাউকে দেখা না যাওয়ার কারণ কী?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : এটি ছিল আমাদের সচেতন ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত। সে সময় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আন্দোলনের নেতৃত্বের পেছনে কারা আছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছিল। আমাদের মূল্যায়ন ছিল, সমন্বয়ক হিসেবে ছাত্রশিবিরের পরিচিত কেউ থাকলে পুরো আন্দোলনকে শিবিরের আন্দোলন বলে প্রচার করা হবে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

আমরা চেষ্টা করেছি, সমন্বয়কদের মধ্যে এমন কাউকেও না রাখতে, যার পারিবারিক পরিচয় থেকেই জামায়াত বা ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলা যেতে পারে।

আমরা চেষ্টা করেছি, সমন্বয়কদের মধ্যে এমন কাউকেও না রাখতে, যার পারিবারিক পরিচয় থেকেই জামায়াত বা ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলা যেতে পারে। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলনের গ্রহণযোগ্যতা অক্ষুণ্ন রাখা এবং নেতৃত্বকে নিরাপদ রাখা। সে কারণেই সামনে না এসে নেপথ্যে থেকে সমন্বয় ও সহযোগিতার ভূমিকা পালন করেছি।

আগামীর সময় : আন্দোলনের সময় আপনারা কি ধরনের সহযোগিতা করেছেন?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : কর্মসূচি ঘোষণার পর সেটি বাস্তবায়নের পুরো প্রস্তুতি নিয়েই কাজ করতাম। কোথায় কতজন শিক্ষার্থী থাকবে, কোথা থেকে মিছিল শুরু হবে, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কীভাবে পৌঁছাবে—এসব আগে থেকেই সমন্বয় করা হতো। কেউ আহত হলে হাসপাতালে নেওয়া, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, গ্রেপ্তার হলে আইনজীবীর মাধ্যমে আইনি সহায়তা দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে আমাদের যে নেটওয়ার্ক ছিল, সেটিও কাজে লাগানো হয়। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।

আগামীর সময় : আন্দোলনের নেপথ্যের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কাঠামো কীভাবে পরিচালিত হতো?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : আমরা ছোট পরিসরের একটি সমন্বয় কাঠামোর মাধ্যমে পরিকল্পনা করতাম। প্রতিদিনের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে পরদিনের কর্মসূচি ঠিক করা হতো। সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনা করে কোথায় কর্মসূচি হবে, কোন এলাকায় কতটা গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং কীভাবে তা বাস্তবায়ন হবে—এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো। এরপর দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হতো। আন্দোলনের শেষ দিকে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকাকে আলাদা দায়িত্বে ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে প্রতিটি কর্মসূচি সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

আগামীর সময় : আন্দোলন চলাকালে আপনাদের কোনো গোপন তৎপরতা ছিল কিনা?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : আন্দোলনের শুরুতেই আমরা গোপনে পরিকল্পনা করার জন্য ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করি। টেলিগ্রামে আমাদের একটি গ্রুপ ছিল, যার নাম ছিল ‘হোপ’। ৭ বা ৮ জুলাই থেকে এই গ্রুপটি চালু করি। ‘হোপ’ নামটি রাখার কারণ ছিল—আমরা আশা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম এবং দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে এই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থাকে আমরা ভেঙে দিতে পারব।

গ্রুপটি এতটাই গোপনীয় ছিল যে কেন্দ্রীয় সভাপতি, সেক্রেটারি জেনারেল, ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি-সেক্রেটারিসহ হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েটের অন্য কেউও এর অস্তিত্ব জানতেন না।

১৫ জুলাইয়ের পর, যখন আন্দোলনকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন আমি এই গ্রুপে যুক্ত হই। এরপর প্রতিদিন সন্ধ্যায় আমাদের বৈঠক হতো। পরদিনের কর্মসূচি কী হবে, কোথায় কীভাবে আন্দোলন পরিচালিত হবে—এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হতো। সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগাযোগ ও কর্মসূচির বাস্তবায়নে আমাদের নেতারা নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতেন।

যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু, তাই সেখানকার নেতৃত্ব সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রেখে আমরা সারা দেশের কর্মসূচিগুলো পরিচালনা করেছি।

যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু, তাই সেখানকার নেতৃত্ব সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রেখে আমরা সারা দেশের কর্মসূচিগুলো পরিচালনা করেছি।

আগামীর সময় : নয় দফা কর্মসূচি প্রণয়নে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা ছিল বলে আলোচনা রয়েছে। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে নয় দফার খসড়া প্রণয়নে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা ছিল। যখন সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে আন্দোলন জোরপূর্বক স্থগিতের ঘোষণা আসে, তখন আমরা মনে করি আন্দোলনের গতি থেমে যেতে পারে। সে সময় আমাদের কয়েকজন দায়িত্বশীল নয় দফার একটি খসড়া তৈরি করে সমন্বয়কদের কাছে পাঠান। পরে আলোচনা ও কিছু সংশোধনের মাধ্যমে সেটি চূড়ান্ত হয়। আমাদের বিশ্বাস, ওই সময় আন্দোলনের গতি ধরে রাখতে নয় দফা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

আগামীর সময় : ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার পর আন্দোলন কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেই সময়ে আপনারা কী ধরনের ভূমিকা রাখতেন?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। তখন অনেক সমন্বয়ক আত্মগোপনে ছিলেন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি তাদের নিরাপদে রাখার। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন বাসায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে ধরনের সহযোগিতা তারা চেয়েছেন, আমরা তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। পরে শুনেছি, কিছু ক্ষেত্রে ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও কয়েকজন সমন্বয়ককে সহযোগিতা করা হয়েছিল। তবে আমাদের কাছে যেসব সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে, নিরাপত্তা, আশ্রয়, পরিবহন ও যোগাযোগ সব ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।

আগামীর সময় : কখন আপনাদের কাছে স্পষ্ট হয় যে আন্দোলনটি সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিচ্ছে?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : ১৫ জুলাইয়ের পর থেকেই আমরা বুঝতে শুরু করি, আন্দোলনটি নতুন এক পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, সরকারের কঠোর দমন-পীড়ন এবং সারাদেশে মানুষের সম্পৃক্ততা আমাদের সেই ধারণা দেয়। একই সময়ে আমাদের অনেক কেন্দ্রীয় ও শাখা পর্যায়ের নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হন, অনেককে গুম করা হয়।

আমাদের মূল্যায়ন ছিল, সরকার টিকে গেলে শুধু আন্দোলনকারীরাই নয়, আমাদের সংগঠনের ওপরও আরও কঠোর দমন-পীড়ন নেমে আসবে। সেখান থেকেই আমরা আর পিছু না হটার সিদ্ধান্ত নিই।

এরই মধ্যে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার আলোচনা শুরু হয়। পরে সরকার প্রকাশ্যেই আন্দোলনের পেছনে শিবিরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলতে থাকে। তখন আমাদের মূল্যায়ন ছিল, সরকার টিকে গেলে শুধু আন্দোলনকারীরাই নয়, আমাদের সংগঠনের ওপরও আরও কঠোর দমন-পীড়ন নেমে আসবে। সেখান থেকেই আমরা আর পিছু না হটার সিদ্ধান্ত নিই।

আগামীর সময় : জামায়াত-শিবিরকে ১ আগস্ট নিষিদ্ধ করার পর দলীয় প্রতিক্রিয়া না জানানোর কারণ কী?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : ১ আগস্ট আমরা নিয়মিত বৈঠকে ছিলাম। বৈঠক চলাকালেই খবর আসে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগের নিষিদ্ধ ঘোষণার ইতিহাস আমাদের জানা ছিল। তাই গণগ্রেপ্তার, গুম ও হত্যার আশঙ্কাও মাথায় ছিল।

জরুরি বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিই, নিষিদ্ধ ঘোষণার বিরুদ্ধে আলাদা কোনো কর্মসূচি দেওয়া হবে না। কারণ আমাদের মূল্যায়ন ছিল, সেটি করলে সরকার পুরো আন্দোলনকে জামায়াত-শিবিরের আন্দোলন হিসেবে প্রচারের সুযোগ পাবে।

পরে জরুরি বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিই, নিষিদ্ধ ঘোষণার বিরুদ্ধে আলাদা কোনো কর্মসূচি দেওয়া হবে না। কারণ আমাদের মূল্যায়ন ছিল, সেটি করলে সরকার পুরো আন্দোলনকে জামায়াত-শিবিরের আন্দোলন হিসেবে প্রচারের সুযোগ পাবে। তাই আমরা নিষিদ্ধের প্রতিবাদে পৃথক কোনো মিছিল, সমাবেশ বা বিবৃতি না দিয়ে চলমান ছাত্র আন্দোলনকেই এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

আগামীর সময় : এরপর আন্দোলনের কৌশলে কী পরিবর্তন আসে?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : ১ আগস্টের বৈঠকের পর আমাদের কাছে বিষয়টি ‘ডু অর ডাই’ পর্যায়ে চলে যায়। আমরা মনে করি, হয় আন্দোলন সফল হবে, নয়তো সংগঠনের অস্তিত্বই বড় সংকটে পড়বে। এরপর নিয়মিত সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রেখে পুরো মনোযোগ আন্দোলনের দিকে দেওয়া হয়। ঢাকাকে কয়েকটি অপারেশনাল জোনে ভাগ করা হয়। প্রতিটি জোনে কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কোথায় মানুষ জড়ো হবে, কোন পথে অগ্রসর হবে, কোন এলাকায় কার নেতৃত্ব থাকবে—এসব আগেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল, আন্দোলন যেন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে না পড়ে এবং সমন্বিতভাবে এগোতে পারে।

আগামীর সময় : ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচি একদিন এগিয়ে আনার পেছনে কী কারণ ছিল?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : আমাদের কাছে বিভিন্ন সূত্রে তথ্য আসছিল, সরকার দ্রুত সেনাবাহিনীকে মাঠে নামাতে পারে। সে কারণে আমরা মনে করি, আর সময় নষ্ট করলে আন্দোলনের গতি থেমে যেতে পারে। সমন্বয়কদের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়। পরে সিদ্ধান্ত হয়, ৬ আগস্টের পরিবর্তে ৫ আগস্টই ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচি পালন করা হবে। আমাদের মূল্যায়ন ছিল, আর একদিন সময় দিলে আন্দোলন দমনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই কর্মসূচি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আগামীর সময় : ৫ আগস্টের আগে সাংগঠনিকভাবে কী ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : আমরা ধরে নিয়েছিলাম, সামনে অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। তাই সবাইকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়। সংগঠনের নেতাদের জন্য নির্দেশনা ছিল পরিবার থেকে শেষ বিদায় নিয়ে মাঠে নামার। সে অনুযায়ী আমাদের অনেকেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করে বের হয়েছিলেন। অনেকেই ওজু করে, নফল নামাজ পড়ে মাঠে গিয়েছেন। সবার মানসিকতা ছিল—যা-ই ঘটুক, এবার আর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই।

আগামীর সময় : ৫ আগস্ট বিজয়ের দিনটি কেমন ছিল?
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : সেদিন সকাল পর্যন্ত পরিস্থিতি খুবই অনিশ্চিত ছিল। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে জানতে পারছিলাম, মানুষ রাস্তায় নামতে ভয় পাচ্ছে। কোথাও কোথাও গুলিও চলছিল। কয়েকটি এলাকায় আন্দোলনকারীরা হতাহত হওয়ার খবরও পাই।

সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। বিভিন্ন এলাকা থেকে খবর আসে, মানুষ রাস্তায় নেমে পড়ছে। পরে আমি নিজেও নির্ধারিত এলাকায় যাই। দুপুরের দিকে দেখি হাজার হাজার মানুষ গণভবনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অন্যদিকে সেনা প্রধান ভাষণে কথা জানান। তখনই আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায়, আন্দোলন একটি সিদ্ধান্তমূলক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে এবং পরিস্থিতি আর আগের অবস্থায় নেই।

আগামীর সময় : জুলাই আন্দোলনের সময় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের ভূমিকা কী ছিল?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : জামায়াতের আমিরের নির্দেশনা ছিল—মাঠের পরিস্থিতি বিবেচনায় দায়িত্বশীলরা প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন, তাকে শুধু অবহিত করলেই হবে। পাশাপাশি চিকিৎসা, লজিস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তায় জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সম্পৃক্ত ছিলেন।

আগামীর সময় : আন্দোলনের সময় এমন কোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে, যা এখনো আপনাকে নাড়া দেয়?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : জুলাইয়ের অনেক ঘটনাই এখনো চোখের সামনে ভেসে ওঠে। বিশেষ করে উত্তরার বিএনএস সেন্টার এলাকায় একাধিক হতাহতের ঘটনা খুব কাছ থেকে দেখেছি। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা, স্বজনদের কাছে মরদেহ পৌঁছে দেওয়া—এসব কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলাম।

নিরাপত্তার কারণে অনেক পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনের মৃত্যুর খবরও জানতে পারেনি। সেই সময়ের প্রতিটি দিনই ছিল অনিশ্চয়তা, ভয় এবং একই সঙ্গে আন্দোলন সফল করার দৃঢ় প্রত্যয়ের দিন।

শহীদ শাকিল পারভেজের ঘটনাটি আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়। তখন পরিস্থিতি এমন ছিল যে, স্বাভাবিকভাবে জানাজা পর্যন্ত আয়োজন করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। নিরাপত্তার কারণে অনেক পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনের মৃত্যুর খবরও জানতে পারেনি। সেই সময়ের প্রতিটি দিনই ছিল অনিশ্চয়তা, ভয় এবং একই সঙ্গে আন্দোলন সফল করার দৃঢ় প্রত্যয়ের দিন। আরও একটি ঘটনা আজও মনে পড়ে। উত্তরায় সংঘর্ষের সময় কয়েকজনকে চোখের সামনে গুলিবিদ্ধ হতে দেখি। আহতদের উদ্ধার করতে গিয়ে অনেকেই নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন। এত প্রাণহানির পরও আন্দোলনকারীদের মনোবল ভেঙে পড়েনি। বরং তারা আরও দৃঢ়ভাবে রাজপথে থেকেছেন।

আগামীর সময় : জুলাই আন্দোলনে শহীদদের বিষয়ে ছাত্রশিবিরের কোনো আলাদা তালিকা রয়েছে?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : জুলাইয়ে নিহতদের একটি তথ্যভান্ডার আমাদের কাছেও রয়েছে। তবে আমরা দলভিত্তিক শহীদের তালিকা প্রকাশের পক্ষে নই।

আগামীর সময় : অনেকে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক সুবিধা পেয়েছে জামায়াত-শিবির। আপনি কীভাবে দেখেন?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : জুলাইয়ের পর আমরা অবশ্যই প্রকাশ্যে রাজনীতি করার অধিকার ফিরে পেয়েছি। এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে শুধু জামায়াত-শিবির নয়, আওয়ামী লীগবিরোধী প্রায় সব রাজনৈতিক দলই এ পরিবর্তনের সুফল পেয়েছে। বিএনপিও তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ ফিরে পেয়েছে।

আগামীর সময় : জুলাই আন্দোলনের সময় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের মধ্যে যে ঐক্য দেখা গিয়েছিল, আন্দোলনের পর সেটি আর কেন দেখা গেল না?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : জুলাইয়ের আগে আমরা সবাই নির্যাতনের শিকার ছিলাম। সে বাস্তবতায় অনেক ক্ষেত্রেই একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। কিন্তু জুলাইয়ের পর রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলেছে। আমার মতে, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে যে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে, তার দায় অনেকাংশে ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডের কারণেই তৈরি হয়েছে।

আগামীর সময় : আপনার দৃষ্টিতে জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা কী?

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম : আমাদের প্রত্যাশা ছিল রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার হবে। কিন্তু এখনো সেই সংস্কারের বাস্তব অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছি না। ফলে যে রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ আন্দোলনে নেমেছিল, তার বড় একটি অংশ এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে।

নুরুল ইসলাম সাদ্দামবাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরজুলাই গণঅভ্যুত্থান
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০৫ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    ফ্রান্স
    ১
    প্যারাগুয়ে
    ০
    ০৬ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    ব্রাজিল
    ০
    নরওয়ে
    ০
    ০৬ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    মেক্সিকো
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    ০৭ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    পর্তুগাল
    ০
    স্পেন
    ০
    ০৭ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    যুক্তরাষ্ট্র
    ০
    বেলজিয়াম
    ০
    advertisement
    advertisement
    চাকরি হারাচ্ছেন ৩৩ এসপি

    চাকরি হারাচ্ছেন ৩৩ এসপি

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪

    বদিউল আলম খোকনসহ তিনজনকে পরিচালক সমিতি থেকে আজীবন বহিষ্কার

    বদিউল আলম খোকনসহ তিনজনকে পরিচালক সমিতি থেকে আজীবন বহিষ্কার

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০০:০৫

    ৯ গ্রামের মানুষের ফি নেন না ডা. সীমান্ত

    ৯ গ্রামের মানুষের ফি নেন না ডা. সীমান্ত

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:০২

    কীটনাশক নয় ডেঙ্গু ঠেকাবে ব্যাকটেরিয়া

    কীটনাশক নয় ডেঙ্গু ঠেকাবে ব্যাকটেরিয়া

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৭

    জার্মানির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউরোপের প্রথম ইসলামি ধর্মশিক্ষা অনুষদ

    জার্মানির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউরোপের প্রথম ইসলামি ধর্মশিক্ষা অনুষদ

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০০:১৩

    প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে ফ্রান্স

    প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে ফ্রান্স

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৮

    ধেয়ে আসছে বৃষ্টি বলয় ‘ধারা’, টানা ৯ দিন ভারী বর্ষণের আভাস

    ধেয়ে আসছে বৃষ্টি বলয় ‘ধারা’, টানা ৯ দিন ভারী বর্ষণের আভাস

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৭

    মাজার ও খানকায় হামলার অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাজার ও খানকায় হামলার অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০০:৩০

    ’৭১-এর দায় ও ইতিহাস পুনর্লিখন

    ’৭১-এর দায় ও ইতিহাস পুনর্লিখন

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬

    কথা রাখেনি বিএনপি

    কথা রাখেনি বিএনপি

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাই সচেতনতা

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাই সচেতনতা

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৫

    সংকটের শিকড় ও সমাধান

    সংকটের শিকড় ও সমাধান

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৫

    আর্জেন্টিনার উদাহরণ টেনে আনচেলত্তির সতর্কবাণী

    আর্জেন্টিনার উদাহরণ টেনে আনচেলত্তির সতর্কবাণী

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:২৬

    শোকের ময়দানে প্রতিশোধের ফুলকি

    শোকের ময়দানে প্রতিশোধের ফুলকি

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:০১

    আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে

    আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে

    ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪

    advertiseadvertise