যেখানে ম্যান্ডেলা ছিলেন বন্দি, সেই রোবেন দ্বীপে ড. ইউনূস

ড. ইউনূসের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত ছবি
দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহাসিক রোবেন দ্বীপের কারাগার পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা ও তার সহযোদ্ধা স্বাধীনতাসংগ্রামীরা দীর্ঘদিন এই কারাগারে বন্দি ছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূসের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে শুক্রবার তার রোবেন দ্বীপ পরিদর্শনের তথ্য জানানো হয়। ছবিসহ ওই পোস্টে বলা হয়, এই পরিদর্শনের আয়োজন হয়েছিল বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে।
রোবেন দ্বীপ দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন উপকূলের কাছে অবস্থিত। বর্ণবাদী শাসনামলে দ্বীপটি রাজনৈতিক বন্দিদের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। নেলসন ম্যান্ডেলা তার ২৭ বছরের কারাবাসের মধ্যে ১৮ বছর এই দ্বীপের কারাগারে কাটান। এ সময় তার সঙ্গে আরও কয়েকজন বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতাও সেখানে বন্দি ছিলেন।
১৯৯৬ সালে কারাগারটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে এটি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো রোবেন দ্বীপকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
নোবেলজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বর্তমানে ওয়ান ইয়াং ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ অংশ নিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থান করছেন। দেশটির কেপটাউনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশের ২ হাজার ২০০-এর বেশি তরুণ নেতা অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনে উল্লেখযোগ্য বক্তাদের মধ্যে রয়েছেন অস্কারজয়ী অভিনেতা, শান্তি ও পুনর্মিলনবিষয়ক ইউনেসকোর বিশেষ দূত এবং হুইটেকার পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ফরেস্ট হুইটেকার। এ ছাড়া সুপরিচিত অভিনেতা, টেলিভিশন উপস্থাপক ও মানবাধিকারকর্মী টেরি ক্রুসও সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।



