Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
সচেতন করতে জহিরের দেয়াল লিখন
রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় কলাম

বড় রাষ্ট্র নয় টিকে থাকে সক্ষম রাষ্ট্র

মো. মজিবুল হক মনির
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৭:৩১
বড় রাষ্ট্র নয় টিকে থাকে সক্ষম রাষ্ট্র

গ্লোবালাইজেশন বা বিশ্বায়ন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করেছেপারস্পরিক নির্ভরতা, মুক্তবাজার এবং সহজ কিন্তু দৃঢ় এক বৈশ্বিক সংযোগ। নানা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, বহুপক্ষীয়-আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নানা সমঝোতা, চুক্তি, সনদ, ঐকমত্য পৃথিবীকে আরও সহযোগিতামূলক করে তুলবে বলেই বিশ্বাস করা হতো। কিন্তু গত এক দশকের ঘটনাপ্রবাহ নড়বড়ে করে দিয়েছে সেই বিশ্বাস। এখন বরং এটাই প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রগুলোকে নিজের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার সক্ষমতা নিজেকেই অর্জন করতে হবে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে যখন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন মানবসভ্যতার সামনে এই স্বপ্ন তুলে ধরা হয়েছিল যে এমন একটি বিশ্বব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যেখানে সবল রাষ্ট্র দুর্বল রাষ্ট্রের ওপর আঘাত হানতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট তখন বলেছিলেন, ‘সম্মিলিত নিরাপত্তার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে ভবিষ্যৎ বিশ্বের ভিত্তি।’

জাতিসংঘ যখন একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে গড়ে উঠল, তখন অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার কথাও বিবেচনা করেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ। রাষ্ট্রগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা আনা গেলে বিশ্বে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হবে, এটাই ছিল লক্ষ্য।

জাতিসংঘ আজও বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠান; কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজা সংকট কিংবা বিভিন্ন আঞ্চলিক সংঘাতে এ প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতার দিকটি প্রকটভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শক্তিশালী দেশ প্রকাশ্যে অনেক চুক্তি, সনদ বরখেলাপ করলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হচ্ছে জাতিসংঘ।

এমন একটি বিশ্বব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যেখানে সবল রাষ্ট্র দুর্বল রাষ্ট্রের ওপর আঘাত হানতে পারবে না

ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, লোহিত সাগরে নিরাপত্তা সংকটসহ সবকিছু মিলিয়ে আজকের বিশ্ব ক্রমে আরও অনিশ্চিত ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অন্যতম প্রভাবশালী তাত্ত্বিক কেনেথ ওয়াল্টজ আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নৈরাজ্যকর হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, রাষ্ট্রগুলোকে এখন টিকে থাকতে হবে নিজেদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, সামরিক শক্তি আর চতুর কৌশলের মাধ্যমে।

ন্যাটোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইউরোপের ন্যাটো সদস্যদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাস্তব অর্থে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পোল্যান্ড বর্তমানে জিডিপির প্রায় ৪.৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করছে। জার্মানি ১০০ বিলিয়ন ইউরোর অধিক প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন তহবিল গঠন করেছে। ঐতিহাসিকভাবে নিরপেক্ষ ফিনল্যান্ড ও সুইডেনও এখন ন্যাটো জোটে যোগ দিয়েছে। গ্রিনল্যান্ড এবং পরে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ন্যাটোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মতভেদের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোও এখন প্রকাশ্যেই বলছে— নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিও একই শিক্ষা দেয়। ইরানকে নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয় অস্বীকার করা কঠিন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, আঞ্চলিক চাপ এবং দীর্ঘ বৈরিতার মধ্যেও দেশটি নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তোলাকে রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার দিয়েছে। ছোট বা মাঝারি আকারের রাষ্ট্র হয়েও ইরান আঞ্চলিক রাজনীতিতে পুরোপুরি প্রান্তিক হয়ে যায়নি। কারণ, বর্তমান বিশ্বে কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন কৌশলগত স্থিতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং রাষ্ট্রীয় আত্মবিশ্বাস।

বাংলাদেশকে তাই বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতা সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় নিয়ে সাজাতে হবে এর আগামীর পররাষ্ট্রনীতি। ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল, ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্যপথ— সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের ভৌগোলিক গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। বাংলাদেশ গত দেড় দশকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ৬ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুততম প্রবৃদ্ধির অন্যতম।

কিন্তু এই সাফল্যের মধ্যে আছে বড় ঝুঁকিও! বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে যেকোনো বড় পরিবর্তন বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সরাসরি চাপে ফেলতে পারে। এ কারণে বাংলাদেশের জন্য ‘মধ্যম শক্তি’ হওয়ার প্রশ্নটি শুধু সামরিক বা কূটনৈতিক নয়; এটি মূলত অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার প্রশ্ন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশারদ রবার্ট কেওহানে মধ্যম শক্তিকে বলেছিলেন এমন রাষ্ট্র, যারা এককভাবে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বাস্তব প্রভাব রাখতে সক্ষম। বর্তমান বিশ্বে ভিয়েতনাম, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত কিংবা সৌদি আরব নিজেদের সেই অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

ভিয়েতনামের উদাহরণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক দশক আগেও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি আজ বৈশ্বিক উৎপাদন ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। স্যামসাং, ইনটেল, অ্যাপলসহ বহু প্রযুক্তি কোম্পানি এখন ভিয়েতনামকে বিকল্প উৎপাদন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে। কারণ, দেশটি শুধু শ্রমশক্তি নয়; দীর্ঘমেয়াদি শিল্পনীতি, অবকাঠামো ও কৌশলগত স্থিতিশীলতার ওপর বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশেরও একই সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় ১৭ কোটির বাজার, বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী এবং শ্রমশক্তি ভবিষ্যৎ অর্থনীতির বড় সম্পদ হতে পারে। কিন্তু এর জন্য চাই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সুশাসনকে শক্তিশালী করা।

ব্রুকিং ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় বলা হয়, দুর্বল রাষ্ট্রগুলো শুধু নিজেদের নাগরিকের জন্য নয়, আঞ্চলিক অর্থনীতি ও স্থিতিশীলতার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। রাষ্ট্র যদি নিজেই দুর্বল হয়, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে উন্নয়নও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।

লেবানন এ ক্ষেত্রে বড় একটা উদাহরণ। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর কিংবা ভিয়েতনাম দেখিয়েছে, কার্যকর রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রযুক্তি বিনিয়োগ ও কৌশলগত সক্ষমতা কীভাবে একটি দেশকে কয়েক দশকের মধ্যে বদলে দিতে পারে। সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা লি কুয়ান বলেছিলেন, ছোট রাষ্ট্রের জন্য দক্ষতা ও সক্ষমতার কোনো বিকল্প নেই।

বাংলাদেশের জন্য এই শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, মধ্যম শক্তি হওয়ার অর্থ শুধু বড় অবকাঠামো প্রকল্প নয়; বরং এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলা, যেখানে প্রশাসন দক্ষ, বিচারব্যবস্থা কার্যকর, নীতিনির্ধারণে ধারাবাহিকতা আছে এবং বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আস্থা তৈরি হয়। ইতিহাস বলছে, দুর্বল রাষ্ট্র দীর্ঘ মেয়াদে কল্যাণ রাষ্ট্র হতে পারে না। যে রাষ্ট্র নিজের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও নীতিগত স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারে না, সে রাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তাও দীর্ঘ মেয়াদে নিশ্চিত করতে পারে না।

ইতিহাসে টিকে থাকে না সবচেয়ে বড় রাষ্ট্র; টিকে থাকে সবচেয়ে সক্ষম রাষ্ট্র। আর সেই সক্ষমতা শুধু অস্ত্রে নয়; গড়ে ওঠে অর্থনীতি, প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি ও কৌশলগত দূরদর্শিতায়।

 

লেখক: গবেষক ও উন্নয়নকর্মী

 

রাষ্ট্রসম্পাদকীয়অর্থনৈতিকগ্লোবালাইজেশনবিশ্বায়ন
    শেয়ার করুন:
    মন্ত্রণালয়ের নির্দেশও মানে না আরইবি

    মন্ত্রণালয়ের নির্দেশও মানে না আরইবি

    ২৪ মে ২০২৬, ০০:০০

    সাগরে তেল-গ্যাসে নতুন আশা দরপত্র আহ্বান আজ

    সাগরে তেল-গ্যাসে নতুন আশা দরপত্র আহ্বান আজ

    ২৩ মে ২০২৬, ২৩:২৪

    ধানমন্ডি লেকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র : ক্ষমতার খপ্পরে সংস্কৃতি!

    ধানমন্ডি লেকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র : ক্ষমতার খপ্পরে সংস্কৃতি!

    ২৪ মে ২০২৬, ০১:০২

    ঝাঁক বেঁধে বড় আন্দোলনের পথে তেলাপোকা

    ঝাঁক বেঁধে বড় আন্দোলনের পথে তেলাপোকা

    ২৪ মে ২০২৬, ০০:৩৮

    সচেতন করতে জহিরের দেয়াল লিখন

    সচেতন করতে জহিরের দেয়াল লিখন

    ২৩ মে ২০২৬, ০৫:০৭

    কোয়াডের তিন দিন আগেই ভারতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    কোয়াডের তিন দিন আগেই ভারতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ২৩ মে ২০২৬, ২৩:১৮

    ত্রিশালে ‘নজরুল মেলা’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

    ত্রিশালে ‘নজরুল মেলা’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

    ২৩ মে ২০২৬, ২২:৫৬

    সিনেমা দেখে দীর্ঘ সময়ের করতালি, গুরুত্ব কতটা?

    সিনেমা দেখে দীর্ঘ সময়ের করতালি, গুরুত্ব কতটা?

    ২৪ মে ২০২৬, ০০:২৯

    ২ হাজার কোটি টাকার কম মূলধনের ব্যাংক নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না

    ২ হাজার কোটি টাকার কম মূলধনের ব্যাংক নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না

    ২৪ মে ২০২৬, ০১:১৯

    প্রতীকী ‘শিশুমর্গে’ প্রাচ্যনাটের প্রতিবাদ

    প্রতীকী ‘শিশুমর্গে’ প্রাচ্যনাটের প্রতিবাদ

    ২৩ মে ২০২৬, ২২:৫৬

    ফের কমল উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম

    ফের কমল উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম

    ২৪ মে ২০২৬, ০০:২১

    স্বর্ণপাম জিতলো রোমানিয়ান সিনেমা

    স্বর্ণপাম জিতলো রোমানিয়ান সিনেমা

    ২৪ মে ২০২৬, ০১:৫৬

    চুক্তির ‘অনেক কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    চুক্তির ‘অনেক কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    ২৩ মে ২০২৬, ২২:৫০

    যুদ্ধবিরতি চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

    যুদ্ধবিরতি চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

    ২৪ মে ২০২৬, ০৩:৪৪

    একেক সময় একেক কথা ট্রাম্পের

    একেক সময় একেক কথা ট্রাম্পের

    ২৪ মে ২০২৬, ০২:২৭

    advertiseadvertise