দেখা যাক

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
যেকোনো চাকরির বিজ্ঞাপনেই ‘অভিজ্ঞতা আবশ্যক’ লেখাটা সাধারণ ব্যাপার। সে এক বছরের অভিজ্ঞতা হোক বা ১০, ২০, ৩০ বছরের। একদিন সকালে চোখ খুলে চাকরির বিজ্ঞাপনে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং রোবটের সঙ্গে কাজ করার দক্ষতা আবশ্যক’ লেখা দেখলে চমকে যাওয়ার কিছু নেই। ২০৪০ সালের পৃথিবীর প্রায় সব সেক্টরের চাকরিতেই থাকবে এ ধরনের বিজ্ঞাপন। ২০১৯ সালেই সেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন ব্রিটিশ অ্যারোস্পেস-ভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘বে সিস্টেম’।
আজ থেকে ১৪ বছর পর মানুষ কী ধরনের চাকরির পেছনে দৌড়াবে ওয়েবসাইটে সেটিরও পূর্বাভাস দিয়েছেন ভবিষ্যৎবিদ এবং প্রযুক্তিবিদরা। তাদের মতে আগামী বছরগুলোই ভার্চুয়াল রিয়ালিটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবোটিকস প্রভাব ফেলবে চাকরির পথ নির্ধারণে। এতে গুরুত্ব পাবে রোবোটিকস, গ্রাফিকস ডিজাইনিং, ইতিহাস এবং দর্শনের মতো বিষয়ও। তাদের মতে চাকরিপ্রার্থীদের ‘ড্রিম জব’ অর্থাৎ স্বপ্নের চাকরির তালিকায় ওপরের দিকে থাকবে অটো অ্যাডভাইজরের (রোবট এবং প্রযুক্তি উপদেষ্টা) কাজ। আসছে পৃথিবীতে মানুষ ও রোবট একসঙ্গে কাজ করবে বলে বাড়বে নতুন এ চাকরির দাপটও। আরও একটি ক্যারিয়ার যেটির অনেক বিস্তার থাকবে তা হলো ভিআর আর্কিটেক্ট। এতে কর্মজীবীরা তৈরি করবেন ‘ডিজিটাল টুইন’। ভবিষ্যতে অ্যাভিয়েশন এবং সমুদ্রের রিসার্চ বেড়ে যাওয়ায় ব্যক্তির বদলে তাদের প্রযুক্তির যমজ (ডিজিটাল টুইন) মহাকাশ এবং সমুদ্রের তলে যাত্রা করবে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর রোবটকর্মী চাকরিতে নিয়োজিত থাকলেই যে তাদের কম বেতনে বেশি কাজ করিয়ে নেওয়া যাবে তা নয়। কারণ এসব প্রযুক্তির অধিকার প্রদান এবং সঠিক মাপকাঠিতে বেতন হওয়ার বিষয়ে খেয়াল রাখবেন এআই অ্যাথিসিস্ট (নীতিবিদ)। বে সিস্টেমসের প্রধান প্রযুক্তিবিদ নিক কলোসিমোর মতে, ‘প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিজ্ঞানের উদ্ভাবনে ২০৪০ সালের কর্মক্ষেত্র এখনের চেয়ে অনেক ভিন্ন হবে।’




