Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ বছর ধরে বর্জ্যমুক্ত রাখছেন রাস্তা-বাজার
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

অলৌকিক বদ্বীপের বিশৃঙ্খল কারিগর

agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৫
অলৌকিক বদ্বীপের বিশৃঙ্খল কারিগর

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কাগজে-কলমে আমাদের কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের অর্জনের শেষ নেই। বিশ্বব্যাংকের উপাত্ত দিয়ে চোখধাঁধানো এক তালিকায় দেখা গেল— বিশ্বের ৯৩টি দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বাংলাদেশ মোট ভূমির অনুপাতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি চাষযোগ্য জমির মালিক! দেশের প্রায় ৬০ দশমিক ৬ শতাংশ ভূখণ্ডই আবাদযোগ্য! এমনকি ডেনমার্ক, ভারত কিংবা ইউক্রেনের মতো কৃষি-উদ্বৃত্ত দেশগুলোকেও আমরা ‘আবাদি জমির শতাংশে’ হারিয়েছি। বরফ নেই, মরুভূমির হাহাকার নেই, আছে হিমালয় ধুয়ে আসা সোনার পলি! কিন্তু এই তালিকার বিপরীতে দেখা যায় এক কদর্য বাস্তবতা।

চাষযোগ্য জমির হারে বিশ্বসেরা হওয়ার পরও প্রতি বছর চাল, গম, পেঁয়াজ আর ডাল আমদানির জন্য কেন আমাদের বহুজাতিক বাজারে হাত পাততে হয়? উত্তরটা লুকিয়ে আছে আমাদের আত্মতুষ্টি আর কাঠামোগত হিপোক্রেসির ভেতরে। প্রাকৃতিকভাবে আমরা এক অলৌকিক বদ্বীপের বাসিন্দা, কিন্তু ব্যবস্থাপনাগতভাবে যেন এক অনন্ত বিশৃঙ্খলার কারিগর।

আমাদের প্রথম প্রজ্ঞা প্রকাশ পায় কৃষিজমি ধ্বংস করার মহোৎসবে। নদীমাতৃক পলিমাটির সুফলা জমিগুলোতে পরম উৎসাহে আমরা গড়ে তুলছি ইটভাটা, অপ্রয়োজনীয় আবাসন আর অপরিকল্পিত রিসোর্ট। যেন খাদ্য নিরাপত্তা খালি পেটে থাকে, আর অবকাঠামোর ‘উন্নয়ন’ থাকে রাজপ্রাসাদে! একদিকে আবাদযোগ্য জমি দিন দিন শিল্পায়ন ও নগরায়ণের চাপে সংকুচিত হচ্ছে, অন্যদিকে এক বিপুল পরিমাণ জমি বছরের পর বছর স্রেফ ‘পতিত’ হয়ে পড়ে থাকছে। আবার কোথাও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের দখলাভিযানে। এই বৈপরীত্য কি কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের দেশের কৃষিব্যবস্থার চিত্র হতে পারে?

তার ওপর যোগ হয়েছে জনসংখ্যা বিস্ফোরণের ধ্রুপদি চাপ। ভূখণ্ড ছোট, মুখ কোটি কোটি। তবে জনসংখ্যা বাহানা বানিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা একেবারেই অকেজো। সমস্যা তো শুধু জনসংখ্যার আকার নয়; সমস্যা সঠিক পরিকল্পনা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ও আধুনিক প্রযুক্তির তীব্র অভাবে। একই জমিতে বহুমাত্রিক ফসল বা ‘মাল্টি-ক্রপিং’-এর প্রাকৃতিক সুযোগ থাকার পরও আমাদের কৃষক উপযুক্ত মূল্য পান না, আর কৃষি খাত আজ আধুনিক সেচ, হিমাগার সংরক্ষণব্যবস্থা এবং সুষ্ঠু বিপণনের অভাবে ধুঁকছে।

বর্তমানে বিশ্ব জুড়ে যুদ্ধ আর ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় খাদ্যের বৈশ্বিক শৃঙ্খল হুমকিতে আছে। উন্নত বা অনুন্নত— সব দেশের জন্যই খাদ্য নিরাপত্তা এখন টিকে থাকার মূল লড়াই। এই সংকটকালে আমাদের ‘বিশ্বসেরা আবাদযোগ্য ভূমি’ কোনো কাজে আসছে কি? আদতে না। বিশ্ববাজারে গমের দাম বাড়লে আমাদের বাজারে হাহাকার পড়ে; ডাল কিংবা ভোজ্য তেলের দাম বাড়লে মধ্যবিত্তের থালা খালি হয়।

প্রকৃতি আমাদের ঝুড়ি ভরে উর্বর মাটি আর আশীর্বাদ দিয়েছিল। কিন্তু আমরা সেই আশীর্বাদ তোশকের নিচে চাপা দিয়ে আমদানিনির্ভর আমলাতান্ত্রিক ও ব্যবসায়ী ফায়দার ওপর ভর করে বেঁচে থাকতে ভালোবাসি। একদিকে উর্বর পলিমাটিতে ঢালাইয়ের কংক্রিট ঢালা, অন্যদিকে বিদেশি চাল-গমের জাহাজের দিকে চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকা— এই দ্বিমুখী তামাশা শুধু আমরাই পারি!

কাগজে-কলমে কৃষিতে বিশ্বমুকুট পরে থাকা আর বাস্তব থালায় আমদানি করা অন্নের ওপর নির্ভর করা— এই পরিহাস হয়তো আমাদেরই মানায়! এখনই যদি কড়া আইনের মাধ্যমে আবাদি জমি রক্ষা করা না যায়, পতিত জমি চাষে বাধ্য না করা হয় এবং কৃষকদের সঠিক মূল্য না দেওয়া হয়, তবে একদিন ‘বিশ্বের শীর্ষ চাষযোগ্য জমির দেশ’-এর ভৌগোলিক গৌরব বুকে নিয়েই আমাদের ইতিহাস তৈরি করতে হবে অনাহারের তালিকায়।

সম্পাদকীয়বদ্বীপবিশ্বব্যাংকচাষযোগ্য জমি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬  কর্মকর্তার

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬ কর্মকর্তার

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    জুতা দিয়ে টেবিলে আঘাত থেকে সনদ ছেঁড়া, জাতিসংঘে স্মরণীয় ৬ মুহূর্ত

    জুতা দিয়ে টেবিলে আঘাত থেকে সনদ ছেঁড়া, জাতিসংঘে স্মরণীয় ৬ মুহূর্ত

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    রাজপথে বিএনপি, লক্ষ্য তিনটি

    রাজপথে বিএনপি, লক্ষ্য তিনটি

    বিএনপি-এনসিপি কর্মীদের হট্টগোল, তোপের মুখে হান্নান মাসউদ

    বিএনপি-এনসিপি কর্মীদের হট্টগোল, তোপের মুখে হান্নান মাসউদ

    বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে হামলার শিকার তরুণী, থানায় অভিযোগ

    বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে হামলার শিকার তরুণী, থানায় অভিযোগ