Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
মলিন মাইলফলক রঙিন করেন মমিন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সংস্কৃতি

এস এম সুলতানের জন্মদিন

যে শিল্পী এঁকেছিলেন শক্তির মহাকাব্য

শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১০
যে শিল্পী এঁকেছিলেন শক্তির মহাকাব্য

শিল্পী এস এম সুলতান

আজ ১০ আগস্ট। বাংলাদেশের চিত্রকলার এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের জন্মদিন। চিত্রা নদীর তীরে, নড়াইলের সবুজ-শ্যামল মাছিমদিয়া গ্রামে ১৯২৩ সালের এই দিনে জন্ম নিয়েছিলেন তিনি— যার পিতা-মাতা আদর করে নাম রেখেছিলেন লাল মিয়া। কে জানত, সেই লাল মিয়াই একদিন হয়ে উঠবেন বাংলার শিল্প-ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় নাম, গর্বের প্রজ্ঞান, এস এম সুলতান!

জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসান আর এস এম সুলতান— এই তিন প্রতিভা যেন এক ত্রয়ী নক্ষত্রপুঞ্জ, যারা বাংলার শিল্পকলাকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন। জয়নুল যেমন তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন দুর্ভিক্ষের করুণ মানবিকতা, কামরুল হাসান যেমন বিদ্রোহ আর গ্রামীণ জীবনের বলিষ্ঠ ছবি এঁকেছেন, সুলতান তেমনি একেবারে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন বাঙালির আত্মপরিচয়ের অবয়বকে। তিনি এঁকেছেন মাটির মানুষের প্রাণশক্তি, দিয়েছেন তাদের এক মহাকাব্যিক আখ্যানের মর্যাদা। আজ এই মহান শিল্পীর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী, ১০৪তম জন্মদিন।

শিল্পী এস এম সুলতান (১০ আগস্ট ১৯২৩ - ১০ অক্টোবর ১৯৯৪)

চিত্রাপাড়ের উদাসী বালক

বাবা মেছের আলী পেশায় ছিলেন কৃষক, পেটের দায়ে মাঝেমধ্যে ধরতেন রাজমিস্ত্রির কাজ। মা মাজু বিবির একমাত্র সন্তান লাল মিয়া ছিলেন প্রকৃতিগতভাবেই ভিন্ন স্বভাবের। গতানুগতিক পড়াশোনায় কোনো মন নেই; কিন্তু চারপাশের প্রকৃতি, নদীর কলতান, মাঠের ধানক্ষেতের দোলা— এসবই যেন তার মনে গেঁথে যেত। পাঁচ বছর নড়াইলের ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে পড়ার পর অর্থাভাবে স্কুল ছাড়তে হলো। এরপর বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজে যোগ দিলেন। কিন্তু ইট-পাথরের ফাঁকে ফাঁকেও তার মন খুঁজত ছবি। দালানের গায়ে কয়লা-চুন দিয়ে এঁকে ফেলতেন কোনো দৃশ্য। সেই শুরু। ছোটবেলা থেকেই সুলতানের মধ্যে ছিল ছবি আঁকার এক দুর্নিবার তাগিদ, আর কাঠকয়লার স্কেচের প্রতি ছিল তার বিশেষ ভালোবাসা।

জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসান আর এস এম সুলতান— এই তিন প্রতিভা যেন এক ত্রয়ী নক্ষত্রপুঞ্জ, যারা বাংলার শিল্পকলাকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন। জয়নুল যেমন তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন দুর্ভিক্ষের করুণ মানবিকতা, কামরুল হাসান যেমন বিদ্রোহ আর গ্রামীণ জীবনের বলিষ্ঠ ছবি এঁকেছেন, সুলতান তেমনি একেবারে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন বাঙালির আত্মপরিচয়ের অবয়বকে। তিনি এঁকেছেন মাটির মানুষের প্রাণশক্তি, দিয়েছেন তাদের এক মহাকাব্যিক আখ্যানের মর্যাদা।

সালটা ১৯৩৩, তখন লাল মিয়ার বয়স মাত্র ১০। স্কুল পরিদর্শনে এলেন বিশিষ্ট রাজনীতিক ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। কৌতূহলী বালক কয়েক আঁচড়ে এঁকে ফেলল তার পেন্সিল স্কেচ। স্কেচ দেখে হতবাক হলেন স্বয়ং শ্যামাপ্রসাদ। এই ছোট্ট ঘটনাটিই হয়ে থাকল শিল্পী সুলতানের প্রথম আত্মপ্রকাশ। তার প্রতিভা নজর এড়াল না এলাকার শিল্পানুরাগী জমিদার ধীরেন্দ্রনাথ রায়ের। শিল্পের প্রতি টান, অথচ আর্থিক অসংগতি— এ দুইয়ের টানাপড়েনে ভুগতে থাকা কিশোরকে জমিদার নিজের সন্তানের মতো আগলাতে শুরু করলেন। ১৯৩৮ সালে সেই ধীরেন্দ্রনাথই সুলতানকে নিয়ে গেলেন কলকাতায়। শুরু হলো এক নতুন ভ্রমণ।

চল্লিশের দশকে শিল্পী এস এম সুলতান। ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার অলিগলির শিল্প-স্বরূপ

কলকাতায় এসে ধীরেন্দ্রনাথের বাড়িতে থেকে সুলতান ছবি আঁকার সাধনা করতে থাকলেন। তার স্বপ্ন ছিল সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হওয়া, কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়াল প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতার অভাব আর অল্প বয়স। কিন্তু ভাগ্য যেন তার পথে প্রহরী পাঠিয়েছিলেন এক অসাধারণ মানুষকে। প্রখ্যাত শিল্পসমালোচক ও কলকাতা আর্ট স্কুলের গভর্নিং বডির সদস্য শাহেদ সোহরাওয়ার্দী সুলতানের প্রতিভায় মুগ্ধ হলেন। তিনিই তাকে ‘লাল মিয়া’ নামের আড়াল থেকে বের করে এনে ‘শেখ মোহাম্মদ সুলতান’ হিসেবে পরিচিত করালেন। সোহরাওয়ার্দী তার নিজের বিশাল গ্রন্থাগারের দরজা খুলে দিলেন সুলতানের জন্য, দিলেন সর্বাঙ্গীণ পৃষ্ঠপোষকতা। ১৯৪১ সালে সোহরাওয়ার্দীর অকুণ্ঠ সমর্থনে কলকাতা আর্ট স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় বসলেন সুলতান। ৪০০ প্রতিযোগীর মধ্যে মাত্র ১৫ মিনিটে ‘ভেনাস ডি মিলোর’ ছবি হুবহু এঁকে প্রথম হলেন। প্রথাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও প্রতিভার জোরে তিনি ভর্তি হলেন আর্ট স্কুলে, যেখানে পরে বাংলাদেশ থেকে পড়তে গিয়েছিলেন আরেক কিংবদন্তি কামরুল হাসান ও সফিউদ্দিন আহমেদ। এখানে শিক্ষার্থীদের সমসাময়িক প্রাকৃতিক দৃশ্য আঁকতে এবং নিজস্ব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে মৌলিক শিল্পকর্ম সৃষ্টি করতে উৎসাহিত করা হতো— যে শিক্ষা পরবর্তী জীবনে সুলতানের প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনকেন্দ্রিক শিল্পযাত্রার পাথেয় হয়ে ছিল।

তরুণ বয়সেই শিল্পের প্রতি অসম্ভব ভালোলাগা তৈরি হয় সুলতানের। ছবি: সংগৃহীত

অথচ আর্ট স্কুলের বাঁধা-ধরা নিয়ম, প্রাতিষ্ঠানিকতার কাঠামো মেনে নেওয়া সুলতানের স্বভাবে ছিল না। তিনি যেন ভেতরে ভেতরে ছিলেন এক বোহেমিয়ান, যার কাছে নিয়মের চেয়ে মুক্তি ছিল বড়। ১৯৪৪ সালে তৃতীয় বর্ষে উঠে পড়ালেখা ছেড়ে দিলেন। শিক্ষকরা হতাশ হলেও সুলতান জানতেন, তার শিক্ষালয় এই চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তার পাঠশালা ছড়িয়ে আছে উপমহাদেশের পথে-প্রান্তরে, কৃষকের হালের দাগে, নদীর বাঁকে, গোধূলির রঙে।

সোহরাওয়ার্দীর অকুণ্ঠ সমর্থনে কলকাতা আর্ট স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় বসলেন সুলতান। ৪০০ প্রতিযোগীর মধ্যে মাত্র ১৫ মিনিটে ‘ভেনাস ডি মিলোর’ ছবি হুবহু এঁকে প্রথম হলেন। প্রথাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও প্রতিভার জোরে তিনি ভর্তি হলেন আর্ট স্কুলে, যেখানে পরে বাংলাদেশ থেকে পড়তে গিয়েছিলেন আরেক কিংবদন্তি কামরুল হাসান ও সফিউদ্দিন আহমেদ।

পথিক শিল্পীর আন্তর্জাতিক অভিযান

আর্ট স্কুল ছেড়ে সুলতান পুরোপুরি ফ্রিল্যান্স, স্বাধীন খেয়াল খুশি খামখেয়ালি শিল্পীর জীবন বেছে নিলেন। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ ও আমেরিকান সৈন্যদের আনাগোনা। সুলতান ঘুরে বেড়াতে লাগলেন এক শহর থেকে আরেক শহরে, সৈন্যদের মুখের ছবি এঁকে দিতেন, বিনিময়ে পেতেন অর্থ। এভাবেই চলতে থাকল তার জীবন। কিন্তু সুলতানের চরিত্রে ছিল এক অদ্ভুত খামখেয়ালি, জাগতিক বিষয়ে তীব্র অনীহা। এক জায়গায় শিকড় গাড়তে তিনি পারতেন না। এখানে আঁকলেন, তো, ছবি রেখে চলে গেলেন আরেক শহরে। এতেই পরবর্তীকালে হারিয়ে গেছে তার সেসব দিনের অসংখ্য অমূল্য কাজ, যার কোনো ছবিই আজ আর নেই।

স্বাধীন খেয়াল খুশি খামখেয়ালি শিল্পীর জীবন বেছে নিলেন সুলতান। ছবি: সংগৃহীতঅথচ এই ভ্রমণের মধ্যেই তিনি আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছিলেন। ১৯৪৬ সালে সিমলায় কাপুরতলার মহারাজার উপস্থিতিতে তার প্রথম একক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হলো। ১৯৪৮ সালে লাহোরে এবং ১৯৪৯ সালে করাচিতে আরও দুটি প্রদর্শনী হয়। তবে তার শিল্পযাত্রার সূচনাপর্বে সুলতান প্রধানত নিসর্গ দৃশ্যই এঁকেছেন, বিভিন্ন দেশে পথ পরিক্রমায় বদলে যাওয়া পাহাড়-উপত্যকার ছবি, আলো-ছায়ার ইমপ্রেশনিস্ট ধাঁচের প্রভাব ছিল সেসব কাজে। যদিও পরবর্তীকালে তার শিল্পশৈলীতে আমূল পরিবর্তন আসে এবং উপনিবেশমুক্ত এক নিজস্ব ভাষা প্রকট হয়ে ওঠে, তবুও ইমপ্রেশনিজমের রক্তিমাভার বোধই তাকে দেশের প্রতি ভালোবাসা পুনরাবিষ্কার করতে এবং তার চারপাশের সাধারণ মানুষের জীবনকে সবুজ প্রাকৃতিক আবহে এঁকে চলার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।

আর্ট স্কুল ছেড়ে সুলতান পুরোপুরি ফ্রিল্যান্স, স্বাধীন খেয়াল খুশি খামখেয়ালি শিল্পীর জীবন বেছে নিলেন। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ ও আমেরিকান সৈন্যদের আনাগোনা। সুলতান ঘুরে বেড়াতে লাগলেন এক শহর থেকে আরেক শহরে, সৈন্যদের মুখের ছবি এঁকে দিতেন, বিনিময়ে পেতেন অর্থ।

১৯৫০ সালে সুলতান অখণ্ড পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে নিউ ইয়র্কের ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের (আইআইই) এক আন্তর্জাতিক শিল্প কর্মসূচিতে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে যান। সম্পূর্ণ অর্থায়িত এই কর্মসূচির সুবাদে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জাদুঘর ঘুরে দেখার সুযোগ পান, পাশাপাশি বিশ্বের নানা প্রান্তের শিল্প ও শিল্পীদের সঙ্গে পরিচিত হন। এ সময় নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন, বোস্টন, শিকাগো ও মিশিগানে তার ছবি প্রদর্শিত হয়। কর্মসূচি শেষে তিনি ইংল্যান্ডে যান এবং লন্ডনের ভিক্টোরিয়া এমব্যাংকমেন্ট গার্ডেন্সে বার্ষিক উন্মুক্ত গ্রুপ প্রদর্শনীতে অংশ নেন, যেখানে পাবলো পিকাসো, সালভেদর দালি, জর্জেস ব্রাক, পল ক্লিসহ বিশ্ববরেণ্য চিত্রকরদের কাজের পাশাপাশি সুলতানের ছবিও প্রদর্শিত হয়। এশিয়ার কোনো শিল্পীর জন্য তখনকার দিনে এমন সম্মান ছিল কল্পনাতীত। সেই এস এম সুলতানই কি না নিজ দেশে দীর্ঘকাল থেকে গেলেন আড়ালে!

তাবৎ দুনিয়ার স্বীকৃতি আর শহুরে জীবনকে ফেলে মাছিমদিয়া গ্রামে ঠাঁই নেন সুলতান। ছবি: সংগৃহীত

দেশভাগের কিছুদিন পর ১৯৫১ সালে তিনি করাচি গিয়ে দুই বছর একটি আর্ট স্কুলে শিক্ষকতা করলেন। সেখানে ঘনিষ্ঠতা হলো চুঘতাই, শাকের আলীর মতো শিল্পীদের সঙ্গে। কিন্তু ভাগ্যের টান যেন বারবার তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল বাংলার মাটির দিকে। ১৯৫৩ সালে হঠাৎ করেই তিনি ফিরে এলেন পূর্ব বাংলায়। আর তারপরই ঘটল সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনা— তাবৎ দুনিয়ার স্বীকৃতি আর শহুরে জীবনকে পেছনে ফেলে তিনি হারিয়ে গেলেন নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে। চিত্রা নদী থেকে দেখা যাওয়া এক পরিত্যক্ত বাড়িতে বাকি জীবন কাটানোর জন্য তিনি চলে এলেন। ঢাকায় তখন জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসানদের হাত ধরে আধুনিক চিত্রকলার জোয়ার বইছে, আর সুলতান নীরবে নিজের জগৎ তৈরি করছেন গ্রামের কুপি জ্বলা নিভৃতে। শিল্পজগৎ থেকে বহুদূরে, সাপ-বিড়ালের সঙ্গেই যেন তার সখ্য বেশি।

প্রত্যাবর্তন নাকি পুনর্জন্ম

নড়াইলে ফিরে সুলতান এক ভিন্ন সাধনায় মগ্ন হলেন। ছবি আঁকা প্রায় বন্ধ করলেন, বরং নিজেকে উৎসর্গ করলেন শিশুদের জন্য। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, প্রকৃত শিল্পের বীজ বপন করতে হয় কোমলমতি শিশুদের মনে। তাই জমিদারবাড়ির পরিত্যক্ত ভিটায় গড়ে তুললেন নন্দনকানন প্রাইমারি স্কুল, পরে গড়লেন নন্দনকানন হাই স্কুল আর একটি আর্ট স্কুল। যশোরে প্রতিষ্ঠা করলেন ‘চারুপীঠ’, আর নড়াইলে তার নিজের ভিটায় গড়ার স্বপ্ন দেখলেন ‘শিশুস্বর্গ’— যেখানে শিশুরা প্রকৃতির সঙ্গে মিতালি করে গড়ে তুলবে আপন শিল্পীসত্তা। তার ভাষায়, ‘যে শিশু সুন্দর ছবি আঁকে, তার গ্রামের ছবি আঁকে, সে সুন্দর ফুলের ছবি আঁকে, তার জীবজন্তুর ছবি আঁকে, গাছপালার ছবি আঁকে, সে কোনোদিন অপরাধ করতে পারে না, সে কোনোদিন কাউকে ব্যথা দিতে পারে না।’

সুলতানের আঁকা এমন বহু ছবি নিয়ে হয়েছে প্রদর্শনী। ছবি: সংগৃহীতএই সময় প্রায় ২৩ বছর তিনি শিল্পরসিকদের নজরের আড়ালে রইলেন। যারা ভেবেছিলেন সুলতান বুঝি শিল্পকর্ম ছেড়েই দিয়েছেন, তারা বিস্ময়ের সঙ্গে জানতে পারলেন, তিনি তো থেমে যাননি, বরং নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন আরও বড় কিছুর জন্য। ১৯৭৬ সালে কিছু শুভানুধ্যায়ী তাকে ঢাকায় নিয়ে এলেন। শিল্পকলা একাডেমিতে সুলতানের ১৭টি ছবি নিয়ে আয়োজিত হলো এক প্রদর্শনী। আর এই প্রদর্শনীই যেন এক বিস্ফোরণ ঘটাল। এক নিভৃতচারী মানুষ যে এত বিপুল প্রতিভার অধিকারী, তা জেনে শিল্পমহল স্তম্ভিত। সেদিন শিল্পী সুলতানের পুনর্জন্ম হলো; আর সেই জন্মের সূত্র ধরেই তিনি স্থান করে নিলেন বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা তিন শিল্পীর একেবারে ওপরের সারিতে, জয়নুল-কামরুলদের পাশে।

তাবৎ দুনিয়ার স্বীকৃতি আর শহুরে জীবনকে পেছনে ফেলে তিনি হারিয়ে গেলেন নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে। চিত্রা নদী থেকে দেখা যাওয়া এক পরিত্যক্ত বাড়িতে বাকি জীবন কাটানোর জন্য তিনি চলে এলেন। ঢাকায় তখন জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসানদের হাত ধরে আধুনিক চিত্রকলার জোয়ার বইছে, আর সুলতান নীরবে নিজের জগৎ তৈরি করছেন গ্রামের কুপি জ্বলা নিভৃতে।

দুর্বলের কল্পনায় শক্তির প্রতিমা

এস এম সুলতানের শিল্পদর্শন বোঝার চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে তার আঁকা মানব-অবয়বে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শিল্পকর্মের দিকে তাকালে সুলতানের কাজ সহজেই চোখে পড়ে— যেখানে তিনি কৃষক, শ্রমিক, জেলেদের দুর্বল ও অনাহারী শরীরের চিরাচরিত চিত্রণকে আমূল পাল্টে দিয়ে বিশালাকার, ফোলা পেশির অবয়ব এঁকেছেন। জয়নুল যেমন ক্ষুধিত মানুষের কঙ্কালসার শরীর এঁকে মানবিক বিপর্যয়ের দলিল রচনা করেছিলেন, কামরুল যেমন গ্রামীণ জীবনের সরলতা আর সংগ্রামকে জ্যামিতিক বলিষ্ঠতায় এনেছিলেন, সুলতান তার সম্পূর্ণ বিপরীত এক পথ নিলেন। তার এই চিত্রভাষা এক ভিন্ন গল্প বলে— দারিদ্র্য আর বেদনার সব পরীক্ষাকে অভ্যন্তরীণ শক্তি আর পরিশ্রম দিয়ে জয় করার গল্প, মাটির প্রতি ভালোবাসা আর আনন্দের গল্প। কৃষক পুরুষকে তিনি এঁকেছেন পেশিবহুল, বলশালী, অতিকায়— যেন গ্রামের প্রত্যেক চাষিই এক-একজন প্রাচীন ভাস্কর্যের গ্রিক দেবতা। কৃষক রমণী হলো সুডৌল, সুঠাম, অথচ লাবণ্যে ভরা, শক্তির আধার অথচ মাতৃত্বের প্রতিমূর্তি। অথচ বাস্তবে সুলতান দেখেছিলেন রুগ্‌ণ, কৃশকায় কৃষক, যাদের গরু-বলদগুলোরও হাড় চামড়া থাকত জড়ানো। তবুও কেন এমন আঁকলেন তিনি? সুলতান নিজেই এর উত্তর দিয়েছেন সরল অথচ দার্শনিক ভাষায়, ‘আমাদের দেশের কৃষক সম্প্রদায়ই তো ব্রিটিশ সাম্রাজ্য গড়েছিল। অর্থবিত্ত ওরাই তো জোগান দেয়। …ওরা কৃশ কেন? ওরা রুগ্‌ণ কেন— যারা আমাদের অন্ন জোগায়, ফসল ফলায়।’ অর্থাৎ, তার চিত্রকল্পে এই বলিষ্ঠতা হলো শোষিতের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও প্রতিবাদ। তিনি তাদের সেই মর্যাদাটুকু ফিরিয়ে দিতে চেয়েছেন, যে মর্যাদা তাদের প্রাপ্য।

সুলতানের তুলির আঁচড়ে প্রতিটি চাষিই যেন এক-একজন প্রাচীন ভাস্কর্যের গ্রিক দেবতা। ছবি: সংগৃহীতজয়নুল আবেদিন ও কামরুল হাসানের পাশে সুলতানের শিল্পের এক নতুনতর বৈশিষ্ট্য হলো গ্রামীণ শ্রমজীবী নারীর চিত্রায়ণ। তার ছবিতে নারীরা পুরুষের মতোই পেশিবহুল এবং পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সব কায়িক পরিশ্রমে অংশ নিচ্ছেন। বলা যায়, সুলতানের ক্যানভাসে নারী যেন পিতৃতান্ত্রিক সমাজের চিরাচরিত ফ্রেম থেকে বেরিয়ে এসে এক নারীবাদী ইউটোপিয়ায় স্থান করে নিয়েছে। তার শিল্প আমাদের কৃষকের সংগ্রামকে তাদের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও সামর্থ্যের দৈহিক মূর্তি দিয়ে ক্ষমতায়িত করে, সেই কঠোর শ্রমের প্রতিফলন ঘটায়, যা হাজার হাজার বছর ধরে এই মাটিকে উর্বর করে রেখেছে। তার ছবিতে গ্রামীণ অর্থনীতির ক্রূর বাস্তবতাও এসেছে, যেমন ‘হত্যাযজ্ঞ’ বা ‘চরদখল’-এর মতো কাজে শ্রেণি-দ্বন্দ্বের নির্মম চিত্র; কিন্তু তার প্রধান ঘোষণা হলো ক্ষমতায়নের ঘোষণা।

কৃষক পুরুষকে তিনি এঁকেছেন পেশিবহুল, বলশালী, অতিকায়— যেন গ্রামের প্রত্যেক চাষিই এক-একজন প্রাচীন ভাস্কর্যের গ্রিক দেবতা। কৃষক রমণী হলো সুডৌল, সুঠাম, অথচ লাবণ্যে ভরা, শক্তির আধার অথচ মাতৃত্বের প্রতিমূর্তি। অথচ বাস্তবে সুলতান দেখেছিলেন রুগ্‌ণ, কৃশকায় কৃষক, যাদের গরু-বলদগুলোরও হাড় চামড়া থাকতো জড়ানো। তবুও কেন এমন আঁকলেন তিনি?

আধুনিকতার এক নতুন সংজ্ঞা

পঞ্চাশ-ষাটের দশকে বিশ্ব জুড়ে আধুনিক শিল্পের যে জোয়ার, তাতে ছেয়ে গিয়েছিল বিমূর্ততা, ফর্মের নিরীক্ষা, নগরকেন্দ্রিকতা। সুলতান সম্পূর্ণ উল্টো পথে হাঁটলেন। তিনি অবয়বধর্মী ছবিই এঁকে গেলেন। তার কাছে ‘আধুনিকতা’ ছিল ইউরোপীয় আঙ্গিকে যন্ত্রনির্ভর নয়, বরং ছিল জীবনের শাশ্বত বোধ আর শিকড়ের শক্তিকে প্রতিষ্ঠা করা। তিনি ফর্মের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় যাননি, দিয়েছেন মানুষের ভেতরের শক্তির উত্থান, ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে লড়াই এবং পরাধীনতা-উত্তর সংগ্রামের নানা প্রকাশ। ইউরোপের রেনেসাঁসের শিল্পীরা যেমন মানবের কর্মবিশ্বকে কেন্দ্র করেছিলেন, সুলতানও তেমনি কৃষক আর কৃষিকাজের ভেতরেই খুঁজে পেয়েছেন মানুষের চিরন্তন সৃষ্টিশীলতার ছবি। এ কারণেই তার কোনো অনুসারী গড়ে ওঠেনি, কোনো স্কুল তৈরি হয়নি; কারণ সেই মাটির জীবন আর কেউ তেমন নিবিড়ভাবে বাস করেননি। তিনি একা, কিন্তু একা হয়েও পূর্ণ। অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম যথার্থই বলেছেন, ‘এটাই তার কাছে ছিল ‘আধুনিকতা’, অর্থাৎ তিনি ইউরোকেন্দ্রিক, নগরনির্ভর, যান্ত্রিকতা-আবদ্ধ আধুনিকতার পরিবর্তে অন্বেষণ করেছেন মানবের কর্মবিশ্বকে।’

পুরস্কারের আশায় কখনও ছবি আঁকেননি সুলতান। ছবি: সংগৃহীতসন্ন্যাসী শিল্পীর রঙিন জগৎ

সুলতানের ব্যক্তিগত জীবন ছিল একাধারে বিস্ময়কর, কখনো কখনো অবোধ্য। যে মানুষটি চাইলে বিলাসী নাগরিক জীবন কাটাতে পারতেন, নিজের খ্যাতি আর সম্মানকে পুঁজি করে নগরের মধ্যমণি হতে পারতেন, তিনি বেছে নিলেন সম্পূর্ণ উল্টো পথ। নড়াইলে তার বাড়ি যেন এক পশুপাখির অভয়ারণ্য। বাড়িতে সারাক্ষণ ছিল কয়েক ডজন বিড়াল, পোষা পাখি, এমনকি ছোট্ট একটা চিড়িয়াখানা। ঘর ছিল সাপ-খোপে ভরা। মাথায় লম্বা চুল, গায়ে ঢিলেঢালা আলখাল্লা। তিনি বাঁশি বাজাতেন অপূর্ব সুরে, তবলায় হাত দিলে থেমে যেত সময়। অনেক রাতে নাকি শাড়ি পরে পায়ে ঘুঙুর বেঁধে নাচতেন আপন খেয়ালে— এই পৃথিবীর সব বাঁধন থেকে মুক্ত এক সত্তা যেন।

শিশুদের প্রতি তার ভালোবাসা ছিল কিংবদন্তিতুল্য। নিজের সব সঞ্চয় দিয়ে তৈরি করেছিলেন এক প্রকাণ্ড কাঠের নৌকা, যার নাম দিয়েছিলেন ‘ভাসমান শিশুস্বর্গ’। তার স্বপ্ন ছিল, এই নৌকায় চড়ে শিশুরা সমুদ্রে যাবে, প্রকৃতিকে দেখবে আর তার পাশে বসে ছবি আঁকবে। এই স্বপ্নের অনেকটাই অপূর্ণ থেকে গেলেও তার সেই উদ্যোগ এক অদ্ভুত মানবিকতারই সাক্ষী হয়ে আছে।

১৯৮২ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার সুলতানকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ সম্মাননা দেয়। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে রাষ্ট্র ও বিশ্ব তার অবদানের কিছুটা মূল্যায়ন করতে পেরেছে। ১৯৮২ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার তাকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ সম্মাননা দেয়। একই বছর বাংলাদেশ সরকার চারুকলায় অবদানের জন্য তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত করে। এরপর ১৯৮৪ সালে শিল্পকলা একাডেমি তাকে ‘আর্টিস্ট ইন রেসিডেন্স’ হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৯৩ সালে তিনি পান সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান স্বাধীনতা পদক। এ ছাড়া বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দেশের গুণী শিল্পীদের উৎসাহিত করতে ‘এস এম সুলতান স্বর্ণপদক’ প্রবর্তন করেছে। অথচ এই পুরস্কারপ্রাপ্তির সময়েও তার সেই উদাসীনতা অটুট ছিল। তিনি বলতেন, ‘শিল্পের কখনো পুরস্কার হয় না। শিল্পের 'পুরস্কার' প্রকৃতি স্বীয় হাতে প্রদান করে।’

পুরস্কারপ্রাপ্তির সময়েও সুলতানের উদাসীনতা ছিল অটুট। ছবি: সংগৃহীতসুলতানের এই কথাটুকুর মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে তার পুরো জীবনদর্শন। তিনি কখনো পুরস্কারের আশায় ছবি আঁকেননি, আঁকেননি সমালোচকের মন জয় করার জন্য। তিনি এঁকেছেন কারণ এটাই ছিল তার ধ্যান, তার প্রার্থনা, তার বেঁচে থাকার সংজ্ঞা। শেষ জীবনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি সুখী। আমার কোনো অভাব নেই। সবদিক দিয়েই আমি প্রশান্তির মধ্যে দিন কাটাই। আমার সব অভাবেরই পরিসমাপ্তি ঘটেছে।’ যিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরম সন্তুষ্টির এই কথা বলতে পারেন, তিনিই তো প্রকৃত যোগী।

মৃত্যুঞ্জয়ী শিল্পের উত্তরাধিকার

১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই চিরকুমার, অসাম্প্রদায়িক ও মানবপ্রেমিক শিল্পী। নিজ বাড়ির আঙিনায় তাকে সমাহিত করা হয়। তার মৃত্যুর পর শিল্পীর ভিটায় গড়ে তোলা হয়েছে ‘এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা’, যা আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক শিল্পীদের কাছেও তীর্থস্থান। 

এস এম সুলতান
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    মাঝরাতে খামার থেকে স্ত্রীকে ‘ভয় করছে’ মেসেজ দেওয়ার পর ব্যবসায়ী নিখোঁজ

    মাঝরাতে খামার থেকে স্ত্রীকে ‘ভয় করছে’ মেসেজ দেওয়ার পর ব্যবসায়ী নিখোঁজ

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪৮

    ফল কিনতে এসে ফোন চুরি, শাস্তি পেলেন পুলিশ কর্মকর্তা

    ফল কিনতে এসে ফোন চুরি, শাস্তি পেলেন পুলিশ কর্মকর্তা

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৩:১০

    কাপাসিয়ায় ৩ মাদ্রাসায় সবাই ফেল, উপজেলায় পাসের হার ৫৩.৪৪%

    কাপাসিয়ায় ৩ মাদ্রাসায় সবাই ফেল, উপজেলায় পাসের হার ৫৩.৪৪%

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৯

    সরকার বদলেই বদলে যায় পরীক্ষার ফল

    সরকার বদলেই বদলে যায় পরীক্ষার ফল

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৫

    ট্রাম্পের সঙ্গই ইনফান্তিনোর সর্বনাশ!

    ট্রাম্পের সঙ্গই ইনফান্তিনোর সর্বনাশ!

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৯

    শেখ হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে অন্তরালে আলোচনা

    শেখ হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে অন্তরালে আলোচনা

    ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪

    তীব্র দাবদাহে এসি মিস্ত্রিদের দম ফেলার ফুরসত নেই

    তীব্র দাবদাহে এসি মিস্ত্রিদের দম ফেলার ফুরসত নেই

    ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০৯

    অভিবাসন কমাতে ‘শেনজেন লক’ চান এদুয়ার ফিলিপ

    অভিবাসন কমাতে ‘শেনজেন লক’ চান এদুয়ার ফিলিপ

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৪০

    বর্ষা শেষে ফ্রিজ ডিটক্স

    বর্ষা শেষে ফ্রিজ ডিটক্স

    ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০০

    জাজিরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত ১

    জাজিরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত ১

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৩

    শেয়ারদর বাড়াতে বিনিয়োগকারীদের চাপে কোরিয়ার দুই চিপ নির্মাতা

    শেয়ারদর বাড়াতে বিনিয়োগকারীদের চাপে কোরিয়ার দুই চিপ নির্মাতা

    ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৮

    দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪০ বছরের মধ্যে ভয়াবহ খরা, দক্ষিণাঞ্চলে পানির তীব্র হাহাকার

    দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪০ বছরের মধ্যে ভয়াবহ খরা, দক্ষিণাঞ্চলে পানির তীব্র হাহাকার

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৩:৫২

    ব্রিটিশ জেল খালি করতে বিদেশে বন্দি পাঠানোর প্রস্তাবে অ্যামনেস্টির আপত্তি

    ব্রিটিশ জেল খালি করতে বিদেশে বন্দি পাঠানোর প্রস্তাবে অ্যামনেস্টির আপত্তি

    ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৯

    পলিটেকনিক ছাত্রকে চাপা দিয়ে পালিয়ে গেল কাভার্ড ভ্যান

    পলিটেকনিক ছাত্রকে চাপা দিয়ে পালিয়ে গেল কাভার্ড ভ্যান

    ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৪০

    এআই আতঙ্কে মার্কিন ভোটার, নির্বিকার ট্রাম্প

    এআই আতঙ্কে মার্কিন ভোটার, নির্বিকার ট্রাম্প

    ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৩

    advertiseadvertise