Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ বছর বয়সে ৬৭ বার রক্তদান!
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সংস্কৃতি

৪৭ বছরে কী করেছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র

পাভেল রহমান
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:৫৩
৪৭ বছরে কী করেছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। সংগৃহীত ছবি

১৯৬৮ সালে একটা পাঠচক্রে বীজ বপন হয়েছিল বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের, যা স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৮ সালে বটবৃক্ষ হয়ে জন্ম নেয়। ‘আলোকিত মানুষ চাই’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ৪৭ বছরে অসংখ্য ছেলেমেয়েকে বই পড়ানোর পাশাপাশি নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের একাধিক প্রকাশনা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৮৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৭৭ জন বই পড়েছে কেন্দ্রের কর্মসূচিতে। গত বছর এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছিলেন, এ পর্যন্ত সোয়া ২ কোটির বেশি ছেলেমেয়েকে বই পড়িয়েছেন তারা।

গত ১৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের মুখে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত ১৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। এই সাক্ষাতের খবর প্রচারের পর থেকে ফেসবুকে চলছে নানা রকম আলোচনা-সমালোচনা। কেউ কেউ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪৭ বছরের কর্মযজ্ঞে কতটা আলোকিত মানুষ গড়ার কাজ করেছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। আবার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে প্রশংসায়ও ভাসাচ্ছেন অনেকে। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে রাষ্ট্রপতি করা হচ্ছে বলেও ছড়িয়েছে আলোচনা।

আরও পড়ুন

বইয়ের বাজার পড়ছে নিজেদের দায়েই

২৩ এপ্রিল ২০২৬


আজ বৃহস্পতিবারও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ও সংস্কৃতিমন্ত্রীও।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ও সংস্কৃতি মন্ত্রীও।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের কী বিষয়ে সাক্ষাৎ হয়েছে, জানতে চাইলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের একাধিক কর্মকর্তা আগামীর সময়কে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বইসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা বলতেই আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বইপড়া কী করে আরও ছড়িয়ে দেওয়া যায়, আবৃত্তি, নাটক, গান কীভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তা নিয়ে কথা হয়েছে।

‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র নিয়ে ফেসবুকে যে আলোচনাটা হচ্ছে, তা অবদমিত অসূয়াপ্রসূত কুতর্ক। সায়ীদ স্যার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে কী কথা বলেছেন, তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে কেউ কেউ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪৭ বছরের জার্নিটাকেই ভুলে যাচ্ছেন। যারা এই কুতর্ক করছেন, তাদের অনেকের ছেলেমেয়েই হয়তো স্কুল-কলেজে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কর্মসূচির আওতায় বিশ্বসাহিত্যের সেরা বইগুলো প্রথমবার পড়েছেন’—বলছিলেন সংস্কৃতিকর্মী হুমায়ূন আজম রেওয়াজ।

আরও পড়ুন

বইয়ের বাজার পড়ছে নিজেদের দায়েই

২৩ এপ্রিল ২০২৬


‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়ার মধ্য দিয়ে কতটা আলোকিত মানুষ হয়েছেন, এই প্রশ্ন যারা তুলছেন- তারা ভুলে যাচ্ছেন শুধু একটি প্রতিষ্ঠান রাতারাতি পুরো সমাজকে পালটে ফেলতে পারে না। সেখানে আরও অনেক সমধর্মী প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত তৎপরতা জরুরি। মননশীলতার চর্চার নগদ ফলাফল খুঁজতে যাওয়াটাও অদূরদর্শিতার নামান্তর। একটি বিকশিত সমাজ গড়তে তৃণমূল পর্যায়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মতো আরও বিচিত্র রকমের জনমুখী, প্রগতিশীল প্রতিষ্ঠান গড়া দরকার। বাংলামোটর কেন্দ্রের বহুতল ভবন দেখেই যারা সব হিসাব মিলিয়ে ফেলছেন, তারা বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন’- যোগ করেন রেওয়াজ।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কী করে?

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কার্যক্রমের মধ্যে আছে- দেশভিত্তিক উৎকর্ষ (বইপড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম), দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি, পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি, পিটিআই শিক্ষকের জন্য বইপড়া, দেশভিত্তিক পাঠচক্র, আলোর ইশকুল, বাংলা ভাষার চিন্তামূলক রচনা সংগ্রহ ও প্রকাশনা, চলচ্চিত্র প্রদর্শন, শ্রবণ-দর্শন, প্রকাশনা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং আলোর পাঠশালা (ই-লাইব্রেরি)।

৬৪ জেলার ৪৫০টি উপজেলার ১ হাজার ৪০০টি স্কুল-কলেজে কর্মসূচি পরিচালনা করেছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। বর্তমানে দেশভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রমে ১ লাখ ৩০ হাজার জন, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিতে ৩ লাখ ৭৫ হাজার জন, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ১৩ হাজার ৪০০ জন, আলোর ইশকুলে ৪০০ জন এবং আলোর পাঠশালায় ৩৩ হাজার ৬৫৯ জন পাঠক বই পড়াসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ৫৭৪টি বই প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ২০৯ খণ্ডে বাংলা ভাষার চিন্তামূলক রচনা সংগ্রহও প্রকাশ করছে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বেশিরভাগ কার্যক্রম পরিচালিত হয় সরকারি এবং বেসরকারি অনুদানের অর্থায়নে। এ ছাড়া কেন্দ্রের বই বিক্রি, মিলনায়তন ভাড়ার টাকাও আয়ের উৎস বলে জানান কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম পরিচালক (প্রোগ্রাম), মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘বইপড়া কর্মসূচির কুইজ বা পুরস্কার বিতরণীর মতো আয়োজনগুলোতে অংশগ্রহণ ছাত্র-ছাত্রীদের জড়তা কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং নেতৃত্বের গুণাবলি তৈরিতে সাহায্য করছে।’

‘পাঠ্যবইয়ের বাইরে সৃজনশীল বই পড়ার কারণে শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটছে, যা তাদের একাডেমিক পড়াশোনাতেও ভালো প্রভাব ফেলছে। একটি মননশীল প্রজন্ম গড়তে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বইপড়া বা পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি আরও জোরদার করা প্রয়োজন’- বলছিলেন মেসবাহ উদ্দিন।

‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও আমি’ বইয়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ লিখেছেন,‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আসল লক্ষ্য কী, এ নিয়ে নানান লোকের কাছে নানান কথা বলি। কিন্তু আমি তো জানি, এই কেন্দ্রের সামনে আজ যদি সত্যিকার করণীয় কিছু থাকে, তবে তা হচ্ছে দুটো। এক. আজকের তরুণদের অর্থাৎ আগামীদিনের মানুষদের বড় করে তোলা; দুই, তাদের সংঘবদ্ধ জাতীয় শক্তিতে পরিণত করা।’

ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিতে ৩ লাখ ৭৫ হাজার পাঠক

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বলছে, চলতি বছরে সারা দেশে মাঠপর্যায়ে ৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি বা গাড়ির মাধ্যমে ৩ হাজার ২০০টি স্পটে সবার জন্য, বিশেষ করে নারী ও শিশু-কিশোরদের জন্য বই পঠনের সেবা দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে প্রকল্প এলাকায় প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার পাঠক সৃজনশীল বই পাঠ ও বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আওতায় আসবেন।

বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ সঞ্চার ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে ৭০০টি সাংস্কৃতিক সংঘ পরিচালনা এবং ৮ হাজার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা এটি প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

১৯৯৯ সাল থেকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি পরিচালনা করে আসছে। এ প্রকল্পের তৃতীয় পর্ব শেষ হয় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। শুরু থেকে ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এককভাবে এই লাইব্রেরির যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করে। এরপর ২০১৮ সাল থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কর্মযজ্ঞে অর্থায়ন শুরু করে, ফলে এর বৃদ্ধি পায় পরিসরও।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রবাংলাদেশবই
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৬ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    বেলজিয়াম
    ০
    মিসর
    ০
    ১৬ জুন ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    সৌদি আরব
    ০
    উরুগুয়ে
    ০
    ১৬ জুন ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    ইরান
    ০
    নিউজিল্যান্ড
    ০
    সরিষাবাড়ীতে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রজাপতি পার্ক, পুরস্কৃত হচ্ছেন উদ্যোক্তা

    সরিষাবাড়ীতে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রজাপতি পার্ক, পুরস্কৃত হচ্ছেন উদ্যোক্তা

    ১৬ জুন ২০২৬, ০০:১৮

    গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত দুই সন্তানের মা

    গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত দুই সন্তানের মা

    ১৬ জুন ২০২৬, ০০:১৩

    কামরাঙ্গীরচরে ছুরি মেরে দোকান কর্মচারী নিহত

    কামরাঙ্গীরচরে ছুরি মেরে দোকান কর্মচারী নিহত

    ১৬ জুন ২০২৬, ০০:৩০

    advertiseadvertise