Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
এক হাতেই মানবতার জয়
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

ব্রহ্মোস বনাম জেএফ-১৭

সাজ্জাদুল ইসলাম নয়ন
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪
ব্রহ্মোস বনাম জেএফ-১৭

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত-পাকিস্তানের ভূরাজনীতি বড় বিচিত্র। একসময় ভারত ছিল অস্ত্রের বড় ক্রেতা। বিশ্ববাজারে গিয়ে অস্ত্র পছন্দ করত, দরদাম করত, তারপর কিনে আনত। এখন সে নিজেই বিক্রেতা। তার শোরুমে সবচেয়ে ঝলমলে পণ্যের নাম ব্রহ্মোস। একেকটি দেশের দিকে ব্রহ্মোস নিয়ে এগিয়ে যাওয়া মানে শুধু ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি নয়; তার সঙ্গে যাচ্ছে ভারতের কূটনৈতিক উপস্থিতি, সামরিক সম্পর্ক এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করার ইচ্ছা। অন্যদিকে পাকিস্তানও চুপচাপ না। সে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সামনে রেখে নিজের হিসাব মেলাচ্ছে। যেখানেই সম্ভাবনা, সেখানেই ইসলামাবাদ তার প্রতিরক্ষা শিল্পের বিজ্ঞাপন খুলে বসছে।

নতুন এই লড়াই আর শুধু ভারত বনাম পাকিস্তান যুদ্ধ নয়; এটি অস্ত্রের চালানে প্রভাব বলয় গড়ার নতুন ভূরাজনীতি। ব্রহ্মোস আর জেএফ-১৭ এখানে রাষ্ট্রের কূটনৈতিক পরিচয়পত্র, বাজারের টিকিট এবং আঞ্চলিক ক্ষমতার নতুন ভাষা।

ভারত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি ছিল ৬৮৬ কোটি রুপি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ হাজার ৪২৪ কোটি রুপিতে। এই যাত্রার প্রথম বড় সাফল্য ফিলিপাইন। ২০২২ সালে ফিলিপাইন ভারতের কাছ থেকে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার চুক্তি করে। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সঙ্গে ফিলিপাইনের টানাপড়েন বহুদিনের। সেই প্রেক্ষাপটে ফিলিপাইনের হাতে ব্রহ্মোস যাওয়া একধরনের কূটনৈতিক বার্তাও। এরপর আসে ভিয়েতনাম। ভারতের প্রতিরক্ষা সচিবের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের মে মাসে ভিয়েতনামের সঙ্গে ব্রহ্মোস সরবরাহের চুক্তি হয়েছে। ভিয়েতনামের সঙ্গেও চীনের সামুদ্রিক বিরোধ আছে। ইন্দোনেশিয়ার ক্ষেত্রেও একই ছবি। দেশটি ভারতের কাছ থেকে ব্রহ্মোস সংগ্রহের বিষয়ে এগিয়েছে। ইন্দোনেশিয়া কোনো সাধারণ ভৌগোলিক বিন্দু নয়। মালাক্কা প্রণালি, ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর মিলিয়ে সে যেন সমুদ্রপথের গেটকিপার। মানে নয়াদিল্লি তার ‘ইন্দো-প্যাসিফিক’ নীতিকে কাগজ থেকে বাস্তব জলে নামাতে চাইছে।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় খবরটি এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ঘিরে। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভারত আমিরাতের সঙ্গে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশতীর এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্ত্রের বাজারে বহু বছর ধরে ওয়াক ওভার পেয়ে এসেছিল পশ্চিমা দেশগুলো। সেই অঞ্চলে ভারত যদি ব্রহ্মোস নিয়ে ঢোকে, তবে সেটি নিছক ব্যবসায়িক সফর বলা ঠিক হবে না।

এই লড়াই আর শুধু ভারত বনাম পাকিস্তান যুদ্ধ নয়; এটি অস্ত্রের চালানে প্রভাব বলয় গড়ার নতুন ভূরাজনীতি। ব্রহ্মোস আর জেএফ-১৭ এখানে রাষ্ট্রের কূটনৈতিক পরিচয়পত্র, বাজারের টিকিট এবং আঞ্চলিক ক্ষমতার নতুন ভাষা

আগে থেকেই আরব আমিরাতের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রবাসী ভারতীয় শ্রমবাজারে শক্তিশালী। কোনো দেশ কারও কাছ থেকে চাল, ডাল, তেল কিনলে সম্পর্ক হয় বাণিজ্যিক। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্র বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনলে সম্পর্ক হয় ‘আন্তরিক’। কারণ, এই কেনার সঙ্গে আঠার মতো লেগে থাকে প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা, সামরিক যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক আস্থা। একবার এই দরজা খুললে রাষ্ট্রের ভেতরে রাষ্ট্রের জায়গা তৈরি হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সামরিক সম্পর্ক ছিল, আছে। এখন ভারত যদি ব্রহ্মোস ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নিয়ে ওই অঞ্চলে প্রবেশ করতে চাচ্ছে। অবশ্য ব্রহ্মোস নিয়ে ভারতের পথ পুরোপুরি মসৃণ নয়। এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারত-রাশিয়ার যৌথ প্রকল্প। ফলে রপ্তানির ক্ষেত্রে রাশিয়ার ভূমিকা, অনুমোদন, প্রযুক্তিগত শর্ত— এসব হিসাবও আছে।

অন্যদিকে, পাকিস্তান জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সামনে রেখে চাল সাজাচ্ছে। জেএফ-১৭ পাকিস্তান ও চীনের যৌথভাবে তৈরি যুদ্ধবিমান। সরকারি তথ্যমতে, ২০২৪ সালে পাকিস্তান আজারবাইজানের কাছে জেএফ-১৭ ব্লক-৩ যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি করে। দক্ষিণ ককেশাসে আজারবাইজানের সামরিক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান যাওয়া মানে ইসলামাবাদ নিজের প্রতিরক্ষা শিল্পকে দক্ষিণ এশিয়ায় আটকে রাখতে চাইছে না।

বাংলাদেশকে ঘিরেও পাকিস্তানের জেএফ-১৭ আলোচনা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এসেছে। গত জানুয়ারিতে রয়টার্স জানায়, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং জেএফ-১৭ বিক্রি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। ১৯৭১ সালের ইতিহাস এখনো কূটনীতির টেবিলের নিচে চুপচাপ বসে আছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সৌদি ঋণকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান চুক্তিতে রূপ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছে। এটা প্রতিরক্ষা-কূটনীতির নতুন রূপ। ঋণ, অস্ত্র, নিরাপত্তা, বন্ধুত্ব; সব মিলে এক প্যাকেজ।

ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গেও পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও ড্রোন-সংক্রান্ত আলোচনা এগিয়েছে বলে খবর এসেছে। একই ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ভারত ব্রহ্মোস নিয়ে এগোচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া এখন দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির প্রতিরক্ষা-কূটনীতির মর্যাদার লড়াই।

লিবিয়া ও সুদানের ক্ষেত্রেও পাকিস্তানের অস্ত্র চুক্তি নিয়ে খবর এসেছে। তবে এসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, আঞ্চলিক আপত্তি এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির জটিলতা রয়েছে। ফলে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা রপ্তানি কৌশল সম্ভাবনাময় হলেও ঝুঁকিহীন নয়। অস্ত্র বিক্রি করতে গেলে শুধু ক্রেতা পেলেই হয় না; আন্তর্জাতিক রাজনীতিও সামলাতে হয়।

ভারত ও পাকিস্তানের কৌশলের মধ্যে পার্থক্য পরিষ্কার। ভারত উচ্চপ্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ প্রতিরক্ষা এবং সামুদ্রিক প্রতিরোধ সক্ষমতা সামনে রাখছে। পাকিস্তান তুলনামূলক সাশ্রয়ী যুদ্ধবিমান, প্রশিক্ষণ বিমান ও ড্রোন প্যাকেজ দিয়ে বাজার ধরতে চাইছে। ভারতের লক্ষ্য ইন্দো-প্যাসিফিক ও উপসাগরীয় অঞ্চল; পাকিস্তানের লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ ককেশাস, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং সম্ভাব্যভাবে বাংলাদেশ।

যে রাষ্ট্র অস্ত্র দেয়, সে শুধু পণ্য দেয় না; সে প্রশিক্ষণ দেয়, যন্ত্রাংশ দেয়, সফটওয়্যার আপডেট দেয়, সামরিক সফর আয়োজন করে, যৌথ মহড়ার দরজা খোলে এবং অনেক সময় রাজনৈতিক অবস্থানেও প্রভাব ফেলে। চালান পৌঁছানো দিয়েই অস্ত্র বিক্রি শেষ হয় না; বরং অনেক সময় সেদিন থেকেই সম্পর্কের আসল পথ হাঁটা শুরু হয়।

সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত-পাকিস্তানের শক্তির রাজনীতি নতুন এক পর্যায়ে ঢুকেছে। আগে ভারত-পাকিস্তান প্রতিযোগিতা মানেই ছিল সীমান্ত, কাশ্মীর, পারমাণবিক নীতি বা যুদ্ধবিমান মোতায়েন। এখন প্রতিযোগিতা ছড়িয়ে পড়ছে বৈশ্বিক অস্ত্রবাজারে। ভালো দিক হলো, দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে গুরুত্ব পাচ্ছে। খারাপ দিক হলো, আঞ্চলিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরও সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। কারণ, অস্ত্রের ব্যবসা কখনো নিরীহ ব্যবসা নয়। চা-ওয়ালার দোকানের সামনে মানুষ আড্ডা দেয়; কিন্তু অস্ত্র বেচা-বিক্রি হলে রাষ্ট্রগুলো শত্রু খোঁজে কামান দাগানোর।

 

লেখক: সাংবাদিক 

দক্ষিণ এশিয়াভূরাজনীতিভারতপাকিস্তানকলাম
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৫ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    স্পেন
    ০
    ১৬ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    এমসিকিউর পূর্ণ সময় পাননি কুমিল্লা বোর্ডের শতাধিক পরীক্ষার্থী

    এমসিকিউর পূর্ণ সময় পাননি কুমিল্লা বোর্ডের শতাধিক পরীক্ষার্থী

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০০:১৫

    প্রধানমন্ত্রীর বহরের গাড়িতে ইটের টুকরা, রাত পর্যন্ত সূত্র পেল না পুলিশ

    প্রধানমন্ত্রীর বহরের গাড়িতে ইটের টুকরা, রাত পর্যন্ত সূত্র পেল না পুলিশ

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:১৪

    মিরপুরে ‘স্বপ্ন’র আউটলেট

    মিরপুরে ‘স্বপ্ন’র আউটলেট

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৯

    রপ্তানিকারকদের ডলার-টাকা সোয়াপ সুবিধা বাড়ল

    রপ্তানিকারকদের ডলার-টাকা সোয়াপ সুবিধা বাড়ল

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৯

    মতপার্থক্য থাকলেও ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মতপার্থক্য থাকলেও ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২

    ৪ মাসে ২০০০ বদলি চক্রের পকেটে ৬০ কোটি

    ৪ মাসে ২০০০ বদলি চক্রের পকেটে ৬০ কোটি

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৫০

    অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়া জরুরি

    অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়া জরুরি

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০

    এক হাতেই মানবতার জয়

    এক হাতেই মানবতার জয়

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:১০

    ইরানে চলছে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পাল্টা হামলার দাবি তেহরানেরও

    ইরানে চলছে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পাল্টা হামলার দাবি তেহরানেরও

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৭

    গার্লস কলেজে শিক্ষকতা করায় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারিকে অব্যাহতি

    গার্লস কলেজে শিক্ষকতা করায় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারিকে অব্যাহতি

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২

    বালু উত্তোলনে বাঁধ ভাঙার জেরে ফেসবুকে দোষারোপ, দুই গ্রামে সংঘর্ষ

    বালু উত্তোলনে বাঁধ ভাঙার জেরে ফেসবুকে দোষারোপ, দুই গ্রামে সংঘর্ষ

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৬

    আবেগে মোড়ানো এক ম্যাচ

    আবেগে মোড়ানো এক ম্যাচ

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৫

    রোহিঙ্গাদের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার হার সবচেয়ে বেশি

    রোহিঙ্গাদের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার হার সবচেয়ে বেশি

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪

    ‘ইরান থাকুক বা না থাকুক, হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে’

    ‘ইরান থাকুক বা না থাকুক, হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে’

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৭

    অনুমোদনের আগেই প্রকল্পের অর্ধেক টাকা খরচ

    অনুমোদনের আগেই প্রকল্পের অর্ধেক টাকা খরচ

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:০১

    advertiseadvertise