Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
শিশুদের সংগীত শিক্ষায় উয়েরার গুরুগৃহ
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

পুরুষের ডে-কেয়ার লাগে না বলেই...

মোনছেফা তৃপ্তি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৭
পুরুষের ডে-কেয়ার লাগে না বলেই...

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

আমাদের সমাজে সন্তান জন্মের পর দায়িত্বের বণ্টনটা খুব অদ্ভুত। বাবা-মা হয়ে যাওয়ার পর আমাদের কর্মজীবী মা-বাবার গল্পটা ভিন্ন হয়ে যায়। একজন পুরুষ বাবা হন, কিন্তু তার কর্মজীবন প্রায় আগের নিয়মেই চলতে থাকে। একজন নারী মা হন আর তার চাকরির সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় আরেকটি অদৃশ্য কাজের তালিকা। বাচ্চাকে কে দেখবে, অফিসে বেশি সময় থাকতে হলে কী হবে, অন্য শহরে পোস্টিং হলে কী হবে, চ্যালেঞ্জিং কোনো দায়িত্ব এলে কী হবে, প্রমোশনের সঙ্গে কাজের চাপ বাড়লে কী হবে— এসব প্রশ্ন তার পেশাগত যোগ্যতার অংশ নয়, কিন্তু ধীরে ধীরে তার ক্যারিয়ারের অংশ হয়ে যায়। একজন নারীকে শুধু কাজের জন্য যোগ্য হলেই হয় না; তাকে একই সঙ্গে প্রমাণ করতে হয় যে, সন্তান সামলানোর ব্যবস্থাটাও সে করে রেখেছে অথবা তাকেই কাজটি করতে হবে।

ধরা যাক, পরিস্থিতিটা উল্টো। মাতৃদুগ্ধের প্রয়োজনীয় সময়টুকু পার হওয়ার পর শিশুর দায়িত্ব মূলত বাবার। বাবাকেই প্রতিদিন শিশুকে নিয়ে অফিসে যেতে হয়। অফিসে শিশুকে রাখার জায়গা নেই, দেখাশোনার কেউ নেই, ফলে বাবার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তখন কি আমরা বলতাম, ‘বাচ্চা তো আপনার, একটু ম্যানেজ করেন?’ নাকি অফিসে ডে-কেয়ারের ব্যবস্থা করাকে কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো হিসেবেই দেখা হতো? আমার মনে হয়, উত্তরটা খুব কঠিন নয়। যে মুহূর্তে শিশুর যত্ন পুরুষের কর্মজীবনে সরাসরি বাধা হয়ে দাঁড়াত, সেই মুহূর্তে আমরা এটাকে আর তার ব্যক্তিগত সমস্যা বলে পাশ কাটিয়ে যেতে এতটা স্বচ্ছন্দ থাকতাম না। কারণ এখনো শ্রমবাজারে পুরুষের তুলনামূলক উপস্থিতি অনেক বেশি।

কিন্তু শিশুর যত্ন যখন মায়ের কর্মজীবনে বাধা হয়, তখন আমরা খুব সহজেই বলি— ‘বাচ্চা আছে, একটু তো ছাড় দিতেই হবে।’ একজন নারীর ক্যারিয়ারের যে সুযোগগুলো আমরা পুরুষের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে প্রত্যাশা করি, মাতৃত্বের পর সেগুলোকে তার জন্য যেন ঐচ্ছিক বানিয়ে ফেলি। শ্রমবাজারে এ বাস্তবতার একটা নামও আছে মাদারহুড প্যানাল্টিন্ট। সন্তান হওয়ার পর নারীর কর্মজীবনে যে ক্ষতি তৈরি হয়, তার বিপরীতে পিতৃত্ব পুরুষের কর্মজীবনে একই ধরনের বাধা তৈরি করে না। একই সন্তান, অথচ শ্রমবাজারে তার প্রভাব বাবা আর মায়ের ওপর সমান নয়।

শিশুর যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব যদি পুরুষ ও নারীর মধ্যে সমানভাবে ভাগ হতো, তাহলে আমাদের প্রতিটি কর্মস্থলে ডে-কেয়ারের প্রয়োজন দেখা দিত

এর বড় একটি কারণ হলো, শিশুর যত্নকে আমরা কাজ হিসেবেই দেখি না। বুকের দুধ খাওয়ানো ছাড়া খাওয়ানো, গোসল করানো, প্রস্রাব-পায়খানা পরিষ্কার করা, ঘুম পাড়ানো, স্কুলে নিয়ে যাওয়া, অসুস্থ হলে ডাক্তারের কাছে নেওয়া কিংবা রাতে উঠে কান্না থামানো— এসবের কোনোটিই পুরুষের পক্ষে অসম্ভব নয়। তাহলে পুরুষের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার লাগে না কেন? কারণ সে শিশুকে সামলাতে পারে না, নাকি আমরা তাকে শেখাইনি যে, শিশুকে সামলানোও তার কাজ?

একই কাজ অন্য কাউকে দিয়ে করালে তার জন্য টাকা দিতে হয়, কারণ তখন সেটি ‘শ্রম’। কিন্তু মা করলে ‘মায়ের দায়িত্ব’, দাদি করলে ‘ভালোবাসা’, নানি করলে ‘সাহায্য’। এ অদৃশ্য শ্রমের ওপরই আমাদের দৃশ্যমান অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে।

বাংলাদেশের ২০২১ সালের টাইম ইউজ সার্ভেতে দেখা যায়— নারীরা পুরুষের তুলনায় অবৈতনিক যত্নসম্পর্কিত কাজে পাঁচ থেকে সাতগুণ বেশি সময় দেন। এ সংখ্যাটা শুধু ঘরের কাজ কে বেশি করেন তার হিসাব নয়। এর অর্থ হলো, একজন নারী বাইরে গিয়ে চাকরি করলেও তার কাজের দিন অফিস থেকে বের হওয়ার সঙ্গে শেষ হয় না। বাড়িতে ফিরে আরেকটি কর্মদিবস অপেক্ষা করে থাকে। ফলে একজন পুরুষের আট ঘণ্টার চাকরি আর একজন নারীর আট ঘণ্টার চাকরি কাগজে একই হলেও তাদের অবশিষ্ট সময়ের মালিকানা এক নয়।

ডে-কেয়ার কোনো কর্মজীবী মায়ের ‘সুবিধা’ নয়। এটা শিশুর যত্নের অবকাঠামো। যে সমাজে বাবা-মা দুজনই কাজ করেন, সেখানে শিশুর যত্নের একটা অংশ পরিবার থেকে প্রতিষ্ঠান ও সমাজের মধ্যে ভাগ হওয়া দরকার। নইলে যত্নের ঘাটতি কারও না কারও সময় দিয়ে পূরণ হবেই। আমাদের সমাজে সেই সময়টা সবচেয়ে সহজে পাওয়া যায় নারীর কাছ থেকে।

এ কারণেই একজন তরুণী মা চাকরিতে টিকে থাকতে পারেন, কারণ তার মা বা শাশুড়ি নাতিকে দেখছেন। একটি পরিবারে শিশু যত্নের সমস্যা আপাতত মিটে গেল। কিন্তু আসলে কি মিটল? ‘দাদি তো আছে’, ‘নানি দেখবে’— এ বাক্যগুলো শুনতে যত নিরীহ, এর ভেতরে ততটাই বড় একটা সামাজিক অনুমান আছে— কোনো একজন নারী নিশ্চয়ই থাকবেন, যিনি এ কাজটা বিনা পারিশ্রমিকে করে দেবেন।

শিশুর যত্নের প্রশ্নটা শুধু মায়ের চাকরি টিকিয়ে রাখার প্রশ্ন নয়। সন্তান হওয়ার পর একজন নারীর নিজের সময় বলে কিছু থাকে না। অথচ নিজের একান্ত সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষের বিশ্রাম, সামাজিকতা এবং ব্যক্তিগত পরিসর দরকার। পোস্ট-ডেলিভারি সময়ে, যখন শরীর ও মন দুটিই বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, তখন এ প্রয়োজন বরং আরও বেশি।

শিশুর একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত তার যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব যদি পুরুষ ও নারীর মধ্যে সমানভাবে ভাগ হতো, তাহলে আমাদের কর্মস্থলগুলোর চেহারাও নিশ্চয়ই অন্যরকম হতো। প্রতিটি কর্মস্থলে ডে-কেয়ারের প্রয়োজন দেখা দিত। মা-বাবা দুজনকেই ভাবতে হতো— সন্তানকে কে সঙ্গে রাখবেন, কার গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার আছে, কার প্রশিক্ষণ আছে, কে কর্মস্থলের বাইরে জেলা বা অন্য দেশে যাবেন। তখন শিশুর দায়িত্ব শুধু মায়ের ক্যারিয়ারের বাধা হয়ে দাঁড়াত না।

পুরুষের ডে-কেয়ারের প্রয়োজন হয় না কারণ তার শিশুকে দেখার জন্য কোথাও না কোথাও একজন নারী থাকেন। মা থাকেন, স্ত্রী থাকেন, দাদি থাকেন, নানি থাকেন। অর্থাৎ ডে-কেয়ারের প্রয়োজনটা অদৃশ্য করে রাখতেও শেষ পর্যন্ত একজন নারীর শ্রমই লাগে।

 

লেখক:  পরিবেশ ও নারী অধিকারকর্মী

ডে-কেয়ারশিশুপরিবেশ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’, সৌদি থেকে রেহেনার আকুতি

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’, সৌদি থেকে রেহেনার আকুতি

    সবাইকে জামিন দিক, আমাদের সেফ কাস্টডিতে রাখুক

    সবাইকে জামিন দিক, আমাদের সেফ কাস্টডিতে রাখুক

    কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে যুবককে মারধর

    কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে যুবককে মারধর

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    আ. লীগের দুই পক্ষকে নিয়ে টানাটানি বিএনপির দুই এমপির

    আ. লীগের দুই পক্ষকে নিয়ে টানাটানি বিএনপির দুই এমপির

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, গাড়ি ভাঙচুর

    কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, গাড়ি ভাঙচুর

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    সালমানের বন্ধুর ছেলে ‘দেখতে সালমানের মতো’

    সালমানের বন্ধুর ছেলে ‘দেখতে সালমানের মতো’

    ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

    ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

    উত্থানের পর অস্বস্তির বৃত্তে জামায়াত

    উত্থানের পর অস্বস্তির বৃত্তে জামায়াত

    বিয়ে বিচ্ছেদের ঘোষণা প্রীতম-শেহতাজের

    বিয়ে বিচ্ছেদের ঘোষণা প্রীতম-শেহতাজের

    রিমান্ড শেষে আখতারুজ্জামান আদালতে, আটক রাখার আবেদন

    রিমান্ড শেষে আখতারুজ্জামান আদালতে, আটক রাখার আবেদন