শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

বাঁ থেকে কুমিল্লা জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আবদুল কাইয়ুম, চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সানাউল্লাহ সরকার ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিক দেওয়ান।
কুমিল্লার মেঘনায় শ্রমিক দলের সদস্যসচিব মো. মহাসিন প্রধানের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মামলায় আরও ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে মেঘনা থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলাটি করেন মহাসিন প্রধান।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের নলচর গ্রামে মহাসিন প্রধানের বাড়িতে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল যায়। এ সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সানাউল্লাহ সরকার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিক দেওয়ান, কুমিল্লা জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আবদুল কাইয়ুমসহ অন্যরা সেখানে ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে মহাসিন প্রধানের বাড়িতে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক রবিউল্লাহ রবি ও তার সহযোগীরা অভিযুক্তদের সহযোগিতা করেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদী মহাসিন প্রধান বলেন, ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে সানাউল্লাহ সরকার, শফিক দেওয়ান ও আবদুল কাইয়ুমসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নলচর গ্রামে সংঘবদ্ধ হন। এ সময় তিনি ও তার লোকজন বাধা দিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বাড়িতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরপর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রবিউল্লাহ রবি ও তার সহযোগীরা তাদের সহযোগিতা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ওসি মো. শহীদুল ইসলাম জানান, নলচর গ্রামে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মহাসিন প্রধান বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মঙ্গলবার রাতে বিস্ফোরক আইনে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।



