জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন তারেক রহমান। ছবি : পিএমও
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শনিবার সকাল ৮টার পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা জিয়াউর রহমানের সমাধি জিয়ারত করেন। একইসঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
পরে ফাতিহা পাঠ এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নিয়ে তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, দিবসটি উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। কর্মসূচির প্রথম দিন দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।
দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বিএনপি। এদিন বিকাল ৩টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হতে যাওয়া এ শোভাযাত্রায় হেঁটে অংশ নেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে র্যালিটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পরাজিত অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব এবং মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করেছিল। জনগণের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ যাতে দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ এবং দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত।
এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’



