Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
২১০০ কবর খুঁড়েছেন জাকির
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

নতুন অস্ত্র ক্রিয়েটিভ ইকোনমি

সাকিফ শামীম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১১
নতুন অস্ত্র ক্রিয়েটিভ ইকোনমি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বিশ্ব অর্থনীতি এখন আর আগের সমীকরণে চলছে না। একসময় অর্থনৈতিক শক্তির প্রধান ভিত্তি ছিল প্রাকৃতিক সম্পদ, ভারী শিল্প বা শ্রম। আজ সেই জায়গা ক্রমে দখল করছে জ্ঞান, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন এবং মেধাস্বত্বভিত্তিক (Intellectual Property) অর্থনীতি। চলচ্চিত্র, সংগীত, অ্যানিমেশন, গেমিং, ফ্যাশন, ডিজাইন, সফটওয়্যার, ডিজিটাল কনটেন্ট, প্রকাশনা, বিজ্ঞাপন, স্থাপত্য, হস্তশিল্প, সাংস্কৃতিক পর্যটন কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সৃজনশীল সেবা— এখন কেবল সংস্কৃতির উপাদান নয়; বরং উচ্চমূল্য সংযোজনকারী অর্থনৈতিক খাত। এই খাতগুলোর সমন্বিত বিকাশই ক্রিয়েটিভ ইকোনমি।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (UNCTAD), ইউনেসকো এবং বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা (WIPO) ক্রিয়েটিভ ইকোনমিকে বৈশ্বিক অর্থনীতির দ্রুত বর্ধনশীল খাত হিসেবে চিহ্নিত করে আসছে। একটি চলচ্চিত্র, গান, ডিজিটাল গেম, ডিজাইন বা সফটওয়্যার শুধু একটি পণ্য নয়; এটি পুনরাবৃত্ত আয়ের উৎস, যদি তার মেধাস্বত্ব সুরক্ষিত থাকে।

বাংলাদেশে কপিরাইট, লাইসেন্সিং এবং রয়্যালটি ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চ-এর মতে, শিল্পী, লেখক, সফটওয়্যার নির্মাতা, গেম ডেভেলপার এবং কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল রয়্যালটি অবকাঠামো গড়ে তোলা দরকার, যেখানে সৃষ্টিকর্মের ব্যবহার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্র্যাক হবে এবং স্বচ্ছ উপায়ে রয়্যালটি বিতরণ নিশ্চিত করা যাবে। এতে সৃজনশীল পেশাকে টেকসই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে রূপান্তর করা সহজ হবে। এতে নতুন বিনিয়োগও আসবে।

বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন একটি জাতীয় ক্রিয়েটিভ ইকোনমি নীতি। যার আওতায় প্রথমত কপিরাইট, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা আধুনিকায়ন এবং কার্যকর ডিজিটাল পাইরেসি প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে

এই রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে জাতীয় বাজেটে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিকে একটি স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক খাত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি Creative Economy Development Fund গঠন করা যেতে পারে। যেখান থেকে চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন, গেমিং, ডিজাইন, সংগীত, প্রকাশনা, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং সাংস্কৃতিক উদ্যোক্তারা সহজ অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পাবেন। প্রচলিত শিল্পের মতো সৃজনশীল শিল্পেও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে এই খাত দেশের কর্মসংস্থান, রপ্তানি এবং মূল্য সংযোজনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারবে। বিশেষ করে হস্তশিল্প ও কারুশিল্প বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ। জামদানি, নকশিকাঁথা, মৃৎশিল্প, বাঁশ ও বেতের পণ্য, পাটভিত্তিক ডিজাইনের মতো পণ্যগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে দামি লাইফস্টাইল পণ্যে পরিণত হতে পারে। সঠিক ব্র্যান্ডিং, জিআই এবং রপ্তানি সহায়তা পেলে এই খাত লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম। একই সঙ্গে দেশের ঐতিহ্যবাহী সৃজনশীল পণ্যকে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে একটি Creative Export Promotion Programme গ্রহণ করতে হবে।

বর্তমানে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল লাইসেন্সিং, মিউজিক পাবলিশিং, লাইভ কনসার্ট, চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন এবং আন্তর্জাতিক কনটেন্ট প্ল্যাটফর্ম সংগীতকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পে পরিণত করেছে। একটি পরিণত ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে একজন শিল্পীর একটি কনটেন্ট থেকে বহু বছর ধরে রয়্যালটি পাওয়ার সুযোগ থাকে। বাংলাদেশেও এই কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। ডিজিটাল যুগে UI/UX ডিজাইন, ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং, মোবাইল অ্যাপ ডিজাইন, গেম ডিজাইন এবং ইন্টারঅ্যাকশন ডিজাইন দ্রুত বিকাশমান বৈশ্বিক বাজার তৈরি করেছে। বাংলাদেশের হাজারো তরুণ এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে এই খাতে কাজ করছেন। কিন্তু দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তা সহায়তা আরও শক্তিশালী করা গেলে এই খাত উচ্চমূল্যের সেবা রপ্তানির অন্যতম উৎস হতে পারে।

বাংলাদেশে অসংখ্য নারী উদ্যোক্তা ঘরে বসেই হস্তশিল্প, পোশাক ডিজাইন, হ্যান্ডমেড জুয়েলারি, ডিজিটাল আর্ট, ক্যালিগ্রাফি, অনলাইন কনটেন্ট, বেকিং, হোম ডেকর কিংবা সামাজিক মাধ্যমভিত্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করছেন। সঠিক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল মার্কেটিং, সহজ ঋণ এবং আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে এই খাত গ্রামীণ অর্থনীতি ও নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দেশের তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে ক্রিয়েটিভ স্টার্টআপগুলোর জন্য সহজ ঋণ, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, কর-প্রণোদনা এবং প্রাথমিক পর্যায়ের ব্যবসায়িক সহায়তা চালু করা প্রয়োজন।

তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও কম নয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ডিজিটাল পাইরেসি। এর ফলে নতুন বিনিয়োগ কমে যায় এবং সৃজনশীল শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। একই সঙ্গে দুর্বল কপিরাইট প্রয়োগ, সীমিত মেধাস্বত্ব সচেতনতা, কার্যকর রয়্যালটি সংগ্রহ ব্যবস্থার অভাব, অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা, দক্ষ জনবলের ঘাটতি, আন্তর্জাতিক বিপণনের দুর্বলতা, পরিসংখ্যানের অভাব এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি এই খাতের বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেধাবী তরুণদের বিদেশমুখী হওয়াও আরেকটি উদ্বেগের বিষয়। পাশাপাশি এই খাতের প্রকৃত অর্থনৈতিক অবদান নিরূপণের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে একটি Creative Economy Satellite Account প্রণয়ন করা উচিত, যাতে জিডিপি, কর্মসংস্থান, রপ্তানি এবং বিনিয়োগে ক্রিয়েটিভ ইকোনমির প্রকৃত অবদান নিয়মিত পরিমাপ করা যায়। তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণের জন্য এ ধরনের পরিমাপ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেখলে বোঝা যায়, সফলতার পেছনে কেবল সৃজনশীল মানুষ নয়; সুসংগঠিত রাষ্ট্রীয় নীতিও গুরুত্বপূর্ণ। ভারত বলিউড, সংগীত, যোগ, ফ্যাশন ও ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক প্রভাব বিস্তার করেছে এবং সেই প্রভাবকে পর্যটন, বিনিয়োগ ও সেবা রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত করেছে। জাপান অ্যানিমে, মাঙ্গা, গেমিং এবং ডিজাইন শিল্পকে বিশ্বব্যাপী একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্র্যান্ডে পরিণত করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া কে-পপ, কে-ড্রামা এবং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে শুধু বিনোদন শিল্প নয়; প্রসাধনী, খাদ্যপণ্য, ভাষা শিক্ষা, পর্যটন ও প্রযুক্তিপণ্যের বাজারও সম্প্রসারিত করেছে। এই উদাহরণগুলো প্রমাণ করে, সংস্কৃতি যখন অর্থনৈতিক নীতির অংশ হয়, তখন সেটি জাতীয় প্রবৃদ্ধির শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারে।

বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন একটি জাতীয় ক্রিয়েটিভ ইকোনমি নীতি। যার আওতায় প্রথমত কপিরাইট, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা আধুনিকায়ন এবং কার্যকর ডিজিটাল পাইরেসি প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। দ্বিতীয়ত, শিল্পী, লেখক, সংগীতশিল্পী, সফটওয়্যার নির্মাতা এবং ডিজাইনারদের জন্য একটি স্বচ্ছ রয়্যালটি ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে তারা তাদের সৃষ্টিকর্মের ন্যায্য অর্থনৈতিক সুবিধা পান। তৃতীয়ত, বিভাগীয় পর্যায়ে Creative Hub ও Innovation Centre প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন, যেখানে অ্যানিমেশন, গেমিং, চলচ্চিত্র, সংগীত, ডিজাইন, ফ্যাশন, ডিজিটাল মিডিয়া ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তারা প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি, পরামর্শ এবং বিনিয়োগ সহায়তা পাবেন। চতুর্থত, বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষায় Creative Entrepreneurship, Design Thinking, IP Management, Digital Media, UI/UX, Creative AI এবং Creative Business Management-কে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। জেলা পর্যায়েও ধাপে ধাপে Creative Cluster গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে স্থানীয় শিল্পী, কারুশিল্প উদ্যোক্তা, ডিজাইনার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গেম ডেভেলপার এবং ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতারা একই প্ল্যাটফর্মে প্রযুক্তি, স্টুডিও সুবিধা, মেন্টরশিপ, ব্যবসায়িক পরামর্শ এবং বাজার-সংযোগের সুযোগ পাবেন। এতে সৃজনশীল অর্থনীতির সুফল সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে এবং স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পঞ্চমত, ক্রিয়েটিভ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিল, সহজ ঋণ, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং রপ্তানি সহায়তা চালু করা প্রয়োজন। ষষ্ঠত, হস্তশিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র, গেমিং, ডিজাইন এবং ডিজিটাল কনটেন্টের জন্য আন্তর্জাতিক বিপণন ও ব্র্যান্ডিং কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। সপ্তমত, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাধ্যমে ক্রিয়েটিভ ইকোনমির অবদান নিয়মিত পরিমাপের ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন, যাতে তথ্যভিত্তিক নীতি প্রণয়ন সম্ভব হয়।

বাংলাদেশ এরই মধ্যে শ্রমনির্ভর শিল্পে বৈশ্বিক অবস্থান তৈরি করেছে। এখন প্রয়োজন জ্ঞাননির্ভর ও সৃজনশীল অর্থনীতির দিকে অগ্রসর হওয়া। আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠী, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, ডিজিটাল দক্ষতা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাত— এই চারটি শক্তিকে একত্র করতে পারলে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি শুধু একটি নতুন রপ্তানি খাতই হবে না; এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, সফট পাওয়ার এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তিতে পরিণত হতে পারে।

লেখক: চেয়ারম্যান, সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চ। ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ল্যাবএইড হাসপাতাল গ্রুপ

অর্থনীতিজ্ঞানডিজিটাল কনটেন্টসফটওয়্যারফ্যাশন, ডিজাইনইকোনমি
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৯ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    ২০ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    স্পেন
    ০
    advertisement
    advertisement
    বিছানায় স্বামীর মরদেহ ও রক্তাক্ত সন্তান, পাশেই ফোনে মগ্ন স্ত্রী

    বিছানায় স্বামীর মরদেহ ও রক্তাক্ত সন্তান, পাশেই ফোনে মগ্ন স্ত্রী

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০০:২৪

    গাইবান্ধায় এনসিপির সমাবেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, এলাকায় তোলপাড়

    গাইবান্ধায় এনসিপির সমাবেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, এলাকায় তোলপাড়

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮

    শুরুর ভুলে থমকে কাজ

    শুরুর ভুলে থমকে কাজ

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৩

    সংস্কার না হলে প্রবৃদ্ধি  নামবে ৩ শতাংশে

    সংস্কার না হলে প্রবৃদ্ধি নামবে ৩ শতাংশে

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮

    এনবিআরের চিঠি ৫ মন্ত্রণালয় ও সংস্থায়

    এনবিআরের চিঠি ৫ মন্ত্রণালয় ও সংস্থায়

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪

    বিস্ময়ের শতবর্ষী কাইজেলিয়া

    বিস্ময়ের শতবর্ষী কাইজেলিয়া

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২

    সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে

    সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫

    আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ কমাতে এক্সিট পলিসি

    আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ কমাতে এক্সিট পলিসি

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১২

    এফটিজেডে আমদানিতে নতুন ফ্রেমওয়ার্ক

    এফটিজেডে আমদানিতে নতুন ফ্রেমওয়ার্ক

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭

    একদিন তোমাদের শহরও হবে ডাস্টবিন

    একদিন তোমাদের শহরও হবে ডাস্টবিন

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১২

    দেখা যাক

    দেখা যাক

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩

    সুতরাং

    সুতরাং

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২১

    পতনের ধারায় ইইউতে পোশাক রপ্তানি

    পতনের ধারায় ইইউতে পোশাক রপ্তানি

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১১

    প্রশাসনিক দাদাগিরি

    প্রশাসনিক দাদাগিরি

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১১

    নতুন অস্ত্র ক্রিয়েটিভ ইকোনমি

    নতুন অস্ত্র ক্রিয়েটিভ ইকোনমি

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১১

    advertiseadvertise