Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
গরিবের ডাক্তার খুরশীদ আলম
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

বিশ্ব প্রবীণ দিবস

বোঝা নয় আলোকবর্তিকা

অধ্যাপক তাহমিনা আখতার
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৬
বোঝা নয় আলোকবর্তিকা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বাংলাদেশের জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ অনুযায়ী, ৬০ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী ব্যক্তিকে প্রবীণ বা সিনিয়র সিটিজেন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯ শতাংশের বেশি মানুষ ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী। UNFPA Bangladesh-এর তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে ৬০ বা এর অধিক বয়সী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৯ দশমিক ৩ শতাংশ, অর্থাৎ দেড় কোটির বেশি। অন্যদিকে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত ২০২৬ সালের এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০৫০ সালে বাংলাদেশে প্রতি পাঁচজনের একজনের বয়স হবে ৬০ বছর। প্রবীণ জনগোষ্ঠীর হার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ জন্মহার কমে আসা, মৃত্যুহার হ্রাস এবং আয়ু বৃদ্ধি।

বর্তমানে এ বিশালসংখ্যক জনগোষ্ঠী নানাবিধ সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করছে। প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের দৃষ্টিক্ষমতা, শ্রবণক্ষমতা, উচ্চারণক্ষমতা, দৈহিক তৎপরতা ও চলাচলের দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়। বয়সের সঙ্গে রোগের সম্পর্ক রয়েছে। অধিকাংশ প্রবীণ ব্যক্তি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি রোগ, বাত, হাঁপানি, শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছেন। অন্যদিকে প্রবীণবান্ধব স্বাস্থ্যব্যবস্থা বাংলাদেশে এখনো পর্যাপ্ত নয়। একজন ৭২ বছরের রোগীর একই সঙ্গে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হতাশা ও চোখে সমস্যা থাকতে পারে। এজন্য দরকার জিরিয়াট্রিক অ্যাসেসমেন্ট, মেডিকেশন রিভিউ, রিহ্যাবিলিটেশন, নিউট্রিশন, ফিজিওথেরাপি, মেন্টাল হেলথ স্ক্রিনিং এবং ফ্যামিলি সাপোর্টের মতো সেবা, যা বাংলাদেশে অপ্রতুল।

যৌথ পরিবার ভেঙে একক পরিবার গড়ে ওঠাও প্রবীণ জনগোষ্ঠীকে সংকটে ফেলেছে। শহর বা গ্রামের বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে ঘুমের পরিমাণ হ্রাস, শারীরিক অপরিচ্ছন্নতা, অপরিষ্কার পরিধেয় পোশাক, অস্বাস্থ্যকর বিছানা দেখা যায়। বর্তমানে প্রবীণ জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বড় যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, তা হলো অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতা। বিশেষত বাংলাদেশের বিশাল ইনফরমাল লেবার ফোর্সের বড় অংশ বৃদ্ধ বয়সে ফরমাল রিটায়ারমেন্ট বেনিফিট বা পেনশন পান না। নিয়মিত আয়ের অভাব থাকার কারণে বৃদ্ধ বয়সে এ জনগোষ্ঠী সন্তান বা আত্মীয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুেচ্ছদে বলা হয়েছে, সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতা-পিতাহীন বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতির কারণে প্রবীণদের সরকারি সাহায্য লাভের অধিকার রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে প্রবীণদের জন্য সবচেয়ে বড় সরকারি ক্যাশ ট্রান্সফার হচ্ছে বয়স্ক ভাতা। ৬৫০ টাকা মাসিক মানে দৈনিক গড়ে ২১-২২ টাকা দেওয়া হয়। এটি প্রবীণের পূর্ণ জীবিকা বহন করার মতো পেনশন নয়; বরং এটি সীমিত পরিসরে সামাজিক সহায়তা ব্যবস্থার একটি অংশ।

প্রবীণদের বোঝা নয়; অধিকারসম্পন্ন, অভিজ্ঞ ও প্রজ্ঞাবান নাগরিক হিসেবে দেখতে হবে। তাদের অধীত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে সমাজ ও সময়কে এগিয়ে নিলেই হবে যথার্থ মূল্যায়ন

অধিকাংশ প্রবীণের অন্যতম বড় সমস্যা হলো একাকিত্ব। বেশিরভাগ সময় এই একাকিত্ব থেকে হীনম্মন্যতা ও নিরাপত্তাহীনতা বোধ তৈরি হয়। সাধারণত সন্তানের কর্মস্থল অন্য শহরে বা বিদেশ হওয়ায় সেখানে চলে যায়। জীবনসঙ্গীর মৃত্যু হওয়া, বন্ধুবান্ধব ও সমবয়সীদের মৃত্যু, অবসরের পর ওয়ার্কপ্লেস নেটওয়ার্ক হারিয়ে যাওয়া, চলাফেরা কমে যাওয়া— এই সবকিছু একাকী হওয়ার পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে এল্ডারলি অ্যাবিউসের ঘটনা প্রায়ই শুনতে পাওয়া যায়। এই সমস্যার ধরনগুলো হলো শারীরিক নির্যাতন, গালাগাল, অপমান, অর্থ কেড়ে নেওয়া, সম্পত্তি লিখে দেওয়ার চাপ, চিকিৎসা না করানো, খাবার বা ওষুধ না দেওয়া, ইচ্ছার বিরুদ্ধে একা রাখা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার কেড়ে নেওয়া, অবহেলা ইত্যাদি। এরকম অ্যাবিউসিভ ঘটনা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের কোনো না কোনো প্রান্তে ঘটে চলেছে। তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রবীণ নির্যাতনের সঙ্গে সম্পত্তির বিরোধ, উত্তরাধিকার, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং আর্থিক নির্ভরতা তুলনামূলকভাবে বেশি যুক্ত। লক্ষণীয়, বাংলাদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অতিরিক্ত গরম বা নদীভাঙনের সময় প্রবীণরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। কারণ তাদের দ্রুত চলাচলে অক্ষমতা, নিয়মিত ওষুধনির্ভরতা, ক্রনিক ডিজিজ, গরম সহ্যক্ষমতা না থাকা, এসিস্টিভ ডিভাইসের প্রয়োজন ইত্যাদি। এ ছাড়া অপুষ্টির কারণে পড়ে যাওয়া, চলাচলে সমস্যাও উল্লেখযোগ্য। প্রবীণদের বোঝা হিসেবে দেখার প্রবণতাও সমাজে বেড়েই চলেছে।

বিদ্যমান অবস্থায় প্রবীণদের প্রতি আমাদের করণীয় রয়েছে অনেক কিছু। প্রথমত, আর্থিক নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। বয়স্ক ভাতা, পেনশন ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও কার্যকর করতে হবে, যাতে প্রবীণদের অন্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করতে না হয়। দ্বিতীয়ত, প্রবীণবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সহজ চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানো জরুরি। তৃতীয়ত, পরিবারের ভূমিকা শক্তিশালী করতে হবে। প্রবীণদের সময় দেওয়া, মতামতের মূল্য দেওয়া এবং পারিবারিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখলে একাকিত্ব ও মানসিক চাপ কমে। চতুর্থত, সামাজিক অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে হবে। প্রবীণ ক্লাব, সামাজিক মিলনকেন্দ্র, বিনোদন ও স্থানীয় কার্যক্রমে তাদের সক্রিয় ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে সহায়তা করতে পারে। পঞ্চমত, নির্যাতন ও অবহেলা রোধ করতে হবে। আইনি সুরক্ষা, সচেতনতা এবং অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া প্রবীণদের বোঝা নয়; অধিকারসম্পন্ন, অভিজ্ঞ ও প্রজ্ঞাবান নাগরিক হিসেবে দেখতে হবে। তাদের অধীত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে সমাজ ও সময়কে এগিয়ে নিলেই হবে যথার্থ মূল্যায়ন। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগেই তাদের মর্যাদাপূর্ণ বার্ধক্য নিশ্চিত করা সম্ভব। সর্বোপরি, নতুন প্রজন্মকে বার্ধক্য সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া ও এর জন্য প্রস্তুত করে তুলতে হবে।

 

লেখক: উপাচার্য, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়

 

বোঝা নয়আলোকবর্তিকাপ্রবীণনীতিমালাসিনিয়র সিটিজেনকলাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    নারীদের সঙ্গে ‘অবাধ বিচরণ’-চুরির অভিযোগে আম্মারকে অব্যাহতি দেয় শিবির

    নারীদের সঙ্গে ‘অবাধ বিচরণ’-চুরির অভিযোগে আম্মারকে অব্যাহতি দেয় শিবির

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটিকে ‘লালকার্ড দেখাচ্ছেন’ বিএনপির এমপিরা

    চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটিকে ‘লালকার্ড দেখাচ্ছেন’ বিএনপির এমপিরা

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

    শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

    ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই চট্টগ্রামের ১২ কারাগারে

    ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই চট্টগ্রামের ১২ কারাগারে

    অকালে ঝরে যাওয়া এক সুরেলা স্বপ্ন

    অকালে ঝরে যাওয়া এক সুরেলা স্বপ্ন

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব

    মধ্যরাতে ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা

    মধ্যরাতে ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা

    ফনিক্স ফান্ডে বিধি লঙ্ঘন

    ফনিক্স ফান্ডে বিধি লঙ্ঘন