নিকোটিন পাউচ বাজারজাতকরণে মরিয়া কোম্পানি, নিষিদ্ধের দাবি প্রজ্ঞা-আত্মার

সংগৃহীত ছবি
সম্প্রতি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নিকোটিন পাউচের মান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বিএসটিআই। ট্যোবাকো অ্যান্ড ট্যোবাকো প্রোডাক্ট টেকিনিক্যাল কমিটি গঠনের মাধ্যমে কাজটি করছে সংস্থাটি।
তবে এই কমিটিতে সরকারের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল (এনটিসিসি) এবং তামাকবিরোধী সংস্থাগুলোর কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই। উপরন্তু কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে তামাক কোম্পানিকে।
এর মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রণীত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোলের (এফসিটিসি) আর্টিক্যাল ৫.৩ লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি-টোবাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা)।
আজ মঙ্গলবার সংগঠন দুইটির পক্ষ থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এসব তথ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের জন্য নিকোটিন পাউচ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তামাক কোম্পানি নিকোটিন পাউচকে ‘তুলনামূলক কম ক্ষতিকর’ বলে দাবি করলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছে যে, নিকোটিন পাউচে তামাকপাতা না থাকলেও এতে উচ্চমাত্রার নিকোটিন থাকে, যা তীব্র আসক্তি সৃষ্টি করে এবং শিশু-কিশোরদের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করাসহ হৃদরোগ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী এসব পণ্যের সবচেয়ে বড় গ্রাহক হয়ে উঠছে কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম। ইতিমধ্যে সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, রাশিয়াসহ কমপক্ষে ১৬টি দেশ তাদের জনস্বাস্থ্য ও তরুণদের মাঝে আসক্তি রোধে নিকোটিন পাউচ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে।
এ বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেছেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এটি নিষিদ্ধের প্রস্তাব করা হলেও সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে তা বিবেচনা করা হয়নি। এখন পণ্যটি বাজারজাতকরণের প্রক্রিয়া চলছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধ করতে হবে।’





