খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, শিগগিরই সুখবর জাপান-মরিশাসেও

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশের জন্য আবারও খুলে গেছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। গতকাল সোমবার থেকে এ শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউজে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বললেন, ‘খুব শিগগিরই মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ, জাপান ও মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়েও সুখবর আসবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের পর দুই দেশের আলোচনায় এ অগ্রগতি এসেছে। সরকারের আশা, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিনা খরচে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো শুরু হবে।
এবার কর্মী নিয়োগে বড় পরিবর্তন আসছে। মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। এতে সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি কমবে বলে আশা করছে সরকার। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে আবারও জটিলতা তৈরি হতে পারে।
অনিয়মের অভিযোগে ২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়। ২০১৬ সালে তা আবার চালু হয়। পরে ২০১৮ সালে আবারও কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেশটি। ২০২২ সালের আগস্টে পুনরায় কর্মী পাঠানো শুরু হলেও ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে। এর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী ইতোমধ্যে মালয়েশিয়ায় গেছেন। বাকিদেরও দ্রুত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সরকারের আশা, নতুন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে জাপান ও মরিশাসের শ্রমবাজারও শিগগিরই বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।




