Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
মলিন মাইলফলক রঙিন করেন মমিন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

মানবিকতার গুরুভার

agamir somoy
প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০০:২৮
মানবিকতার গুরুভার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

উদ্বেগ শুধুই বাড়ছে। বছরের পর বছর কেটে গেলেও মিটছে না সংকট। গতকাল শনিবার ছিল বিশ্বের বাস্তুচ্যুত মানুষদের স্মরণ করার দিন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এ মানবিক সংকটের কোনো স্থায়ী সমাধান এখনো মেলেনি। প্রায় এক দশক এ সংকটের বোঝা বইছে বাংলাদেশ। ২০১৭ সালে সম্পূর্ণ মানবিক কারণে মিয়ানমার থেকে আসা লাখ লাখ মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে মানবিকতাই এখন বাংলাদেশের জন্য এক বিরাট উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পরিবেশও অনুকূলে নেই। সেখানে জান্তা সরকারের সঙ্গে আরাকান আর্মির প্রচণ্ড লড়াই চলছে। এই অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। ফলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিপুল জনসংখ্যা এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে দিন গুনছে। মিয়ানমার সরকারের সদিচ্ছার চরম অভাব এ সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সংকটের গভীরতা বুঝতে কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোর দিকে তাকালে শিউরে উঠতে হয়। উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরগুলোয় সামান্য পরিসরে বাস করছে লাখ লাখ মানুষ। এখানকার জনঘনত্ব পৃথিবীর যেকোনো জনবহুল শহরের চেয়ে বেশি। প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১৪ হাজার মানুষের এ বসবাস এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। কুতুপালং আজ বিশ্বের বৃহত্তম মেগা ক্যাম্প। স্থানীয় অধিবাসীরা চরম সংকটে পড়েছেন। কক্সবাজারের স্থানীয় জনসংখ্যা যেখানে মাত্র পাঁচ লাখ, সেখানে আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৫ লাখ। এই তীব্র ভারসাম্যহীনতা স্থানীয় মানুষের মনে গভীর আতঙ্ক ও ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে।

আর্থসামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতিও অপরিসীম। এর মধ্যে প্রায় ১২ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি ধ্বংস হয়ে গেছে। বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে মারাত্মক নিরাপত্তাঝুঁকি। ক্যাম্পগুলোতে মাদক ও অস্ত্রের অবৈধ কারবার বাড়ছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে হত্যাকাণ্ড। কাঁটাতারের বেড়া কেটে বাইরে চলে যাওয়ার প্রবণতা আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন কর্মহীন ও শিক্ষাবঞ্চিত থাকার ফলে এই বিপুল জনগোষ্ঠী অপরাধের পথে পা বাড়াচ্ছে। জঙ্গিবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এর ওপর যোগ হয়েছে আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তার ঘাটতি। ইউক্রেন, গাজা কিংবা সুদানের যুদ্ধের কারণে বিশ্ব সম্প্রদায়ের নজর এখন অন্যদিকে ঘুরে গেছে। ফলে এ ক্যাম্পগুলোর জন্য বরাদ্দ দিন দিন কমছে। প্রতি বেলা খাবারের জন্য বরাদ্দ এখন মাত্র ১৬ টাকা। এই সামান্য অর্থ দিয়ে একটি মানুষের পক্ষে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা অসম্ভব। আন্তর্জাতিক চাপ ছাড়া মিয়ানমারকে এ সংকটের সমাধানে বাধ্য করা যাবে না। বাংলাদেশ সরকার বিশ্বমঞ্চে বারবার জোরালো দাবি জানাচ্ছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বিশ্বনেতাদের আশ্বাস কেবল মুখের কথাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে।

একটি দেশের পক্ষে চিরকাল এই বিশাল অর্থনৈতিক ও সামাজিক বোঝা বয়ে বেড়ানো সম্ভব নয়। এটি এখন আর শুধু মানবিক সমস্যা নেই। এটি এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য এক বিরাট হুমকি। বাংলাদেশ তার সাধ্যের শেষ সীমা পর্যন্ত চেষ্টা করেছে। এবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু ফাঁকা আলোচনা নয়, প্রয়োজন বাস্তবসম্মত কূটনৈতিক চাপ। আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যেন সসম্মানে ও নিরাপদে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে, সে পথ অবিলম্বে সৃষ্টি করতে হবে। অন্যথায় এ সংকটের আগুন একদিন পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে গ্রাস করতে পারে।

রোহিঙ্গারোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনমিয়ানমার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    ঢলের বালুতে ঢেকেছে আমনের ক্ষেত

    ঢলের বালুতে ঢেকেছে আমনের ক্ষেত

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫০

    ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল

    ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫১

    পোষা প্রাণীই বাড়াচ্ছে মৃত্যুঝুঁকি

    পোষা প্রাণীই বাড়াচ্ছে মৃত্যুঝুঁকি

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫০

    সংবিধানে প্রতিশ্রুতি বাস্তবে বৈষম্য

    সংবিধানে প্রতিশ্রুতি বাস্তবে বৈষম্য

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৬

    বেগতিক গতি

    বেগতিক গতি

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৬

    মিয়ানমারের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের হাতছানি

    মিয়ানমারের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের হাতছানি

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৬

    মাঝরাতে খামার থেকে স্ত্রীকে ‘ভয় করছে’ মেসেজ দেওয়ার পর ব্যবসায়ী নিখোঁজ

    মাঝরাতে খামার থেকে স্ত্রীকে ‘ভয় করছে’ মেসেজ দেওয়ার পর ব্যবসায়ী নিখোঁজ

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪৮

    ফল কিনতে এসে ফোন চুরি, শাস্তি পেলেন পুলিশ কর্মকর্তা

    ফল কিনতে এসে ফোন চুরি, শাস্তি পেলেন পুলিশ কর্মকর্তা

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৩:১০

    কাপাসিয়ায় ৩ মাদ্রাসায় সবাই ফেল, উপজেলায় পাসের হার ৫৩.৪৪%

    কাপাসিয়ায় ৩ মাদ্রাসায় সবাই ফেল, উপজেলায় পাসের হার ৫৩.৪৪%

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৯

    ট্রাম্পের সঙ্গই ইনফান্তিনোর সর্বনাশ!

    ট্রাম্পের সঙ্গই ইনফান্তিনোর সর্বনাশ!

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৯

    সরকার বদলেই বদলে যায় পরীক্ষার ফল

    সরকার বদলেই বদলে যায় পরীক্ষার ফল

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৫

    অভিবাসন কমাতে ‘শেনজেন লক’ চান এদুয়ার ফিলিপ

    অভিবাসন কমাতে ‘শেনজেন লক’ চান এদুয়ার ফিলিপ

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৪০

    জাজিরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত ১

    জাজিরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত ১

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৩

    দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪০ বছরের মধ্যে ভয়াবহ খরা, দক্ষিণাঞ্চলে পানির তীব্র হাহাকার

    দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪০ বছরের মধ্যে ভয়াবহ খরা, দক্ষিণাঞ্চলে পানির তীব্র হাহাকার

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৩:৫২

    পলিটেকনিক ছাত্রকে চাপা দিয়ে পালিয়ে গেল কাভার্ড ভ্যান

    পলিটেকনিক ছাত্রকে চাপা দিয়ে পালিয়ে গেল কাভার্ড ভ্যান

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৪০

    advertiseadvertise